রাইসুল আলম রবিন, খুলনা প্রতিনিধি: খুলনা সিটি কর্পোরেশনের (কেসিসি) উদ্যোগে পূর্ব রুটিন অনুযায়ী রোববার থেকে মাইকিং শুরু হয়েছে। নগরীর ভেতরের ইজিবাইক মালিক-চালকদের উদ্দেশে বলা হচ্ছে, “আপনারা কেউ নগরীর বাইরে থেকে ইজিবাইক নগরীতে প্রবেশ করবেন না। আবার নগরী থেকে কেউ বাইরে ইজিবাইক নিয়ে যাবেন না। ১৫ জানুয়ারি মঙ্গলবার থেকে এ আইন কার্যকর হয়েছে। ” এ অভিযান চলবে আগামী এক সপ্তাহ।
কেসিসির সিনিয়র লাইসেন্স অফিসার এসকেএম তাছাদুজ্জামান বলেন, যেসব ইজিবাইক নগরীর বাইরে অবস্থান করে তারা যাতে নগরীতে প্রবেশ করতে না পারে, এছাড়া নগরীর ইজিবাইক যাতে নগরীর বাইরে না যেতে পারে এ জন্য নগরীর ৮টি পয়েন্টে চেকপোস্ট বসানো হবে। চেকপোস্ট তৈরির কাজ শেষ হয়েছে। ১৫ জানুয়ারি থেকে এসব চেকপোস্টে কর্মী বসানো হয়েছে। প্রতিটি চেকপোস্টে প্রতি শিফটে কেসিসির ২-৬ জন কর্মচারী দায়িত্ব পালন করবে। সকাল ৭টা থকে বেলা ২টা পর্যন্ত একটি শিফট এবং বেলা ২টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত দ্বিতীয় শিফট থাকবে। মোট ৩৬ জন কর্মচারীর নাম এ কাজের জন্য দেওয়া হয়েছে। সাথে পুলিশ সদস্যরাও থাকবে। তারা উল্লিখিত বিষয়গুলো যাতে লঙ্ঘন না হয় সে জন্য দায়িত্ব পালন করবে। ইতোমধ্যে চেকপোস্ট বসানোর স্পট নির্ধারণ করার কাজ সম্পন্ন হয়েছে।
স্পটগুলো হচ্ছে- গল্লামারি ব্রিজ, ময়ূর নদী ব্রিজ, খানজাহান আলী (র.) সেতু, মোস্তর মোড়, বাস্তুহারা, তেলিগাতী ল্যাবরেটরি মোড়, যোগীপোল মোড় ও বাদামতলা বিআরটিএ অফিস মোড়। তবে এসব স্পট আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হবে না। ইজিবাইক মালিক-চালকদের এ ব্যাপারে অবগত করার জন্য কেসিসির উদ্যোগে রোববার থেকে নগরীতে মাইকিং শুরু হবে বলে ওই কর্মকর্তা জানান। এসব বিষয়ে তদারকি করতে তিনজন কর্মকর্তা দায়িত্ব পালন করবেন। তারা হচ্ছেন- কেসিসির সিনিয়র লাইসেন্স অফিসার এসকেএম তাছাদুজ্জামান, লাইসেন্স অফিসার (যান) খান হাবিবুর রহমান ও সহকারী লাইসেন্স অফিসার হারুন অর রশিদ।
ইজিবাইক নিয়ে মেয়রের প্রাথমিক পর্যায়ে উদ্যোগ হচ্ছে নগরীতে ইজিবাইক ইন-আউট বন্ধ করা। পরে মেয়র ইজিবাইকের লাইসেন্সের ব্যাপারে কথা বলবেন বলে এস কে এম তাছাদুজ্জামান জানান।
তিনি আরও বলেন, মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেকের দিক নির্দেশনা অনুযায়ী এসব কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। পুলিশের পক্ষ থেকে ব্যাপক সাড়া পাওয়া যাচ্ছে। নিয়ন্ত্রণ না আসা পর্যন্ত এ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলে তিনি জানান।