শিরোনাম :
প্যারিসে ইউরোস্যাটরি ২০২৬ : বৈশ্বিক প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তা প্রযুক্তির মহাপ্রদর্শনী শব্দদূষণ রোধে সম্মিলিত উদ্যোগের আহ্বান পরিবেশ মন্ত্রীর জুলাইয়ের চেতনা বাস্তবায়নে সরকারের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলল সুজন ফরিদপুরে ডিবি হেফাজতে অসুস্থ হয়ে ছাত্রলীগ কর্মীর মৃত্যু, নির্যাতনের অভিযোগ পরিবারের যুদ্ধবিরতির পরও লেবাননে ইসরায়েলের বিমান হামলা, নিহত অন্তত ২৭ ১২ বছরের অপেক্ষার অবসান, নাটকীয় জয়ে নকআউটে জার্মানি ইলিয়াস আলী গুমে জিয়াউল আহসানের সম্পৃক্ততার দাবি সাবেক দেহরক্ষীর সাক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে প্রথম বিদেশ সফরে আজ মালয়েশিয়া যাচ্ছেন তারেক রহমান গ্রিন মডেল টাউনে ডেফোডিল ইনস্টিটিউট অব আইটি (ডিআইআইটি)-এর স্থায়ী ক্যাম্পাসের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন ক্রিয়েটিভ অর্থনীতির বাজেট বাস্তবায়নে স্বচ্ছতা ও অংশীজনদের সম্পৃক্ততার দাবি

ইলিয়াস আলী গুমে জিয়াউল আহসানের সম্পৃক্ততার দাবি সাবেক দেহরক্ষীর সাক্ষ্যে

জার্মান-বাংলা ডেস্ক, ঢাকা অফিস:
  • প্রকাশের সময়: রবিবার, ২১ জুন, ২০২৬

আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে সংঘটিত গুম ও হত্যাকাণ্ডসংক্রান্ত মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলায় সাবেক সেনা কর্মকর্তা জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিয়েছেন তাঁর সাবেক দেহরক্ষী ইমরুল কায়েস। সাক্ষ্যে তিনি দাবি করেন, ২০১২ সালে বিএনপির নেতা ইলিয়াস আলীকে গুমের ঘটনায় জিয়াউল আহসানের সম্পৃক্ততা ছিল।

রোববার (২১ জুন) ট্রাইব্যুনালে পঞ্চম সাক্ষী হিসেবে ইমরুল কায়েস তার সাক্ষ্য উপস্থাপন করেন। তিনি বলেন, বিভিন্ন ঘটনায় জিয়াউল আহসানের সংশ্লিষ্টতা সম্পর্কে তিনি প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে অবগত ছিলেন। সাক্ষ্য দেওয়ার সময় তিনি জিয়াউল আহসান এবং তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তা উপদেষ্টা তারিক সিদ্দিকীর মধ্যে কথিত ফোনালাপের বিষয়ও তুলে ধরেন।

সাক্ষ্যে আরও দাবি করা হয়, পিলখানা হত্যাকাণ্ডের পর পরিচালিত ‘অপারেশন রেবেল হান্ট’-এর সময় কয়েকজন বিডিআর সদস্যকে হত্যা করা হয়েছিল। ইমরুল কায়েস তার বর্ণনায় বলেন, ওই অভিযানের সময় কয়েকজন সদস্যকে হত্যা করে মরদেহ নদীতে ফেলে দেওয়ার ঘটনা ঘটেছিল বলে তিনি জানতে পেরেছিলেন।

এ ছাড়া বিভিন্ন সময় সংঘটিত একাধিক হত্যাকাণ্ডের বিবরণ তুলে ধরে তিনি দাবি করেন, এসব ঘটনার সঙ্গে জিয়াউল আহসানের সম্পৃক্ততা ছিল।

এর আগে চলতি বছরের ১৪ জানুয়ারি অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে ট্রাইব্যুনাল-১ জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক বিচার কার্যক্রম শুরুর নির্দেশ দেয়।

মামলার অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে, ২০১১ সালের ১১ জুলাই গাজীপুরের পুবাইলে তিনজনকে হত্যা, ২০১০ থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত বরগুনায় ৫০ জনকে হত্যা এবং একই সময়ে আরও ৫০ জনকে হত্যার অভিযোগ আনা হয়েছে।

উল্লেখ্য, এসব অভিযোগ বর্তমানে বিচারাধীন এবং ট্রাইব্যুনালে সাক্ষ্যগ্রহণ প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

সূত্র: আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ সংশ্লিষ্ট আদালত কার্যক্রম, ২১ জুন ২০২৬।

শেয়ার করুন:
এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
১০১১১২১৩১৪
১৫১৬১৭১৮১৯২০২১
২২২৩২৪২৫২৬২৭২৮
২৯৩০  
©germanbanglanews24
Developer Design Host BD