দেশের মৎস্য খাতে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করতে পারে ভেনামি চিংড়ি। এ খাতের সম্প্রসারণ দেশের অর্থনীতি, রপ্তানি আয় বৃদ্ধি এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মন্তব্য করেছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু।
মঙ্গলবার রাতে কক্সবাজারের কলাতলীতে অবস্থিত নিরিবিলি মৎস্য হ্যাচারি, মৎস্য অধিদপ্তরের সরকারি কাঁকড়া হ্যাচারি এবং উখিয়ার নিরিবিলি তেলাপিয়া হ্যাচারি পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী জানান, ভেনামি চিংড়ির উৎপাদন ও ব্যবস্থাপনা কার্যক্রম সরেজমিনে পর্যালোচনা করা হয়েছে। তাঁর মতে, সঠিক পরিকল্পনা ও প্রযুক্তিনির্ভর উৎপাদনের মাধ্যমে এই খাত দেশের বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের অন্যতম উৎসে পরিণত হতে পারে।
তিনি বলেন, বাংলাদেশের মৎস্য শিল্পে বৈচিত্র্য আনা এবং আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বাড়াতে ভেনামি চিংড়ি একটি সম্ভাবনাময় ক্ষেত্র। সরকার এ খাতের বিকাশে প্রয়োজনীয় নীতিগত ও প্রাতিষ্ঠানিক সহায়তা দিয়ে যাচ্ছে।
সুলতান সালাউদ্দিন টুকু আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনায় ভেনামি চিংড়ি চাষের সুযোগ সম্প্রসারণ করা হয়েছে, যাতে উদ্যোক্তারা আধুনিক ও লাভজনক মৎস্য উৎপাদনে বিনিয়োগ করতে পারেন। নতুন উদ্যোক্তাদের উৎসাহিত করতে সরকার প্রয়োজনীয় কারিগরি সহায়তা ও নীতিগত সুবিধা প্রদান অব্যাহত রাখবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
মৎস্য খাতের আধুনিকায়ন এবং উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে সরকার বিভিন্ন উদ্যোগ বাস্তবায়ন করছে জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, টেকসই উৎপাদন ব্যবস্থার মাধ্যমে দেশের মৎস্য সম্পদকে আরও সমৃদ্ধ করার পরিকল্পনা রয়েছে।
পরিদর্শনকালে কক্সবাজার সদর আসনের সংসদ সদস্য লুৎফুর রহমান কাজল, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. দেলোয়ার হোসেন, মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. খালেদ কনক, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. শাহজামান খানসহ মন্ত্রণালয় ও অধিদপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।