শিরোনাম :
‘প্রযুক্তি উদ্ভাবনেই অর্থনৈতিক সার্বভৌমত্ব’, ওসাকায় প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ প্রামাণ্যচিত্রের অসঙ্গতি নিয়ে দুঃখ প্রকাশ : ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি জুলাই স্মৃতি জাদুঘর গণতন্ত্রের সংগ্রামের দলিল হবে: প্রধানমন্ত্রী মানবপাচার মোকাবিলায় সমন্বিত তথ্য বিনিময়ে বাংলাদেশ-আইওএমের জোর বাগেরহাটে একই পরিবারের তিনজনের অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার, হত্যার আশঙ্কা প্রেস ক্লাবের সামনে সংঘর্ষ: নতুন ধারা বাংলাদেশের চেয়ারম্যানসহ ৬ নেতা গ্রেপ্তার বাগেরহাটে মেডিকেল কলেজ প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ : স্বাস্থ্যমন্ত্রীর কাছে জেলা বিএনপির আবেদন হালাল মাংস ও কৃষিপণ্য বাণিজ্য বাড়াতে ঢাকা-কুয়ালালামপুরের নতুন উদ্যোগ দুই কোটি কৃষককে কৃষক কার্ডের আওতায় আনতে সরকারের পরিকল্পনা ওসাকায় বাংলাদেশে বিনিয়োগের আহ্বান, জাপানের সঙ্গে অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব জোরদারে আশাবাদ

বিদেশি শনাক্ত হলেই ‘পুশ ইন’ করা হবে বাংলাদেশে: আসামের মুখ্যমন্ত্রী

জার্মানবাংলা২৪ রিপোর্ট :
  • প্রকাশের সময়: মঙ্গলবার, ১০ জুন, ২০২৫

এখন থেকে বিদেশি শনাক্ত হলেই বাংলাদেশে ‘পুশ ইন’ করার ঘোষণা দিয়েছেন ভারতের আসাম রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী হিমান্ত বিশ্ব শর্মা। এক্ষেত্রে কোনও আইনি প্রক্রিয়ারও প্রয়োজন হবে না বলে জানিয়েছেন তিনি। 

সোমবার (৯ জুন) রাজ্যের আইনসভায় এমন ঘোষণা দেন আসামের মুখ্যমন্ত্রী। খবর ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের। 

ঘোষণায় হিমান্ত বিশ্ব শর্মা বলেন, এখন থেকে এ রাজ্যে যাকেই বিদেশি হিসেবে শনাক্ত করা হবে, তাকেই বাংলাদেশে পুশ ইন করা হবে। এক্ষেত্রে কোনো আইনি প্রক্রিয়ার প্রয়োজন হবে না। রাজ্যের ডিসিরাই এটি করতে পারবেন। এ ক্ষেত্রে ১৯৫০ সালের একটি আইন ফিরিয়ে আনা হয়েছে। 

আসামের মুখ্যমন্ত্রী দাবি করেছেন, সুপ্রিম কোর্ট রাজ্যকে এই ক্ষমতা দিয়েছে।

ডিসিদের সিদ্ধান্ত ছাড়াও আসামের ফরেনার ট্রাইব্যুনালের মাধ্যমে যাদের বিদেশি হিসেবে ঘোষণা দেওয়া হয়েছে, তাদেরও বাংলাদেশে পুশ ইন করা হবে বলে জানিয়েছেন হিমান্ত বিশ্ব শর্মা। 

ফরেনার ট্রাইব্যুনালের দেওয়া আদেশের পর গত কয়েক সপ্তাহে প্রায় ৩৫০ জনকে বাংলাদেশে পুশ ইন করা হয়েছে।      

সোমবার (৯ জুন) আসামের আইনসভায় মুখ্যমন্ত্রী ২০২৪ সালের অক্টোবরে ভারতের সুপ্রিম কোর্টের দেওয়া একটি রায়ের বিষয় উত্থাপন করেন, যেখানে তৎকালীন প্রধান বিচারপতি ডি ওয়াই চন্দ্রচূড়ের নেতৃত্বাধীন পাঁচ সদস্যের বেঞ্চ রায় দেন যে ১৯৭১ সালের ২৪ মার্চের পর যারা আসামে এসেছেন তারা ভারতের নাগরিকত্ব পাবেন না। ওই সময় আদালত আরও রায় দেন, ১৯৭১ সালের ২৪ মার্চের পর যারা আসামে প্রবেশ করেছেন তাদের কোনোভাবে ছাড় দেওয়া যাবে না। তাদের অবশ্যই নিজ দেশে ফেরত পাঠাতে হবে।

হিমান্ত বিশ্ব শর্মা বলেছেন, ১৯৫০ সালের পুশ ইন আইনও বৈধ বলে রায় দিয়েছেন আদালত। অর্থাৎ, ডিসিরা চাইলে যে কাউকে পুশ ইন করতে পারবেন। এজন্য আইনি প্রক্রিয়ার প্রয়োজন হবে না।

শেয়ার করুন:
এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩১৪১৫১৬
১৭১৮১৯২০২১২২২৩
২৪২৫২৬২৭২৮২৯৩০
৩১  
©germanbanglanews24
Developer Design Host BD