শিরোনাম :
নবারুণ অরুণ প্রভায় জাপানে রাষ্ট্রদূত প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত মন্ত্রণালয়ের নিজস্ব: শামা ওবায়েদ বিহারের সিওয়ানে বাজি তৈরির কারখানায় ভয়াবহ বিস্ফোরণ: দুই শিশুসহ নিহত বেড়ে ৫ ফিলিপাইনে প্রশিক্ষণের সময় মাঝআকাশে দুই সামরিক বিমানের সংঘর্ষ, ৪ পাইলট নিহত বিশ্ব শান্তিরক্ষা ও সমন্বিত অগ্রযাত্রায় চীনের ‘নতুন দীর্ঘ মার্চ’ বিশ্বমঞ্চে ইতিবাচক চালিকাশক্তি চীন-কেনিয়া দ্বিপক্ষীয় অংশীদারিত্বে নতুন গতি: সিএমজির বিশেষ সাক্ষাৎকারে স্পিকার সম্পাদকীয় : লাগামহীন নিত্যপণ্যের বাজার: সাধারণের দীর্ঘশ্বাস ও কাঠামোগত ব্যর্থতা দিল্লি পুলিশের শান্তি মুচলেকায় সই করতে অস্বীকৃতি আইসা সভানেত্রী নেহা বোরার পাঁচ বছরে পেনশন ব্যয় দ্বিগুণের শঙ্কা: চাঁদাভিত্তিক ব্যবস্থার সুপারিশ বেতন কমিশনের বৈশ্বিক সাইবার ঝুঁকির সতর্কতায় টানা ৩ দিন বন্ধ বাংলাদেশ ব্যাংকের ওয়েবসাইট

শব্দদূষণ রোধে সম্মিলিত উদ্যোগের আহ্বান পরিবেশ মন্ত্রীর

জার্মান-বাংলা ডেস্ক, ঢাকা অফিস:
  • প্রকাশের সময়: রবিবার, ২১ জুন, ২০২৬

বায়ুদূষণ ও শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, সংশ্লিষ্ট সংস্থা এবং সাধারণ মানুষকে সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনমন্ত্রী। তিনি বলেছেন, শব্দদূষণ এখন জনস্বাস্থ্যের জন্য বড় হুমকি হয়ে উঠেছে এবং এটি নিয়ন্ত্রণে সবার অংশগ্রহণ প্রয়োজন।

রোববার (২১ জুন) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে পরিবেশ অধিদপ্তরে আয়োজিত ‘শব্দ দূষণ নিয়ন্ত্রণে সমন্বিত ও অংশীদারিত্বমূলক প্রকল্প’-এর সমাপনী কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, শব্দদূষণের কারণে মাথাব্যথা, শ্রবণশক্তি হ্রাস, অনিদ্রা, মানসিক চাপ ও মনোযোগের ঘাটতিসহ বিভিন্ন স্বাস্থ্য সমস্যা দেখা দেয়। শিশু ও বয়স্করা এ দূষণের সবচেয়ে বড় ভুক্তভোগী। হৃদরোগে আক্রান্ত ব্যক্তিদের জন্যও এটি অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। তিনি উল্লেখ করেন, অতিরিক্ত হর্ন ব্যবহারকারী চালকেরাও নিজেরাই ক্ষতির শিকার হচ্ছেন এবং সড়কে দায়িত্ব পালনরত ট্রাফিক পুলিশ সদস্যরাও এর প্রভাব বহন করছেন।

তিনি আরও বলেন, একটি প্রকল্পের মাধ্যমে শব্দদূষণ পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব নয়। এ জন্য বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ), পুলিশসহ সংশ্লিষ্ট সব প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি জনগণের সচেতন অংশগ্রহণ প্রয়োজন। সমন্বিত ও ধারাবাহিক উদ্যোগের মাধ্যমে দেশকে শব্দদূষণমুক্ত করার আশা প্রকাশ করেন তিনি।

কর্মশালায় জানানো হয়, রাজধানীর গুলশান, বনানী, বারিধারা ও নিকেতন এলাকা এবং হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের সামনের নির্দিষ্ট সড়ককে ‘নীরব এলাকা’ হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। এছাড়া সচিবালয়, আগারগাঁও প্রশাসনিক এলাকাসহ দেশের বিভিন্ন সিটি করপোরেশনের হাসপাতাল, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও প্রশাসনিক এলাকাও এ উদ্যোগের আওতায় আনা হয়েছে।

প্রকল্প পরিচালক ফরিদ আহমেদ জানান, প্রকল্পের আওতায় ২ হাজার ৫০০টি মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে ৭ হাজার ২৯৭টি মামলায় এক কোটি আট লাখ টাকার বেশি জরিমানা আদায় করা হয়েছে। একই সঙ্গে প্রায় সাত হাজার হাইড্রোলিক হর্ন জব্দ ও ধ্বংস করা হয়েছে।

কর্মশালার শেষে পরিবেশমন্ত্রী ‘Survey Reports on Noise Level Measurement in 64 Districts Town’ শীর্ষক একটি বইয়ের মোড়ক উন্মোচন করেন।

সূত্র: পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়।

শেয়ার করুন:
এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 ১২৩৪
৫৬৭৮৯১০১১
১২১৩১৪১৫১৬১৭১৮
১৯২০২১২২২৩২৪২৫
২৬২৭২৮২৯৩০৩১  
©germanbanglanews24
Developer Design Host BD