শিরোনাম :
গাজায় শিশু হত্যাকে যুদ্ধাপরাধ বলছে জাতিসংঘ, ইসরায়েলের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ তারেক রহমানের সফরে কৌশলগত অংশীদারত্বে নতুন গতি আসবে বাংলাদেশি নির্মাতার প্রথম চলচ্চিত্রেই আন্তর্জাতিক পুরস্কার টেকসই উন্নয়ন ও উদ্ভাবনের নতুন পথ খুঁজছে দাভোস ফোরাম ঢাকা-বেইজিং সম্পর্কের ভবিষ্যৎ নিয়ে আশাবাদী চীনা রাষ্ট্রদূত রোহিঙ্গা ও স্থানীয় জনগোষ্ঠীর সহায়তায় ১৬ মিলিয়ন ডলারের চুক্তি স্বাক্ষর রপ্তানি আয় ও কর্মসংস্থানে ভেনামি চিংড়ি হতে পারে নতুন চালিকাশক্তি নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে মৌলিক গবেষণার ওপর জোর দিলেন কৃষিমন্ত্রী টেকসই প্রবৃদ্ধিতে এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় সহযোগিতার নতুন দিকনির্দেশনা ২৮তম শাংহাই চলচ্চিত্র উৎসবের পর্দা নামল

জলবায়ু পরিবর্তনের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় সক্ষমতা বৃদ্ধি করতে হবে: ড. আইনুন নিশাত

জার্মান-বাংলা ডেস্ক, ঢাকা অফিস:
  • প্রকাশের সময়: সোমবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২৫

দেশের প্রাকৃতিক সম্পদের টেকসই ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে এবং অতিব্যবহার সীমিত করতে হবে। টেকসই ভবিষ্যতের লক্ষ্যে যুবশক্তির নেতৃত্বকে অনুপ্রাণিত করে জলবায়ু পরিবর্তনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় টেকসই উন্নয়নের সুযোগে রূপান্তর করতে হবে। জলবায়ু পরিবর্তনের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় দেশের সক্ষমতা বৃদ্ধি করতে হবে।

রবিবার সন্ধ্যায় ব্র‍্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থায়ী ক্যাম্পাসে জলবায়ু বিষয়ক প্রতিষ্ঠান জলবায়ু পরিবর্তন, পরিবেশ ও টেকসই উন্নয়ন ইনস্টিটিউট আই.সি.সি.ই.এসের উদ্বোধন ও আন্তর্জাতিক জলবায়ু কার্যক্রম দিবস উদযাপন উপলক্ষে ব্র‍্যাকের এমিরেটাস অধ্যাপক আইনুন নিশাত এসব কথা বলেন।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের থিম ছিল, টেকসই ভবিষ্যতের জন্য যুব সম্পৃক্ততা।

আই.সি.সি.ই.এসের চেয়ারম্যান ইঞ্জি. শেখ তাজুল ইসলাম তুহিনের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের সেন্টার ফর ক্লাইমেট চেঞ্জ অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল রিসার্চের এমেরিটাস অধ্যাপক ড. আইনুন নিশাত।

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন গবেষক ড. হাসিব মোঃ ইরফানুল্লাহ, ইনস্টিটিউট অব ওয়াটার মডেলিং এর সিনিয়র গবেষক ড. আনোয়ার জাহিদ, অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের ইউএন উইং চিফ একেএম সোহেল, জেনল্যাবের নির্বাহী পরিচালক রাতুল দেব প্রমুখ।

বক্তারা আরও বলেন, টেকসই ভবিষ্যতের লক্ষ্যে যুবশক্তির নেতৃত্বকে অনুপ্রাণিত করা, যাতে জলবায়ু গুলোকে টেকসই উন্নয়নের সুযোগে রূপান্তর করা যায়। জলবায়ু সমন্বয়ের জন্য বিশেষ বাজার খুঁজে বের করতে হবে, পাশাপাশি গবেষণা ও পরামর্শের মধ্যে সমন্বয় গড়ে তোলা জরুরি। অভিযোজন, প্রশমন, জলবায়ু অর্থায়ন, সক্ষমতা বৃদ্ধি, প্রযুক্তি হস্তান্তর, স্বচ্ছতা ও আনুগত্য—এই মৌলিক ক্ষেত্রগুলোতে সমন্বিত উদ্যোগ নিতে হবে এবং অনাবিষ্কৃত ক্ষেত্রগুলোতে কাজ করতে হবে, যাতে আন্তর্জাতিক অর্থায়নের সুযোগ পাওয়া যায়।

সেমিনারে শিক্ষার্থী, গবেষক ও জলবায়ু নেতারা অংশগ্রহণ করেছে যেখানে তরুণদের জলবায়ু সহনশীল বাংলাদেশ গঠনে অনুপ্রাণিত করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। একই সঙ্গে এই সেমিনারের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হয় ইনস্টিটিউট অব ক্লাইমেট চেঞ্জ, এনভায়রনমেন্ট অ্যান্ড সাসটেইনেবিলিটি (আই.সি.সি.ই.এস)—যা জলবায়ু গবেষণা, নীতি-সংলাপ ও যুবনেতৃত্বাধীন উদ্ভাবন অগ্রসরে কাজ করবে।

শেয়ার করুন:
এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
১০১১১২১৩১৪
১৫১৬১৭১৮১৯২০২১
২২২৩২৪২৫২৬২৭২৮
২৯৩০  
©germanbanglanews24
Developer Design Host BD