বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনাল শুরু হওয়ার আগে হলুদ কার্ডের হিসাব নিয়ে নতুন করে আলোচনায় এসেছে আটটি দল। শেষ ১৬ পার হয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠা দলগুলোর অন্তত ১৮ জন ফুটবলার বর্তমানে নিষেধাজ্ঞার ঝুঁকিতে রয়েছেন। কোয়ার্টার ফাইনালে আরেকটি হলুদ কার্ড দেখলেই দল সেমিফাইনালে উঠলেও তাদের দর্শক হয়ে থাকতে হবে।
ঝুঁকিতে থাকা ফুটবলারদের মধ্যে রয়েছে আর্জেন্টিনা, ফ্রান্স, স্পেন, ইংল্যান্ড, মরক্কো, সুইজারল্যান্ড, বেলজিয়াম ও নরওয়ের খেলোয়াড়রা। সবচেয়ে বেশি সতর্ক থাকতে হবে ইংল্যান্ড ও মরক্কোকে, কারণ এই দুই দলের চারজন করে খেলোয়াড় ইতোমধ্যে একটি করে হলুদ কার্ড পেয়েছেন। অন্যদিকে ফ্রান্স ও সুইজারল্যান্ডের তিনজন করে এবং স্পেন, বেলজিয়াম, আর্জেন্টিনা ও নরওয়ের একজন করে খেলোয়াড় একই পরিস্থিতিতে আছেন।
৪৮ দলের বিশ্বকাপের নতুন কাঠামোর কারণে এবার নকআউট পর্বে একটি অতিরিক্ত রাউন্ড যুক্ত হয়েছে। সে কারণে আগের নিয়ম বহাল থাকলে সেমিফাইনালের আগে অনেক গুরুত্বপূর্ণ ফুটবলার নিষিদ্ধ হওয়ার আশঙ্কা ছিল। বিষয়টি বিবেচনায় রেখে ফিফা হলুদ কার্ড নীতিতে পরিবর্তন এনেছে।
নতুন নিয়ম অনুযায়ী, গ্রুপ পর্বে পাওয়া সব হলুদ কার্ড নকআউট পর্ব শুরু হওয়ার আগে বাতিল হয়ে গেছে। এরপর শেষ ৩২ ও শেষ ষোলোর ম্যাচে যারা একটি করে হলুদ কার্ড পেয়েছেন, তারা কোয়ার্টার ফাইনালে আরেকটি কার্ড দেখলে এক ম্যাচের জন্য নিষিদ্ধ হবেন। অর্থাৎ তাদের দল সেমিফাইনালে উঠলেও তারা মাঠে নামতে পারবেন না।
তবে কোয়ার্টার ফাইনাল শেষে হলুদ কার্ডের হিসাব আবার রিসেট হবে। ফলে হলুদ কার্ডের কারণে কোনো খেলোয়াড় ফাইনাল মিস করবেন না। তবে সেমিফাইনালে লাল কার্ড পেলে ফাইনালে খেলার সুযোগ থাকবে না। এছাড়া গুরুতর অসদাচরণের ঘটনায় ফিফার শৃঙ্খলা কমিটি প্রয়োজন হলে অতিরিক্ত শাস্তিও দিতে পারবে।
বিশ্বকাপের সূচি অনুযায়ী, ৯-১২ জুলাই কোয়ার্টার ফাইনাল, ১৪-১৫ জুলাই সেমিফাইনাল, ১৮ জুলাই তৃতীয় স্থান নির্ধারণী এবং ১৯ জুলাই অনুষ্ঠিত হবে বহুল প্রতীক্ষিত ফাইনাল।
সূত্র: ফিফা ও আন্তর্জাতিক ক্রীড়া গণমাধ্যম