শিরোনাম :
২৬ অক্টোবর জাপান সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী:স্বাক্ষরিত হতে পারে একাধিক সমঝোতা স্মারক নাগরিকদের নিরাপত্তা ও ধর্মীয় স্বাধীনতা নিশ্চিত করাই সরকারের অঙ্গীকার ভারতের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত করার খুব কাছাকাছি যুক্তরাষ্ট্র: পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও ফ্রান্সের পর এবার উত্তাল ইতালি: ব্যয়বৃদ্ধি ও বাড়তি করের প্রতিবাদে রণক্ষেত্র বিভিন্ন শহর, আহত ১৪১ পুলিশ রাশিয়া, ইউরোপ ও আফ্রিকার নির্মাতাদের অংশগ্রহণে নিংপোতে যুব চলচ্চিত্র সপ্তাহ মেকং নদীপথের সার্বিক সুরক্ষায় চীন, লাওস, মিয়ানমার ও থাইল্যান্ডের সমন্বিত উদ্যোগ পণ্য আমদানিকারক ও বহুজাতিক ব্র্যান্ডগুলোর অন্যতম আস্থার কেন্দ্র চীনের ক্যান্টন মেলা মধ্যপ্রাচ্যের ১২ দেশে মার্কিন নাগরিকদের সর্বোচ্চ সতর্কতা ফ্রান্সে ব্যয়বৃদ্ধিবিরোধী বিক্ষোভ রূপ নিল ভয়াবহ দাঙ্গায়: ব্যর্থতা স্বীকার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর, পদত্যাগপত্র নাকচ মাখোঁর জাপানে কর্মসংস্থানে ঐতিহাসিক চুক্তি: আগামী ১ এপ্রিল থেকে কর্মী নিয়োগ শুরু, মিলবে দীর্ঘমেয়াদি বসবাসের সুযোগ

দুই মন্ত্রীর বিদেশি নাগরিকত্ব ও আনুগত্য যাচাইয়ের দাবি, আইনি নোটিশ

জার্মান-বাংলা ডেস্ক, ঢাকা অফিস:
  • প্রকাশের সময়: শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান ও পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী-১ হুমায়ুন কবিরের বিদেশি নাগরিকত্ব, বিদেশি রাষ্ট্রের প্রতি আনুগত্য এবং তাদের নিয়োগ ও শপথ গ্রহণের সাংবিধানিক বৈধতা যাচাইয়ের দাবি জানিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে আইনি নোটিশ দিয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী আসলাম মিয়া।

মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) প্রধান নির্বাচন কমিশনার, মন্ত্রিপরিষদ সচিব, রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের সচিব, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব, আইন মন্ত্রণালয়ের সচিব, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিব এবং জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কাছে এ নোটিশ পাঠানো হয়।

আইনজীবী আসলাম মিয়া জানিয়েছেন, সাত দিনের মধ্যে নোটিশের জবাব না পেলে তিনি হাইকোর্টে রিটসহ প্রয়োজনীয় আইনগত প্রতিকার চাইবেন।

নোটিশে সংবিধানের ৫৬, ৬৬ ও ১৪৮ অনুচ্ছেদ এবং তৃতীয় তফসিলের আলোকে দুই মন্ত্রীর নিয়োগ, যোগ্যতা, নাগরিকত্ব, আনুগত্য ও শপথের বিষয়গুলো সাংবিধানিকভাবে যাচাইয়ের দাবি জানানো হয়েছে।

নোটিশে সংবিধানের ৬৬(১) অনুচ্ছেদের উল্লেখ করে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের নাগরিক এবং ২৫ বছর বয়সি ব্যক্তি সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার যোগ্য। একই সঙ্গে ৬৬(২)(গ) অনুযায়ী কোনো ব্যক্তি বিদেশি রাষ্ট্রের নাগরিকত্ব অর্জন করলে অথবা বিদেশি রাষ্ট্রের প্রতি আনুগত্য স্বীকার বা স্বীকৃতি দিলে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়া কিংবা পদে থাকার ক্ষেত্রে অযোগ্যতার প্রশ্ন দেখা দিতে পারে।

