শিরোনাম :
শিল্প ও পরিবহনে নতুন চাপের মধ্যে জার্মানি, অর্থনীতিতে প্রবৃদ্ধির আশা ও AI নিয়ে বাড়ছে প্রস্তুতি সিসিলির জাদুঘর থেকে রেনেসাঁ যুগের ‘অমূল্য’ চার চিত্রকর্ম চুরি দুর্যোগ মোকাবিলায় সক্ষমতা বৃদ্ধি চীনের আধুনিকায়নের জন্য গুরুত্বপূর্ণ: সি চিন পিং ডারউইন জয় বিশ্ব ক্রিকেটে বাংলাদেশের নতুন পরিচয়, প্রশংসায় সাবেক তারকা ও বিশ্লেষকরা রাজধানীতে নারীদের জন্য ‘পিংক বাস’ চালু বিএনপি সরকারের ১৮০ দিন পূর্তি আজ, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে মতবিনিময় সেপ্টেম্বরে রূপপুরের প্রথম ইউনিট থেকে পরীক্ষামূলকভাবে জাতীয় গ্রিডে ৩০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ ভূমধ্যসাগরে ১১ দিন ভেসে থাকার পর নৌকায় অন্তত ১১ জনের মৃত্যু, ৯ জনই বাংলাদেশি কলম্বিয়ায় শক্তিশালী ভূমিকম্পে নিহত ২৯৪, নিখোঁজ ৩২০ পরিবেশ সুরক্ষা ও উন্নয়নের ভারসাম্যে চীনের সাফল্যের প্রশংসায় জাতিসংঘ

এক যুগ পর কোপা আমেরিকার শিরোপা জয় ব্রাজিলের

জার্মানবাংলা২৪ রিপোর্ট :
  • প্রকাশের সময়: সোমবার, ৮ জুলাই, ২০১৯

জার্মান-বাংলা ডেস্ক:২০০৭ সালে শেষবার কোপা আমেরিকার শিরোপা ছুঁয়ে দেখেছিল ব্রাজিল। এরপর বিশ্বজুড়ে বদলেছে অনেক কিছুই। কিন্তু ব্রাজিলের আর কোপার শিরোপা জেতা হয়নি। ২০১৬ সালে এই পেরুর কাছে হেরেই তো কোপার গ্রুপ পর্ব থেকে বিদায় নিয়েছিল দুঙ্গার ব্রাজিল। এবার সেই পেরুকে হারিয়েই শিরোপা জয়ের উদ্‌যাপনটা করল তিতের ব্রাজিল। এবারের শিরোপা জয়টা ব্রাজিলের জন্য আরও একটা কারণে মনে রাখার মতো। কারণ, এবার যে ব্রাজিলের জন্য ‘অভিশপ্ত’ মারাকানাজোতেই শিরোপা জয়ের উল্লাসটা করলেন জেসুস-আলভেজরা।

কোপা আমেরিকার ফাইনালে পেরুর বিপক্ষে ৩-১ গোলে জয় পেয়েছে ব্রাজিল। ব্রাজিলের হয়ে একটি করে গোল করেছেন এভারটন, গ্যাব্রিয়েল জেসুস ও রিকার্লিসন। পেনাল্টি থেকে পেরুর একমাত্র গোলটি করেন গুরেরো।

পরিসংখ্যান থেকে শুরু করে দুই দলের শক্তিমত্তা—সবকিছুতেই পেরুর চেয়ে কয়েক কদম এগিয়ে ব্রাজিল। অন্তত এই কোপা আমেরিকায় তো বটেই! এর আগে যে চারবার (১৯১৯, ১৯২২, ১৯৪৯ ও ১৯৮৯) নিজেদের মাটিতে কোপা আমেরিকা আয়োজন করেছিল ব্রাজিল, প্রতিবারই শিরোপাটা নিজেদের করে নিয়েছে স্বাগতিকেরা। এবার নয় কেন? আজকের ফাইনালেও ব্রাজিলই ছিল ফেবারিট। পুরো ম্যাচে তিতের শিষ্যরা খেলেছেনও ফেবারিটের মতো করেই। রক্ষণ-মাঝমাঠ-আক্রমণ প্রতিটি বিভাগেই ব্রাজিলের খেলোয়াড়েরা সুরে বাঁধা ছিলেন। ফলাফলটাও গেছে সেলেসাওদের পক্ষে। প্রথমার্ধেই প্রতিপক্ষের জালে ২-১ গোলের ব্যবধানে এগিয়ে যাওয়া ব্রাজিল শেষ পর্যন্ত ৩-১ গোলের ব্যবধানে জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে।

ম্যাচের ১৫ মিনিটেই এভারটনের গোলে এগিয়ে যায় ব্রাজিল। ডি বক্সের বাইরে থেকে জেসুসের লম্বা করে বাড়ানো বলে পা ছুঁয়ে জালে জড়ান এভারটন। ম্যাচের প্রথম সুযোগটিই কাজে লাগিয়ে আক্রমণ চালিয়ে যায় ব্রাজিল। বল দখলেও এগিয়ে থাকে জেসুসরা। ২৫তম মিনিটে এভারটনের বাড়ানো বলে শট নেন কুতিনহো। অল্পের জন্য রক্ষা পায় পেরু। ম্যাচের ৩০ মিনিটে হলুদ কার্ড দেখা জেসুস প্রথমার্ধের যোগ হওয়া সময়ে ব্যবধান বাড়ান। জেসুসের গোলের আগে অবশ্য পেনাল্টি শটে সমতায় ফিরেছিল অতিথিরা। ডি বক্সের মধ্যে পড়ে গিয়ে বল হাতে লাগান ব্রাজিলের থিয়াগো সিলভা। রেফারি পেনাল্টির বাঁশি বাজান। পরে ভিএআরের সাহায্যে নিজের সিদ্ধান্তে অটল থাকেন। নিখুঁত স্পট কিকে বল জালে জড়ান গুরেরো। সমতায় ফিরে খানিকটা উজ্জীবিত হয় পেরু। কিন্তু পেরুর উল্লাস বেশিক্ষণ রাখতে দিলেন না জেসুস।

৭০তম মিনিটে পেরুর ডিফেন্ডারকে ফাউল করে দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখে মাঠ ছাড়েন জেসুস। ১০ জনের ব্রাজিলকে পেয়েও কিছু করতে পারেনি পেরু। উল্টো ব্রাজিলের একের পর এক আক্রমণ সামলাতেই ব্যস্ত থাকতে হয় তাদের। তবে শেষ রক্ষা হয়নি। শেষ মুহূর্তে পেরুর কফিনে শেষ পেরেকটি ঠুকে দেন রিকার্লিসন। পেরুর ডি বক্সে এভারটন ফাউলের শিকার হলে পেনাল্টি পায় ব্রাজিল। যোগ হওয়া সময়ে সফল স্পট কিক নেন ফিরমিনোর বদলি হিসেবে নামা রিকার্লিসন (৩-১)।

এবারের কোপা আমেরিকার সেরা খেলোয়াড় হন আলভেজ।

শেয়ার করুন:
এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩১৪১৫১৬
১৭১৮১৯২০২১২২২৩
২৪২৫২৬২৭২৮২৯৩০
৩১  
©germanbanglanews24
Developer Design Host BD