শিরোনাম :
গ্লোবাল সাউথের উন্নয়ন ও বৈশ্বিক শাসনে এসসিওর নতুন দায়িত্ব চীন-মিশর অংশীদারিত্ব আরও গভীর করতে ২০টির বেশি সহযোগিতা দলিলে স্বাক্ষর বন্যায় বিদ্যুৎকেন্দ্র ক্ষতিগ্রস্ত, বাংলাদেশে নেপালের বিদ্যুৎ রপ্তানি বন্ধ প্রায় এক শতাব্দী পর মার্কিন মুদ্রায় জীবিত প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের ছবি সংখ্যালঘু-সংখ্যাগুরু নয়, সবাই বাংলাদেশি: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান হাসপাতালে ফারজানা রুপার সঙ্গে দুই সন্তানের সাক্ষাতের অনুমতি ট্রাইব্যুনালের ইস্টার্ন রিফাইনারি আধুনিকায়নে আইএসডিবির ১ বিলিয়ন ডলার অর্থায়ন বিশ্ব ইজতেমা শান্তিপূর্ণভাবে আয়োজনে সরকার বদ্ধপরিকর: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মিড ডে মিল কোনো অনুগ্রহ নয়, এটি প্রতিটি শিশুর অধিকার: প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ পার্বত্য চট্টগ্রামে অবৈধ অস্ত্র বন্ধ ও শান্তি ফেরাতে সমন্বিত পরিকল্পনা রয়েছে: মীর হেলাল

মিড ডে মিল কোনো অনুগ্রহ নয়, এটি প্রতিটি শিশুর অধিকার: প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ

জার্মান-বাংলা ডেস্ক, ঢাকা অফিস:
  • প্রকাশের সময়: বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ বলেছেন, বিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত প্রতিটি শিশুর জন্য মিড ডে মিল কোনো অনুগ্রহ বা দয়া নয়, বরং এটি তাদের অধিকার। পুষ্টিকর খাবার নিশ্চিত করার মাধ্যমে শিশুদের সুস্থতা, বিদ্যালয়ে নিয়মিত উপস্থিতি এবং শেখার সক্ষমতা বাড়ানোই স্কুল ফিডিং কর্মসূচির মূল লক্ষ্য।

তিনি বলেন, প্রতিটি শিশুর পুষ্টি ও শিক্ষা নিশ্চিত করা সরকারের দায়িত্ব। এ কর্মসূচি বাস্তবায়নে কোনো ধরনের অনিয়ম, অবহেলা কিংবা নিম্নমানের খাবার সরবরাহের সুযোগ দেওয়া হবে না। একই সঙ্গে কর্মসূচিতে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে শিক্ষক, অভিভাবক এবং স্থানীয় জনগোষ্ঠীর কার্যকর অংশগ্রহণ আরও বাড়ানো হবে।

বৃহস্পতিবার খুলনার একটি স্থানীয় হোটেলে আয়োজিত ‘সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ফিডিং কর্মসূচি’ শীর্ষক প্রকল্প সম্পর্কে প্রধান শিক্ষকদের ওরিয়েন্টেশন এবং প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়ন বিষয়ে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ‘কোনো শিশু বিদ্যালয়ের বাইরে থাকবে না’ এবং ‘প্রতিটি শিশু সঠিক শিক্ষায় শিক্ষিত হবে’—প্রাথমিক শিক্ষার এই দুটি গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্য বাস্তবায়নে স্কুল ফিডিং কর্মসূচি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

তিনি বলেন, বিদ্যালয়ে শিশুদের উপস্থিতি নিশ্চিত করার পাশাপাশি পুষ্টিকর খাবার তাদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশে সহায়তা করছে। এর ইতিবাচক প্রভাব পড়ছে শিশুদের শেখার সক্ষমতার ওপরও।

প্রাথমিক শিক্ষাকে সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে শিক্ষায় বিনিয়োগ ধারাবাহিকভাবে বাড়ানো হচ্ছে। এই বিনিয়োগের উদ্দেশ্য শুধু বিদ্যালয়ের অবকাঠামো নির্মাণ নয়; বরং প্রতিটি শিশুকে বিদ্যালয়ে নিয়ে আসা, তাদের পুষ্টি নিশ্চিত করা এবং মানসম্মত শিক্ষা দেওয়ার মাধ্যমে দক্ষ ও শিক্ষিত প্রজন্ম গড়ে তোলা।

স্কুল ফিডিং কর্মসূচিতে খাবারের মান নিশ্চিত করার বিষয়ে কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়ে ববি হাজ্জাজ বলেন, কোনো খাবার নিম্নমানের, পচা বা অনুপযুক্ত মনে হলে তা গ্রহণ না করে সরবরাহকারীকে ফেরত দিতে হবে। একই সঙ্গে বিষয়টি তাৎক্ষণিকভাবে সংশ্লিষ্ট সহকারী উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তাকে জানাতে হবে।

তিনি বলেন, খাবার সরবরাহ ব্যবস্থায় কোনো অনিয়ম বা নিম্নমানের খাবারের অভিযোগ পাওয়া গেলে তা যথাযথভাবে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ ক্ষেত্রে দায়িত্বশীলতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা হবে।

প্রতিমন্ত্রী আরও জানান, স্কুল ফিডিং কর্মসূচির তদারকিতে মাদারস কমিটিকে আরও কার্যকরভাবে সম্পৃক্ত করা হচ্ছে। বিদ্যালয় পর্যায়ে খাবারের মান, পরিমাণ এবং সরবরাহ ব্যবস্থার ওপর অভিভাবকদের নজরদারি বাড়ানো গেলে অনিয়ম কমবে। একই সঙ্গে কর্মসূচির প্রতি সাধারণ মানুষের আস্থাও আরও শক্তিশালী হবে।

খুলনা বিভাগীয় কমিশনার মো. আবদুল্লাহ হারুনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খুলনা সিটি করপোরেশনের প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব মো. মতিয়ার রহমান, ফিডিং কর্মসূচির প্রকল্প পরিচালক মো. আবুল আমিন এবং খুলনার জেলা প্রশাসক হুরে জান্নাত।

অনুষ্ঠানে খুলনা বিভাগের বিভিন্ন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকরাও উপস্থিত ছিলেন।

সূত্র: প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়।

শেয়ার করুন:
এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩
১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
২৮২৯৩০  
©germanbanglanews24
Developer Design Host BD