বিশ্ব পর্যটন দিবস-২০২৬ উদযাপন উপলক্ষে দেশব্যাপী ব্যাপক কর্মসূচি গ্রহণের উদ্যোগ নিয়েছে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়। কেন্দ্রীয় আয়োজনের পাশাপাশি জেলা পর্যায়েও একযোগে বিভিন্ন অনুষ্ঠান আয়োজনের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এবারের প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে ‘ডিজিটাল রূপান্তর ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় আগামীর পর্যটন’।
বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) বাংলাদেশ সচিবালয়ে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত প্রস্তুতি সভায় এসব সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী আফরোজা খানম, এমপি। এতে প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত, এমপি, মন্ত্রণালয়ের সচিব মিজ ফাহমিদা আখতার, এনডিসি এবং সংশ্লিষ্ট দপ্তর ও সংস্থার কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
সভায় মন্ত্রী আফরোজা খানম বলেন, এবার বিশ্ব পর্যটন দিবস সারা দেশে উৎসবমুখর পরিবেশে উদযাপন করতে চায় সরকার। এ উপলক্ষে এমন কর্মসূচি গ্রহণ করা হবে, যা দেশের পর্যটন সম্ভাবনাকে দেশ-বিদেশে আরও কার্যকরভাবে তুলে ধরবে। একই সঙ্গে দেশের ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও কৃষ্টিকে তুলে ধরতে বিশেষ প্রদর্শনীর আয়োজনেরও নির্দেশনা দেন তিনি।
তিনি আরও বলেন, শুধু রাজধানীকেন্দ্রিক নয়, জেলা পর্যায়েও একই সময়ে দিবসটি উদযাপনের ব্যবস্থা করা হবে, যাতে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের পর্যটন সম্ভাবনা সমানভাবে তুলে ধরা যায়। এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে পর্যটন খাতের বেসরকারি অংশীজনদের সক্রিয় সহযোগিতাও কামনা করেন মন্ত্রী।
সভায় প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত জানান, দিবসটি উপলক্ষে দেশের গুরুত্বপূর্ণ ও জনবহুল স্থানে বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ড নির্মিত প্রচারচিত্র (টিভিসি) প্রদর্শন করা হবে। এছাড়া বিদেশি কূটনীতিক ও অতিথিদের অংশগ্রহণে লাইভ কুকিং শো এবং রান্না প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হবে, যার মাধ্যমে বাংলাদেশের সমৃদ্ধ ও বৈচিত্র্যময় খাদ্যসংস্কৃতিকে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে তুলে ধরার পরিকল্পনা রয়েছে।
মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানান, বিশ্ব পর্যটন দিবসকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের সমন্বয়ে বিস্তারিত কর্মসূচি চূড়ান্ত করা হবে। এর মাধ্যমে দেশের পর্যটন শিল্পের প্রসার, আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বাংলাদেশের ইতিবাচক ভাবমূর্তি তুলে ধরা এবং ডিজিটাল প্রযুক্তিনির্ভর পর্যটন ব্যবস্থার গুরুত্ব তুলে ধরাই হবে মূল লক্ষ্য।
সূত্র: বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়।