শিরোনাম :
ক্যালিফোর্নিয়ায় তীব্র তাপপ্রবাহ, সতর্কতার আওতায় সাড়ে ৩ কোটি মানুষ চীন-রাশিয়া বন্ধুত্ব প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে এগিয়ে নেওয়ার প্রত্যয় সি চিন পিংয়ের সফরে চীন-মার্কিন কৌশলগত সম্পর্কে নতুন গতি রোহিঙ্গাদের গ্রাম ধ্বংস করে সামরিক ঘাঁটি ও বন্দিশিবির গড়ছে আরাকান আর্মি: গার্ডিয়ান সম্পাদকীয় : সবার জন্য বাসযোগ্য বসতি গড়াই হোক অঙ্গীকার সীমিত আয়ের মানুষের মানসম্মত বাসস্থান নিশ্চিত করতে সরকারের অঙ্গীকার : প্রধানমন্ত্রী বড়পুকুরিয়ায় উন্মুক্ত পদ্ধতিতে ১৭ কোটি টন কয়লা উত্তোলনে সরকারের পরিকল্পনা সবার জন্য সাশ্রয়ী ও মানসম্মত আবাসন অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নের পূর্বশর্ত: রাষ্ট্রপতি লোকসান কমিয়ে রেলকে লাভজনক করতে সংসদীয় কমিটির সুপারিশ  বন্যা ও জলবায়ু ঝুঁকি মোকাবিলায় উপকূলীয় ১৪ জেলায় সাড়ে ৭ হাজার কোটি টাকার প্রকল্প

পবনাপুরে বন্ধ স্কুলের উন্নয়নের নামে দুর্নীতি

জার্মানবাংলা২৪ রিপোর্ট :
  • প্রকাশের সময়: বুধবার, ৩১ জুলাই, ২০১৯
পলাশবাড়ীর পবনাপুরে বন্ধ স্কুলের উন্নয়নের নামে এলজি এসপি প্রকল্পের ৩ লক্ষ ৭৬ হাজার টাকা লুটপাট

আশরাফুল ইসলাম,গাইবান্ধা প্রতিনিধি:গাইবান্ধা জেলার পলাশবাড়ী উপজেলার পবনাপুর ইউনিয়নের নাসরিন বেগম উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ের উন্নয়নের নামে ১৮ – ১৯ অর্থ বছরের এলজি এসপি প্রকল্পের বরাদ্দকৃত ৩ লক্ষ ৭৬ হাজার টাকার নাম মাত্র কাজ করে উপজেলা প্রকৌশলী তাহাজ্জোত হোসেন এর যোগসাজসে লুটপাট করেছে ইউপি চেয়ারম্যান শাহ আলম সরকার ছোট বাবা।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা ও জানা যায়, দীর্ঘদিন হলে নাসরিন বেগম উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ে কোন প্রকার কার্যক্রম না থাকলেও। শুধুমাত্র প্রকল্পের টাকা লুটপাট করার স্বার্থে লোক দেখানো কাজ করা হয়েছে। পুরাতন একটি ঘরের সিমেন্ট দিয়ে প্লাষ্টার করে ও রং করে ৩ লক্ষ ৭৬ হাজার টাকা তুলে নিয়েছেন ইউপি চেয়ারম্যান। চতুর ইউপি চেয়ারম্যান দায় দ্বায়িত্ব এরাতে পরিষদের একজন মহিলা সদস্য জুই বেগমকে প্রকল্পে সভাপতি করা হলেও প্রকল্পের কাজ করেছেন ইউপি চেয়ারম্যান শাহ আলম সরকার ছোট বাবা।

প্রকল্পের সভাপতি জুই বেগম এর সাথে কথা বলতে চাইলে তিনি সাংবাদিক শুনেই ব্যস্ত রয়েছেন বলে জানান।

এবিষয়ে ইউপি চেয়ারম্যানের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি উপরোক্ত বিষয়ে কোন মন্তব্য না করে একেক সময় একেক স্থানে ব্যস্ত রয়েছেন বলে জানান।

উপজেলা প্রকৌশলীর যোগসাজসে প্রকল্পের দায়সারা কাজ সম্পর্ন করা বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন এসব প্রকল্প শিক্ষা অধিদপ্তর হতে নির্ধারণ করা হয়। আর এ প্রকল্প গুলো পরিষদের একজন সদস্যকে সভাপতি করে এ প্রকল্পের কাজ বাস্তবায়ন করা হয়। এখানে আমাদের করা কিছু নেই।

এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটির বিষয়ে উপজেলা শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা যায় যে এই নামে উপজেলার কোথা কোন শিক্ষা বৈধ প্রতিষ্ঠান নেই। এবিষয়টি নিশ্চিত করেন উপজেলা শিক্ষা অফিসার মাহাতাব উদ্দিন।

উল্লেখ্য,পবনারপুর ইউনিয়নের অনেক রানিং শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নানা সমস্যা থাকলেও সেসব প্রতিষ্ঠানের সমস্যা সমাধান না করে বন্ধ একটি বিদ্যালয়ের উন্নয়নের নামে প্রকল্পের অর্থ লুটপাট করায় স্থানীয় সচেতন মহলের মাঝে মিশ্র প্রতিক্রিয়া চলছে। তারা সরেজমিনে তদন্ত পূর্বক প্রকল্পের অর্থ লুটপাট কারি চক্রের দৃষ্ঠন্ত মুলক শাস্তি দাবী করেন।

শেয়ার করুন:
এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 ১২৩৪
৫৬৭৮৯১০১১
১২১৩১৪১৫১৬১৭১৮
১৯২০২১২২২৩২৪২৫
২৬২৭২৮২৯৩০৩১  
©germanbanglanews24
Developer Design Host BD