শিরোনাম :
গ্লোবাল সাউথের উন্নয়ন ও বৈশ্বিক শাসনে এসসিওর নতুন দায়িত্ব চীন-মিশর অংশীদারিত্ব আরও গভীর করতে ২০টির বেশি সহযোগিতা দলিলে স্বাক্ষর বন্যায় বিদ্যুৎকেন্দ্র ক্ষতিগ্রস্ত, বাংলাদেশে নেপালের বিদ্যুৎ রপ্তানি বন্ধ প্রায় এক শতাব্দী পর মার্কিন মুদ্রায় জীবিত প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের ছবি সংখ্যালঘু-সংখ্যাগুরু নয়, সবাই বাংলাদেশি: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান হাসপাতালে ফারজানা রুপার সঙ্গে দুই সন্তানের সাক্ষাতের অনুমতি ট্রাইব্যুনালের ইস্টার্ন রিফাইনারি আধুনিকায়নে আইএসডিবির ১ বিলিয়ন ডলার অর্থায়ন বিশ্ব ইজতেমা শান্তিপূর্ণভাবে আয়োজনে সরকার বদ্ধপরিকর: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মিড ডে মিল কোনো অনুগ্রহ নয়, এটি প্রতিটি শিশুর অধিকার: প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ পার্বত্য চট্টগ্রামে অবৈধ অস্ত্র বন্ধ ও শান্তি ফেরাতে সমন্বিত পরিকল্পনা রয়েছে: মীর হেলাল

পার্বত্য চট্টগ্রামে অবৈধ অস্ত্র বন্ধ ও শান্তি ফেরাতে সমন্বিত পরিকল্পনা রয়েছে: মীর হেলাল

জার্মান-বাংলা ডেস্ক, ঢাকা অফিস:
  • প্রকাশের সময়: বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলে অবৈধ অস্ত্রের ব্যবহার বন্ধ এবং স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠায় সরকারের দীর্ঘমেয়াদি ও সমন্বিত পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানিয়েছেন ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন এমপি।

তিনি বলেছেন, শুধু তাৎক্ষণিকভাবে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অভিযান পরিচালনা করে পাহাড়ে সংঘাতের স্থায়ী সমাধান সম্ভব নয়। শিক্ষা, স্বাস্থ্য, অবকাঠামো উন্নয়ন ও কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করে সমাজ থেকে অন্ধকার দূর করাই সরকারের প্রধান লক্ষ্য।

বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) রাতে রাঙ্গামাটি জেলা প্রশাসকের সম্মেলনকক্ষে জেলা প্রশাসনের আয়োজনে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, দুর্নীতি ও মাদক নিয়ন্ত্রণ, সুশাসন, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিতকরণ এবং সার্বিক উন্নয়ন কার্যক্রম তদারকি নিয়ে আয়োজিত বিশেষ সভা শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, কোথাও গোলাগুলি হলে তাৎক্ষণিকভাবে পুলিশ, বিজিবি বা সেনাবাহিনী পাঠিয়ে কিছু অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার করা কোনো টেকসই সমাধান নয়। মানুষের আত্মকর্মসংস্থানের সুযোগ এবং উন্নত শিক্ষার ব্যবস্থা নিশ্চিত করা গেলে অবৈধ অস্ত্রের ব্যবহার ও সহিংসতা স্বাভাবিকভাবেই কমে আসবে।

তিনি বলেন, কোনো স্থায়ী পরিবর্তন রাতারাতি সম্ভব নয়। সরকার আইনগত, সামাজিক, শিক্ষাগত ও অর্থনৈতিক—সব দিককে সমন্বিত করে একটি সামগ্রিক পদ্ধতিতে এগিয়ে যাচ্ছে।

দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় শিক্ষার সুযোগ সম্প্রসারণের ওপর গুরুত্ব দিয়ে মীর হেলাল বলেন, ই-লার্নিং ও মানসম্মত শিক্ষার সুযোগ বাড়াতে হবে। শিক্ষায় সমতা নিশ্চিত করা গেলে পাহাড় ও সমতলের মানুষের মধ্যকার বৈষম্য কমে আসবে।

পাহাড়ি অঞ্চলের কৃষকদের উৎপাদিত পণ্যের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করার বিষয়েও গুরুত্বারোপ করেন তিনি। প্রতিমন্ত্রী বলেন, কৃষক যাতে তার পণ্যের ন্যায্য দাম পান, সে জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গড়ে তোলা হবে।

তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, স্বাবলম্বী এবং সুস্থ জীবনযাপনে অভ্যস্ত কোনো মানুষ সাধারণত সন্ত্রাসী বা বিচ্ছিন্নতাবাদী কর্মকাণ্ডে জড়িত হতে চান না। তাই উন্নয়ন, শিক্ষা ও কর্মসংস্থানের মাধ্যমে মানুষের জীবনমান উন্নত করা গেলে পাহাড়ে সহিংসতা ও অবৈধ অস্ত্রের ব্যবহারও কমিয়ে আনা সম্ভব হবে।

গণতন্ত্র ও সুশাসনের মূলনীতির কথা তুলে ধরে মীর হেলাল বলেন, বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবক্তা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান গঠনমূলক সমালোচনার পথ উন্মুক্ত করেছিলেন, যা গণতন্ত্রের অন্যতম সৌন্দর্য। জনগণই দেশের প্রকৃত মালিক।

তিনি বলেন, সমাজ ও জাতীয় স্বার্থের পরিপন্থী সব কর্মকাণ্ড পরিহার করে পার্বত্য চট্টগ্রামকে মাদকমুক্ত ও শান্তিপূর্ণ অঞ্চল হিসেবে গড়ে তুলতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।

রাঙ্গামাটি জেলা প্রশাসক নাজমা আশরাফির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন রাঙ্গামাটির সংসদ সদস্য দীপেন দেওয়ান, রাঙ্গামাটি রিজিয়ন কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ নাজমুল হক পিএসসি, রাঙ্গামাটি জেলা পরিষদের নবনিযুক্ত চেয়ারম্যান দীপন তালুকদার দিপু, পুলিশ সুপার মো. আব্দুর রকিব পিপিএম, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট নিশাত শারমিনসহ জেলা বিএনপি ও সুশীল সমাজের নেতৃবৃন্দ।

সূত্র: রাঙ্গামাটি জেলা প্রশাসন ও সভা-পরবর্তী প্রতিমন্ত্রীর বক্তব্য।

শেয়ার করুন:
এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩
১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
২৮২৯৩০  
©germanbanglanews24
Developer Design Host BD