শিরোনাম :
বাংলাদেশের উন্নয়ন সহযোগী হিসেবে জাপানের অব্যাহত সহযোগিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বাংলাদেশকে আঞ্চলিক এভিয়েশন হাব হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে কাজ করছে সরকার জার্মানিতে বাংলাদেশ দূতাবাসে অতিরিক্ত ফি নেওয়ায় প্রবাসীদের অভিযোগ বাংলাদেশ-চীন অর্থনৈতিক অঞ্চল শিল্প বিপ্লব ও কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পুঁজি ও কূটনীতির মেলবন্ধনে ট্রিলিয়ন ডলার অর্থনীতির পথরেখা আইসিইউতে ওষুধ-প্রতিরোধী ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ উদ্বেগজনক, মৃত্যুহার ৯০ শতাংশের বেশি: আইসিডিডিআরবি করাচির দুই হাসপাতালে শতাধিক শিশুর এইচআইভি শনাক্ত, নীরব স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ নিট কেলেঙ্কারি ঘিরে চাপের মুখে সরে গেলেন ধর্মেন্দ্র প্রধান, বললেন ‘শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎই অগ্রাধিকার’ ইউরোপজুড়ে দাবানলের তাণ্ডব, স্পেনে প্রথম জাতীয় জরুরি অবস্থা দক্ষিণ চীন সাগরে বহিরাগত হস্তক্ষেপ নিয়ে উদ্বেগ

রাকসু নির্বাচনে বিতর্ক: ভোটারদের আঙুলের কালি মুছে যাচ্ছে বলে অভিযোগ

জার্মান-বাংলা ডেস্ক, ঢাকা অফিস:
  • প্রকাশের সময়: বৃহস্পতিবার, ১৬ অক্টোবর, ২০২৫

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (রাকসু), হল ও সিনেট নির্বাচনে ব্যবহৃত আঙুলের কালি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। ভোটারদের অভিযোগ— যে কালি ‘অমোচনীয়’ হওয়ার কথা, সেটি ভোট দেওয়ার কিছুক্ষণ পরই মুছে যাচ্ছে। এ বিষয়ে নির্বাচন কর্মকর্তারা এখনো কোনো মন্তব্য করেননি।

বৃহস্পতিবার (১৬ অক্টোবর) সকাল ৯টা ১৫ মিনিটের দিকে কয়েকজন শিক্ষার্থী ভোট দিয়ে বের হয়ে অভিযোগ করেন, আঙুলে লাগানো কালি টেকসই নয়। ছাত্রদল সমর্থিত প্যানেলের সাংস্কৃতিক সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল কাফী জানান, “আমি হাবিবুর রহমান হল কেন্দ্রে ভোট দিয়েছি। দেখুন, কালি মুছে গেছে— এমনকি পানি দিতেও হয়নি।”

একই অভিযোগ করেছেন রহমতুন্নেসা হলের ফাইন্যান্স বিভাগের শিক্ষার্থী আশফিয়া তাবাসসুম। তিনি বলেন, “ভোট প্রক্রিয়া সুন্দরভাবে হয়েছে, কিন্তু বাইরে বের হওয়ার পর দেখি আঙুলের কালি সহজেই উঠে যাচ্ছে। এটি হওয়া উচিত নয়।”

এর আগে, মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (চাকসু) নির্বাচনে একই ধরনের অভিযোগ ওঠে। সেখানে ভোটের পর অনেকের আঙুলের কালি অল্প সময়ের মধ্যেই মুছে যায়।

চাকসুর প্রধান নির্বাচন কমিশনার অধ্যাপক ড. মনির উদ্দীন তখন ব্যাখ্যা দিয়ে বলেছিলেন, “জাতীয় নির্বাচনে ব্যবহৃত কালি জার্মানি থেকে আনা হয়, যা ব্যবহারের পর ধ্বংস করে দেওয়া হয়। আমরা সেই কালি সংগ্রহ করতে পারিনি, তাই নিয়ম রক্ষার জন্য অন্য কালি ব্যবহার করা হয়েছে।”

রাকসু নির্বাচনে একই সমস্যা দেখা দেওয়ায় শিক্ষার্থীদের মধ্যে স্বচ্ছতা ও নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে।

শেয়ার করুন:
এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

©germanbanglanews24
Developer Design Host BD