শিরোনাম :
হৃদরোগে আক্রান্ত ৯ বছরের হাবিবুল্লাহ বাঁচতে চায়, চিকিৎসায় প্রয়োজন ৫ লাখ টাকা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ সিপিএ রফিকুল ইসলাম জগলুর বাংলাদেশের উন্নয়ন সহযোগী হিসেবে জাপানের অব্যাহত সহযোগিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বাংলাদেশকে আঞ্চলিক এভিয়েশন হাব হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে কাজ করছে সরকার জার্মানিতে বাংলাদেশ দূতাবাসে অতিরিক্ত ফি নেওয়ায় প্রবাসীদের অভিযোগ বাংলাদেশ-চীন অর্থনৈতিক অঞ্চল শিল্প বিপ্লব ও কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পুঁজি ও কূটনীতির মেলবন্ধনে ট্রিলিয়ন ডলার অর্থনীতির পথরেখা আইসিইউতে ওষুধ-প্রতিরোধী ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ উদ্বেগজনক, মৃত্যুহার ৯০ শতাংশের বেশি: আইসিডিডিআরবি করাচির দুই হাসপাতালে শতাধিক শিশুর এইচআইভি শনাক্ত, নীরব স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ নিট কেলেঙ্কারি ঘিরে চাপের মুখে সরে গেলেন ধর্মেন্দ্র প্রধান, বললেন ‘শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎই অগ্রাধিকার’

ইউরোপে শরণার্থী সংকটের সমাধানসূত্র চান ম্যার্কেল, মাক্রোঁ

জার্মানবাংলা২৪ রিপোর্ট :
  • প্রকাশের সময়: বুধবার, ২০ জুন, ২০১৮

জার্মান-বাংলা ডেস্ক: ইউরোপে শরণার্থী সংকট সামাল দিতে সামগ্রিক সমাধানসূত্র তুলে ধরলেন ফ্রান্স ও জার্মানির শীর্ষ নেতারা৷ ইউরোপীয় কমিশনের প্রস্তাবও তাতে স্থান পেয়েছে৷ এভাবে জার্মান চ্যান্সেলর ম্যার্কেল তাঁর সরকারের রাজনৈতিক সংকটও মেটাতে চান৷ শরণার্থী নীতিকে কেন্দ্র করে দেশের মধ্যে কোণঠাসা ম্যার্কেল ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল মাক্রোঁ’র সমর্থন পেয়ে কিছুটা আশ্বস্ত হলেন৷ মঙ্গলবার বার্লিনের উপকণ্ঠে শীর্ষ বৈঠকের পর মাক্রোঁ বলেন, শরণার্থীরা ইউরোপের যে দেশে নিজেদের নাম নথিভুক্ত করেছে, যত দ্রুত সম্ভব তাঁদের সেখানে ফেরত পাঠাতে হবে৷ এই লক্ষ্যে দ্বিপাক্ষিক বা বহুপাক্ষিক সমাধানসূত্র খুঁজে বের করতে হবে৷ মাক্রোঁ এ ক্ষেত্রে ম্যার্কেলের সঙ্গে কাজ করতে চান৷ অর্থাৎ, শরণার্থী নীতির প্রশ্নে ম্যার্কেল একতরফা পদক্ষেপের বদলে ইউরোপীয় স্তরে সমাধানসূত্রের যে উদ্যোগ নিচ্ছেন, সেই অবস্থানের প্রতি সমর্থন জানালেন মাক্রোঁ৷
ম্যার্কেল বলেন, মাক্রোঁ ও তিনি ইউরোপে আরও বিভাজন চান না৷ তাঁদের মতে, ইউরোপীয় সংকটের মুখে বিচ্ছিন্ন পদক্ষেপের বদলে সাধারণ সমাধানসূত্র প্রয়োজন৷ তা না হলে শেঙেন চুক্তির ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত হয়ে পড়বে এবং তার ফলে ইউরোপের দেশগুলির মধ্যে উন্মুক্ত সীমান্ত বন্ধ হয়ে যাবে৷ তবে মাক্রোঁ ও ম্যার্কেল ইউরোপীয় চুক্তি অমান্য করে দায়িত্ব এড়িয়ে শরণার্থীদের অন্য দেশে ঠেলে দেবার প্রথার বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ নিতে বদ্ধপরিকর৷ অর্থাৎ, এক দেশে শরণার্থীরা নথিভুক্ত হবার পর তাঁদের সীমান্ত পেরিয়ে অন্য দেশে চলে যেতে দেওয়া হবে না৷ উল্লেখ্য, এই বিষয়টিকে কেন্দ্র করে জার্মানির জোট সরকারের মধ্যে ভাঙনের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে৷ বাভেরিয়ার সিএসইউ দল ইউরোপীয় বা দ্বিপাক্ষিক সমাধানসূত্রের জন্য অপেক্ষা না করে অবিলন্বে একক পদক্ষেপ নিতে চায়৷ আপাতত তারা ম্যার্কেলকে দুই সপ্তাহ সময় দিতে রাজি হয়েছে৷ এই সময়কালে ম্যার্কেল বিকল্প সমাধানসূত্র না পেলে জুলাই মাসে নতুন করে সংঘাতের আশঙ্কা রয়েছে৷

শেয়ার করুন:
এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

©germanbanglanews24
Developer Design Host BD