শিরোনাম :
বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ প্রকল্প বাস্তবায়নে সক্রিয় সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন প্রতিমন্ত্রী নতুন যুগের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় রোডম্যাপ তৈরিতে ইউনেস্কোর সহায়তা কামনা তথ্যমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী ৩ মে থেকে ধান ও গম এবং ১৫ মে থেকে চাল সংগ্রহ শুরু পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রীর সাথে বাংলাদেশে নিযুক্ত ইউনেস্কো প্রতিনিধির সৌজন্য সাক্ষাৎ পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান এমপি’র সাথে কানাডিয়ান হাইকমিশনারের সৌজন্য সাক্ষাৎ বাংলাদেশে ধর্মীয় মৌলবাদীদের অতিসক্রিয়তা উদ্বেগজনক বন্ধ পাটকল চালু করলে অর্থনীতিতে গতি আসবে;বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী ঝরে পড়া শিক্ষার্থীদের জন্য উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা কার্যকর মাধ্যম: প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ সংশ্লিষ্টদের সেবকের ভূমিকা পালন করতে হবে: ভূমি প্রতিমন্ত্রী মীর হেলাল বাংলাদেশ-সেনেগাল দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে আরও গতিশীল ও সুদৃঢ় করার ওপর গুরুত্বারোপ

সান্তাহারে ১৩ কিলোমিটার সড়ক সংস্কারে কর্তৃপক্ষের নজর নেই

জার্মানবাংলা২৪ রিপোর্ট :
  • প্রকাশের সময়: শনিবার, ৪ আগস্ট, ২০১৮
Exif_JPEG_420

তরিকুল ইসলাম জেন্টু, আদমদীঘি (বগুড়া): বগুড়ার সান্তাহারের সাইলো সড়ক থেকে কদমা হয়ে আদমদীঘি রেলস্টেশন পর্যন্ত পাকা সড়কের বিভিন্ন স্থানে কার্পেটিং উঠে শতশত গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। পানি জমে থাকায় সড়কটির বেহাল দশা। ফলে চলতি বর্ষা মৌসুমে যানবাহনসহ জনসাধারণ মারাত্মক ঝুঁকি নিয়ে চলাচাল করতে হচ্ছে। এলাকাবাসী জরুরীভিক্তিতে সড়কটি মেরামত করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি কামনা করেছেন।

স্থানীয়রা জানায়, বগুড়ার সান্তাহার সাইলো সড়ক থেকে দমদমা, কদমা ও মণ্ডবপুর হয়ে আদমদীঘি রেলগেট পর্যন্ত প্রায় ১৩ কিলোমিটার রাস্তা প্রায় ১৮বছর পূর্বে পাকাকরণ করা হয়। এই গুরুত্বপুর্ণ সড়ক দিয়ে প্রতিদিন যানবাহনের পাশাপাশি ২৪/২৫টি গ্রামের হাজার হাজার মানুষ উপজেলা সদর ও সান্তাহার পৌরশহর দিয়ে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে যাতায়াত করে থাকেন। এই সড়কটি পাকাকরণের পর সংস্কার কাজ করা হলেও কিছুদিন পার হতেই আবারও বিভিন্ন অংশে ছোট বড় অসংখ্য গর্তের সৃষ্টি হয়। বৃষ্টির পানিতে এসব গর্ত ভরে থাকায় দুর্ঘটনা ঘটার আশঙ্কা রয়েছে। এছাড়া সড়কের কিছু অংশে মাটি ও বালু এমনভাবে দেয়া হয়েছে যা দেখলে বোঝার উপায় নেই যে এটা পাকা সড়ক।

করজবাড়ী গ্রামের চার্জার চালিত অটো রিক্সা চালক জাহিদুল ইসলাম জানান, কদমা টু সান্তাহার যেতে আগের থেকে এখন দ্বিগুণ সময় লাগে। দমদমা গ্রামের ব্যাবসায়ী মেহেবুব আলম বলেন, এলাকাবাসী হাট বাজারে ধান-চাল, তরিতরকারি সড়কটি দিয়ে মারাত্মক ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছেন। প্রায় সময় দুর্ঘটনার মুখোমুখি হতে হচ্ছেন পথচারীরাও।

দমদমা গ্রামের তরুণ সমাজ সেবক জামিল হোসেন জানান, এই সড়কটি সংস্কার করা হলে গাড়ী চালক, ছাত্র-ছাত্রীসহ সকল শ্রেণী পেশার মানুষের কষ্ট লাঘব হবে। সড়কটির করুন দশার কারণে মূমূর্ষ রোগী বহনে বড় কঠিন অবস্থায় আছে এলাকাবসী। এমনকি ঝুঁকিপূর্ণ সড়কের কারণে শহর থেকে ভালো ডাক্তারও আসতে চান না।

উপজেলা প্রকৌশলী আব্দুল মতিন সাংবাদিকদের জানান, আদমদীঘি সদর থেকে মণ্ডবপুর কদমা ও দমদমা হয়ে সান্তাহার সাইলো রাস্তা পর্যন্ত ওই সড়কটি সড়ক ও জনপথ বিভাগের হওয়ায় সংস্কার করা সম্ভব হচ্ছে না।

শেয়ার করুন:
এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২
১৩১৪১৫১৬১৭১৮১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭২৮২৯৩০  
©germanbanglanews24
Developer Design Host BD