শিরোনাম :
গ্লোবাল সাউথের উন্নয়ন ও বৈশ্বিক শাসনে এসসিওর নতুন দায়িত্ব চীন-মিশর অংশীদারিত্ব আরও গভীর করতে ২০টির বেশি সহযোগিতা দলিলে স্বাক্ষর বন্যায় বিদ্যুৎকেন্দ্র ক্ষতিগ্রস্ত, বাংলাদেশে নেপালের বিদ্যুৎ রপ্তানি বন্ধ প্রায় এক শতাব্দী পর মার্কিন মুদ্রায় জীবিত প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের ছবি সংখ্যালঘু-সংখ্যাগুরু নয়, সবাই বাংলাদেশি: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান হাসপাতালে ফারজানা রুপার সঙ্গে দুই সন্তানের সাক্ষাতের অনুমতি ট্রাইব্যুনালের ইস্টার্ন রিফাইনারি আধুনিকায়নে আইএসডিবির ১ বিলিয়ন ডলার অর্থায়ন বিশ্ব ইজতেমা শান্তিপূর্ণভাবে আয়োজনে সরকার বদ্ধপরিকর: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মিড ডে মিল কোনো অনুগ্রহ নয়, এটি প্রতিটি শিশুর অধিকার: প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ পার্বত্য চট্টগ্রামে অবৈধ অস্ত্র বন্ধ ও শান্তি ফেরাতে সমন্বিত পরিকল্পনা রয়েছে: মীর হেলাল

বন্যায় বিদ্যুৎকেন্দ্র ক্ষতিগ্রস্ত, বাংলাদেশে নেপালের বিদ্যুৎ রপ্তানি বন্ধ

জার্মান-বাংলা ডেস্ক, ঢাকা অফিস:
  • প্রকাশের সময়: বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

ভয়াবহ আকস্মিক বন্যায় নেপালের কয়েকটি জলবিদ্যুৎকেন্দ্র ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় বাংলাদেশে দেশটির বিদ্যুৎ রপ্তানি পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গেছে। বিশেষ করে ভোটেকোশি নদী ব্যবস্থায় সাম্প্রতিক বন্যায় বিদ্যুৎকেন্দ্র ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।

বুধবার কাঠমান্ডু পোস্টের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, বর্ষা মৌসুমে নেপাল গড়ে প্রায় ১ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ রপ্তানি করলেও বন্যার পর দেশটির মোট বিদ্যুৎ রপ্তানি কমে প্রায় ৬৫০ মেগাওয়াটে নেমে এসেছে।

নেপাল বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষের ভারপ্রাপ্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক দীর্ঘায়ু কুমার শ্রেষ্ঠ জানান, গত ২৬ আগস্টের বন্যায় বাংলাদেশে বিদ্যুৎ সরবরাহের জন্য অনুমোদিত ২২ দশমিক ১ মেগাওয়াট ক্ষমতার চিলিমে এবং ২৪ মেগাওয়াট ক্ষমতার ত্রিশূলী জলবিদ্যুৎকেন্দ্র ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এর ফলে বাংলাদেশে নেপালের বিদ্যুৎ রপ্তানি বর্তমানে কার্যত শূন্যে নেমে এসেছে।

বিকল্প ব্যবস্থা হিসেবে অন্য জলবিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে বাংলাদেশে বিদ্যুৎ পাঠানোর জন্য ভারতের অনুমতি চাওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।

ভারতীয় বিদ্যুৎ সঞ্চালন ব্যবস্থার মাধ্যমে নেপাল থেকে বাংলাদেশে বিদ্যুৎ রপ্তানির এই সংযোগ সম্প্রতি চালু হয়েছিল। এর বিনিময়ে নেপাল মার্কিন ডলারে অর্থ পেত। তবে সাম্প্রতিক বন্যার কারণে দেশটির অন্তত ১২টি জলবিদ্যুৎকেন্দ্রের উৎপাদন বন্ধ হয়ে গেছে।

এ ছাড়া সানজেন, আপার সানজেন ও সালাসুনগি জলবিদ্যুৎকেন্দ্র জাতীয় গ্রিড থেকে বিচ্ছিন্ন রেখে স্থানীয়ভাবে বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হচ্ছে।

বন্যার ক্ষয়ক্ষতির পাশাপাশি ভারতীয় রপ্তানি অনুমোদন নবায়ন না হওয়ায় নেপাল আরও ৭৩ দশমিক ৭৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ রপ্তানি করতে পারছে না। আপার চামেলিয়া, সেতি রিভার এবং আপার তাদি খোলা প্রকল্পের বিদ্যুৎ রপ্তানির অনুমোদনের মেয়াদ শেষ হয়ে গেলেও ভারতের সেন্ট্রাল ইলেকট্রিসিটি অথরিটি এখনো তা নবায়ন করেনি।

এদিকে, ২০২৫ সালের নভেম্বরে ঢাকায় অনুষ্ঠিত বৈঠকে বাংলাদেশকে অতিরিক্ত ২০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহের বিষয়ে সম্মতি দেওয়া হলেও সঞ্চালন সক্ষমতার সীমাবদ্ধতার কারণে ভারত এতে অনুমোদন দেয়নি।

চীনা বিনিয়োগ, ঠিকাদার বা সরঞ্জাম যুক্ত থাকা জলবিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে বিদ্যুৎ কেনার বিষয়েও ভারতের আপত্তি রয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। এর অন্যতম বড় উদাহরণ ৪৫৬ মেগাওয়াট ক্ষমতার আপার তামাকোশি জলবিদ্যুৎ প্রকল্প।

নেপালের সাবেক জ্বালানি মন্ত্রী কুলমান ঘিসিং বলেছেন, বিদ্যুৎ রপ্তানির অনুমোদন নিশ্চিত করা এবং বিদ্যমান অনুমোদনগুলো নবায়নের জন্য কূটনৈতিক পর্যায়ে দ্বিপক্ষীয় আলোচনা আরও জোরদার করা প্রয়োজন।

উল্লেখ্য, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে নেপাল ভারত ও বাংলাদেশে মোট ২৯ দশমিক ৩২ বিলিয়ন রুপি মূল্যের বিদ্যুৎ রপ্তানি করেছিল। একই সময়ে শুষ্ক মৌসুমে বিদ্যুৎ আমদানি করার পরও দেশটির বিদ্যুৎ বাণিজ্যে ১৯ দশমিক ০৯ বিলিয়ন রুপির উদ্বৃত্ত ছিল।

সূত্র: কাঠমান্ডু পোস্ট।

শেয়ার করুন:
এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩
১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
২৮২৯৩০  
©germanbanglanews24
Developer Design Host BD