শিরোনাম :
ইয়াসমিন হত্যা দিবস :ধর্ষণের পর হত্যায় ভয়াবহ ঊর্ধ্বগতি, সাত মাসেই নিহত ৫৮ ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনা ও মৃত্যু অর্ধেকে নামানোর লক্ষ্য: শেখ রবিউল আলম নিলামে গান্ধীর ঐতিহাসিক পাণ্ডুলিপি, দাম উঠল ২০ কোটির বেশি জলবায়ু সংকট মোকাবিলায় সার্ক-বিমসটেককে সক্রিয় করার তাগিদ বাণিজ্যচুক্তি ভেস্তে যাওয়ার পর যুক্তরাষ্ট্রকে পাল্টা শুল্কের পথে কানাডা স্থানীয় সরকার খাতে বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র সহযোগিতা বাড়ানোর আলোচনা ফ্রাঙ্কফুর্টে শর্ট পিচ ক্রিকেটের মহোৎসব, প্রথম আসরেই চ্যাম্পিয়ন ফায়ার বয়েজ নিউইয়র্কে জাতিসংঘ অধিবেশনে প্রথমবার ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী দুয়ারে সরকারি সেবা: ‘হ্যালো ডিসি’তে মাসে উপকৃত ২,০৯১ জন গুম-নির্যাতনে ক্ষতিগ্রস্তদের অধিকার ও ক্ষতিপূরণে আসছে নতুন অধিদপ্তর

পার্বত্য উৎসবে আর ‘বৈসাবি’ নয়, প্রতিটি সম্প্রদায়ের নিজস্ব পরিচয়ে উৎসব পালনের ঘোষণা পার্বত্য মন্ত্রীর

জার্মান-বাংলা ডেস্ক, ঢাকা অফিস:
  • প্রকাশের সময়: শুক্রবার, ১০ এপ্রিল, ২০২৬

পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী জনাব দীপেন দেওয়ান এমপি বলেছেন, পার্বত্য অঞ্চলের প্রতিটি সম্প্রদায়ের নিজস্ব কৃষ্টি ও সংস্কৃতি আমাদের জাতীয় ঐতিহ্যের অবিচ্ছেদ্য অংশ। এখন থেকে ‘বৈসাবি’ নয়, বরং পার্বত্য চট্টগ্রামের ক্ষুদ্র জাতিসত্তা সম্প্রদায়ের প্রধান সামাজিক উৎসবগুলো যার যার সম্প্রদায়ের নিজস্ব স্বকীয় রীতি ও নামে পালিত হবে।

বাংলাদেশ সচিবালয়ে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে প্রধান অতিথির বক্তব্যে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী জনাব দীপেন দেওয়ান এমপি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান এমপি বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামের ১১টি সম্প্রদায়ের এই উৎসবের নাম শুধু ‘বৈসাবি’ হতে পারে না। এই নামকরণ দিয়ে বিগত সরকার অন্যান্য সম্প্রদায়ের জাতিসত্তাকে তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য করেছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বর্তমান সরকার কোনো বৈষম্য চায় না। তাই এখন থেকে বিজু, সাংগ্রাই, বৈসু, বিষু, চাংক্রান ও চাংলান- সবগুলো উৎসবই নিজ নিজ নামে অভিহিত হবে এবং রাষ্ট্রীয়ভাবে সম্মান জানানো হবে।

উৎসবের গুরুত্ব তুলে ধরে মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান এমপি আরও বলেন, ১২ এপ্রিল ‘ফুল বিজু’ হলো আমাদের শ্রদ্ধা ও প্রার্থনার দিন। আমরা এদিন পানিতে ফুল গছিয়ে দিই (শ্রদ্ধা নিবেদন করি), ভাসিয়ে দিই না। এরপর ১৩ এপ্রিল ‘মূল বিজু’ এবং ১৪ এপ্রিল মারমা সম্প্রদায়ের ‘জলকেলি’ বা পানি উৎসবের মাধ্যমে নতুন বছরকে বরণ করে নেওয়া হবে। এই উৎসব পাহাড়ি-বাঙালি ঐক্যের প্রতীক।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী জনাব মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন এমপি বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী চান সকল উৎসবে রংধনুর মতো বৈচিত্র্য থাকুক। পাহাড়ি জনগণের স্বকীয়তা রক্ষা করে তাদের উন্নয়নের মূলস্রোতে সম্পৃক্ত রাখাই আমাদের সরকারের প্রধান লক্ষ্য।

আগামী ১২ এপ্রিল ২০২৬ (২৯ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ) সকাল ০৮.৩০ মিনিটে রাজধানীর বেইলি রোডস্থ ‘পার্বত্য চট্টগ্রাম কমপ্লেক্স’ থেকে রমনা পার্কের লেক পর্যন্ত এক বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও ফুল অর্চনা উৎসবের আয়োজন করা হয়েছে।

মন্ত্রণালয়ের সচিব মোহাম্মদ মিজানুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই ব্রিফিংয়ে বান্দরবানের সংসদ সদস্য সাচিং প্রু-সহ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

শেয়ার করুন:
এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩১৪১৫১৬
১৭১৮১৯২০২১২২২৩
২৪২৫২৬২৭২৮২৯৩০
৩১  
©germanbanglanews24
Developer Design Host BD