৩২ নম্বরের ইটকে ছুঁয়ে শ্রী অনিল দাশগুপ্তের স্মরণে কামরুল হাসান সেলিমের তত্বাবধনে জার্মান প্রবাসী স্বাধীনতার স্বপক্ষের শক্তির ব্যানারে পালিত হলো শোকসভা ও মহান একুশে ফেব্রুয়ারি। ইউরোপের অন্যতম প্রবাসী সংগঠন স্বাধীনতা স্বপক্ষ শক্তির আয়োজনে গত ২২শে ফেব্রুয়ারি ফ্রাঙ্কফুর্টে অনুষ্ঠিত হয় এই ঐতিহাসিক গণ সমাবেশ ও শোক সভা।

জার্মানি ও ইউরোপের প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে আগত বিপুল সংখ্যক বঙ্গবন্ধুর অনুসারী ও প্রবাসী বাঙালিরা এই সভায় অংশগ্রহণ করেন। সভার শুরুতেই ইউরোপীয় আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি স্বর্গীয় শ্রী অনিল দাসগুপ্তের স্মরণে আয়োজিত হয় নীরবতা ও শোকসভা। শোক সভায় সভাপতিত্ব করেন স্বাধীনতার ধারক-বাহক হাফিজুর রহমান আলম। সঞ্চালনায় ছিলেন জার্মান যুব লীগের প্রাক্তন সভাপতি, স্বাধীনতার সংগঠক ও যুবনেতা নজরুল ইসলাম খালেদ।

শোক সভায় প্রধান বক্তা ছিলেন সর্ব ইউরোপীয় মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা জনাব আমিনুর রহমান খসরু। তিনি জার্মান ভাষায় দাশগুপ্তর স্ত্রী,কন্যা ও অন্যান্য অতিথিদের উদ্দেশ্যে স্বর্গীয় শ্রী অনিল দাশগুপ্তের অতীতের জীবন ও তার ধর্ম নিরপেক্ষ ব্যক্তিত্বের প্রশংসা করে বক্তৃতা করেন।

সভার শুরুতেই অনীল দাশগুপ্তের জীবনের উপর বক্তব্য রাখেন ঢাকা নিউ মডেল কলেজের ভিপি জাহিদুল ইসলাম পুলক। প্রধান অতিথির বক্তব্যে রাখেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা।

বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ইউকে থেকে আগত ইউকে আওয়ামী লীগের সহ-সম্পাদক ও সিলেটের নির্বাচিত মেয়র আনোয়ার উজ্জামান চৌধুরী, ইউরোপীয় আওয়ামী লীগের সভাপতি নজরুল ইসলাম ও অস্ট্রিয়া আওয়ামী লীগের সভাপতি জনাব খন্দকার হাফিজুর রহমান।

অন্যান্য বক্তাগণের মধ্যে ছিলেন যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগের জনাব আজাদুর রহমান আজাদ (কাউন্সিলর সিলেট সিটি কর্পোরেশন), জনাব খন্দকার হাফিজ নাসিম (সভাপতি অস্ট্রিয়া আওয়ামীলীগ), জনাব মহসিন হায়দার মনি (বীর মুক্তিযোদদা), জনাব মকসুদ রহমান (সাধারন সম্পাদক কেমব্রিজ আওয়ামীলীগ যুক্তরাজ্য)।

ইউরোপীয় বঙ্গবন্ধু পরিষদের প্রতিষ্ঠাতা ও জার্মান সিডিইউ মাইনজ শাখার ক্যাশিয়ার জনাব ইউনুস আলী খান,জনাব হাকিম টিটু, জনাব তোফাজ্জল হোসেন ছিন্টু,জনাব জাহাঙ্গীর হোসেন,জনাব কাজী আসিফ হোসেন দ্বীপ, কাজী মাসুম(যুগ্ম সম্পাদক যুক্তরাজ্য যুবোহাম্মদ আয়াজ (সাংগঠনিক সম্পাদক যুক্তরাজ্য যুবলীগ) ও
শিবলুর চৌধুরী(যুক্তরাজ্য আওয়ামীলীগ)।