জাপানের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় উপকূলে ভয়াবহ ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে, যার মাত্রা রিখটার স্কেলে ৭ দশমিক ৪। শক্তিশালী এই কম্পনের পরপরই দেশটির কর্তৃপক্ষ জরুরি সুনামি সতর্কতা জারি করে এবং উপকূলীয় বাসিন্দাদের দ্রুত নিরাপদ স্থানে সরে যাওয়ার নির্দেশ দেয়।
জাপান আবহাওয়া সংস্থা জানিয়েছে, ইওয়াতে প্রিফেকচারসহ হোক্কাইডো ও আওমোরির কিছু অংশে তিন মিটার উচ্চতার সুনামির ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। পাশাপাশি উত্তর-পূর্বাঞ্চলের অন্যান্য উপকূলে প্রায় এক মিটার পর্যন্ত ঢেউ আছড়ে পড়তে পারে বলেও সতর্ক করা হয়।
মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (USGS) জানায়, ভূমিকম্পটি হনশু দ্বীপের পূর্ব উপকূলে আঘাত হানে। শুরুতে এর মাত্রা ৭ দশমিক ৪ বলা হলেও পরে জাপানের জাতীয় কর্তৃপক্ষ তা সংশোধন করে ৭ দশমিক ৫ হিসেবে উল্লেখ করে।
কম্পনের তীব্রতায় টোকিওসহ বিভিন্ন এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। সিএনএনের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, টোকিওর একটি ভবনে প্রায় সাত মিনিট ধরে কম্পন অনুভূত হয়।
দেশটির প্রধানমন্ত্রী সানা তাকাইচি জনগণকে সতর্ক করে অবিলম্বে উঁচু স্থানে আশ্রয় নেওয়ার আহ্বান জানান। তিনি জানান, সরকার একটি বিশেষ টাস্কফোর্স গঠন করেছে, যা উদ্ধার অভিযান, ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণ এবং জরুরি তথ্য আদান–প্রদানে কাজ করছে।
এদিকে, বিদ্যুৎ বিভ্রাটের কারণে টোকিও–শিন-আওমোরি রুটে বুলেট ট্রেন পরিষেবা সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছে এনএইচকে।
🟩 রিপোর্ট–২
শিরোনাম বিকল্প:
১) জাপানে ভূমিকম্পের পর সুনামি সতর্কতা, সরানো হচ্ছে উপকূলবাসী
২) ৭.৪ মাত্রার কম্পনে কাঁপল জাপান, বন্ধ বুলেট ট্রেন চলাচল
রিপোর্ট:
জাপানে ৭.৪ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প, উপকূলে সুনামি সতর্কতা
ভয়াবহ ভূমিকম্পে কেঁপে উঠেছে পূর্ব এশিয়ার দ্বীপরাষ্ট্র জাপান। স্থানীয় সময় অনুযায়ী দেশটির উত্তর-পূর্ব উপকূলে আঘাত হানা এই ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল রিখটার স্কেলে ৭ দশমিক ৪। ভূমিকম্পের পরপরই উপকূলীয় এলাকায় জরুরি সুনামি সতর্কতা জারি করা হয়।
জাপান আবহাওয়া সংস্থা জানায়, হোক্কাইডো, আওমোরি ও ইওয়াতে অঞ্চলের কিছু অংশে তিন মিটার পর্যন্ত সুনামির সম্ভাবনা রয়েছে। একই সঙ্গে অন্যান্য উপকূলীয় এলাকায় এক মিটার উচ্চতার ঢেউ আছড়ে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের বরাতে জানা যায়, ভূমিকম্পের পর মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থাও সতর্কতা জারি করে। পরে জাপানের কর্তৃপক্ষ ভূমিকম্পের মাত্রা পুনর্মূল্যায়ন করে ৭ দশমিক ৫ হিসেবে উল্লেখ করে, যদিও এই পরিবর্তনের ব্যাখ্যা এখনো স্পষ্ট নয়।
ভূমিকম্পের কম্পনে জনজীবনে ব্যাপক প্রভাব পড়ে। টোকিওতে অবস্থানরত সংবাদকর্মীরা জানান, শহরের বিভিন্ন ভবনে দীর্ঘ সময় ধরে কম্পন অনুভূত হয়, যা সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি করে।
দেশটির প্রধানমন্ত্রী সানা তাকাইচি জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকারের পদক্ষেপের কথা জানিয়ে বলেন, ক্ষতিগ্রস্ত অঞ্চলে দ্রুত উদ্ধার ও সহায়তা কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। তিনি উপকূলবাসীদের অবিলম্বে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়ার আহ্বান জানান।
অন্যদিকে, অবকাঠামোগত ক্ষতি ও বিদ্যুৎ বিভ্রাটের কারণে জাপানের গুরুত্বপূর্ণ বুলেট ট্রেন পরিষেবা আংশিকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছে স্থানীয় গণমাধ্যম এনএইচকে।
আপনি চাইলে আমি এগুলোকে আরও সংক্ষিপ্ত “নিউজ ব্রিফ”, বা একদম শিরোনাম-কেন্দ্রিক অনলাইন পোর্টাল স্টাইলে সাজিয়ে দিতে পারি।