শিরোনাম :
গাজায় শিশু হত্যাকে যুদ্ধাপরাধ বলছে জাতিসংঘ, ইসরায়েলের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ তারেক রহমানের সফরে কৌশলগত অংশীদারত্বে নতুন গতি আসবে বাংলাদেশি নির্মাতার প্রথম চলচ্চিত্রেই আন্তর্জাতিক পুরস্কার টেকসই উন্নয়ন ও উদ্ভাবনের নতুন পথ খুঁজছে দাভোস ফোরাম ঢাকা-বেইজিং সম্পর্কের ভবিষ্যৎ নিয়ে আশাবাদী চীনা রাষ্ট্রদূত রোহিঙ্গা ও স্থানীয় জনগোষ্ঠীর সহায়তায় ১৬ মিলিয়ন ডলারের চুক্তি স্বাক্ষর রপ্তানি আয় ও কর্মসংস্থানে ভেনামি চিংড়ি হতে পারে নতুন চালিকাশক্তি নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে মৌলিক গবেষণার ওপর জোর দিলেন কৃষিমন্ত্রী টেকসই প্রবৃদ্ধিতে এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় সহযোগিতার নতুন দিকনির্দেশনা ২৮তম শাংহাই চলচ্চিত্র উৎসবের পর্দা নামল

কঠিন চীবর দান উৎসব শুধু ধর্মীয় নয়, এটি শান্তি, সম্প্রীতি ও গণতন্ত্রের বার্তা বহন করে

জার্মান-বাংলা ডেস্ক, ঢাকা অফিস:
  • প্রকাশের সময়: মঙ্গলবার, ৪ নভেম্বর, ২০২৫

পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক উপদেষ্টা রাষ্ট্রদূত (অব.) সুপ্রদীপ চাকমা বলেছেন, সরকার সব ধর্ম ও সম্প্রদায়ের প্রতি সমান শ্রদ্ধাশীল এবং ধর্মীয় উৎসবগুলো নির্বিঘ্নে পালনের জন্য সব সময় সহযোগিতা করে যাচ্ছে। তিনি আরও বলেন, কঠিন চীবর দান উৎসব শুধু ধর্মীয় নয়, এটি শান্তি, সম্প্রীতি ও গণতন্ত্রের বার্তা বহন করে।

তিনি আজ মঙ্গলবার বিকেলে রাজধানীর বাসাবো ধর্মরাজিক বৌদ্ধ মহাবিহারে আয়োজিত শুভ কঠিন চীবর দান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

জাতীয় নির্বাচন প্রসঙ্গে উপদেষ্টা সুপ্রদীপ চাকমা বলেন, সুষ্ঠু নির্বাচন গণতন্ত্রের অন্যতম ভিত্তি। শান্তিপূর্ণ ও সুন্দর পরিবেশ নিশ্চিত করতে আপনাদের সকলের দায়িত্বশীল সহযোগিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি বিভ্রান্তিকর তথ্য ও বিশৃঙ্খলা থেকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান এবং বলেন, আমাদের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উদ্দেশ্য একটি অংশগ্রহণমূলক, অবাধ, শান্তিপূর্ণ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন আয়োজন করা, যাতে জনগণ নির্বিঘ্নে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন।

উপদেষ্টা আরও বলেন, জাতীয় অনুষ্ঠানের ধারাবাহিকতায় বৌদ্ধ ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্ট উপাসক-উপাসিকা কার্যনির্বাহী পরিষদের সার্বিক সহযোগিতায় দানোত্তম কঠিন চীবর দান অনুষ্ঠিত হচ্ছে, যা নিঃসন্দেহে গৌরবের ও মর্যাদার বিষয়। এই আয়োজন বৌদ্ধদের ঐতিহ্যবাহী কঠিন চীবর দানকে জাতীয়ভাবে নতুন মাত্রা ও তাৎপর্য দেবে এবং বাংলাদেশী বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের নিকট সমাদৃত হবে।

দিনব্যাপী ধর্মীয় আচার অনুষ্ঠানের পাশাপাশি বৌদ্ধ ভিক্ষুরা ধর্মীয় দেশনা প্রদান করেন। পার্বত্য চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীরা এই ঐতিহাসিক আয়োজনে অংশগ্রহণ করেন।

পবিত্র কঠিন চীবর দান ও বৌদ্ধ সম্মেলনের সভাপতিত্ব করেন ধর্মরাজিক বৌদ্ধ মহাবিহারের অধ্যক্ষ বুদ্ধপ্রিয় মহাথের। অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বাংলাদেশ বৌদ্ধ ভিক্ষু মহাসভার সভাপতি ভদন্ত জ্ঞানানন্দ মহাথের, বাংলাদেশ বৌদ্ধ ভিক্ষু মহাসভার উপ সংঘ-নায়ক রতনশ্রী মহাথের, মিরপুর শাক্যমুনি বিহারের অধ্যক্ষ ভদন্ত প্রজ্ঞানন্দ মহাথের, বৌদ্ধ ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের ভাইস-চেয়ারম্যান ভবেশ চাকমাসহ বিভিন্ন গুণিজন উপস্থিত ছিলেন।

 

শেয়ার করুন:
এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
১০১১১২১৩১৪
১৫১৬১৭১৮১৯২০২১
২২২৩২৪২৫২৬২৭২৮
২৯৩০  
©germanbanglanews24
Developer Design Host BD