তবে সংবিধানের ৬৬(২)এ অনুচ্ছেদে জন্মসূত্রে বাংলাদেশের নাগরিক কোনো ব্যক্তি পরবর্তী সময়ে বিদেশি নাগরিকত্ব গ্রহণ করলে তা ত্যাগের পর তার সাংবিধানিক অবস্থান সম্পর্কে বিশেষ বিধান রয়েছে বলেও নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে। এ কারণে সংশ্লিষ্ট দুই ব্যক্তির নাগরিকত্বের ইতিহাস এবং বর্তমান আইনগত অবস্থান যাচাইয়ের দাবি জানানো হয়েছে।

নোটিশে আরও বলা হয়েছে, সংবিধানের ১৪৮ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী তৃতীয় তফসিলে উল্লেখিত পদে নিয়োগ পাওয়া ব্যক্তিকে দায়িত্ব গ্রহণের আগে নির্ধারিত শপথ বা ঘোষণা করতে হয়। মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীর শপথে বাংলাদেশের প্রতি বিশ্বাস ও আনুগত্য এবং সংবিধান সংরক্ষণ, রক্ষা ও প্রতিরক্ষার অঙ্গীকার রয়েছে।

নোটিশদাতার দাবি, ড. খলিলুর রহমান ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন। তার নাগরিকত্বের বর্তমান অবস্থা, অতীতে কোনো বিদেশি নাগরিকত্ব গ্রহণ করেছিলেন কি না, বিদেশি পাসপোর্ট ধারণ করেছেন বা করছেন কি না এবং কোনো বিদেশি রাষ্ট্রের প্রতি আনুগত্যের শপথ বা ঘোষণা দিয়েছেন কি না—এসব বিষয় যাচাই করা প্রয়োজন। বিদেশি নাগরিকত্ব গ্রহণ করে থাকলে তা কবে ত্যাগ করেছেন, সেই তথ্যও পরীক্ষা করার দাবি জানানো হয়েছে।

একইভাবে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবিরের নাগরিকত্ব, বিদেশি পাসপোর্ট এবং বিদেশি রাষ্ট্রের প্রতি আনুগত্যের বিষয়গুলোও যাচাইয়ের আহ্বান জানানো হয়েছে।

এ জন্য দুই মন্ত্রীর নাগরিকত্ব, পাসপোর্ট, অভিবাসন, জাতীয়তা এবং নাগরিকত্ব গ্রহণ বা ত্যাগসংক্রান্ত রেকর্ডসহ প্রাসঙ্গিক নথি সংগ্রহ ও পরীক্ষা করার দাবি জানানো হয়েছে।

এ ছাড়া তাদের নিয়োগ ও দায়িত্ব গ্রহণ সংবিধানের ৫৬, ৬৬ ও ১৪৮ অনুচ্ছেদ এবং তৃতীয় তফসিলের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হয়েছে কি না, তা নির্ধারণেরও দাবি জানানো হয়েছে। কোনো সাংবিধানিক অযোগ্যতা পাওয়া গেলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া এবং অযোগ্যতা না থাকলে তাদের নিয়োগ ও দায়িত্ব পালনের সাংবিধানিক ও আইনগত ভিত্তি জানাতে বলা হয়েছে।

আইনজীবী আসলাম মিয়া জানিয়েছেন, নোটিশটি কোনো চূড়ান্ত অভিযোগ বা সিদ্ধান্ত নয়। নাগরিকত্ব, বিদেশি রাষ্ট্রের প্রতি আনুগত্য এবং সাংবিধানিক যোগ্যতা নিয়ে ওঠা প্রশ্ন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে যাচাই করাই এর উদ্দেশ্য।

নোটিশে আরও বলা হয়েছে, সাত দিনের মধ্যে বিষয়টির নিষ্পত্তি না হলে অথবা সাংবিধানিক প্রশ্নগুলো অনিষ্পন্ন থাকলে সংবিধান ও আইনে বিদ্যমান প্রতিকার পেতে উপযুক্ত সাংবিধানিক বা বিচারিক ফোরামে যাওয়ার পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

সূত্র: আইনজীবী আসলাম মিয়ার দেওয়া আইনি নোটিশ

শেয়ার করুন:
এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 ১২৩৪
৫৬৭৮৯১০১১
১২১৩১৪১৫১৬১৭১৮
১৯২০২১২২২৩২৪২৫
২৬২৭২৮২৯৩০৩১  
©germanbanglanews24
Developer Design Host BD