শিরোনাম :
গাজায় শিশু হত্যাকে যুদ্ধাপরাধ বলছে জাতিসংঘ, ইসরায়েলের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ তারেক রহমানের সফরে কৌশলগত অংশীদারত্বে নতুন গতি আসবে বাংলাদেশি নির্মাতার প্রথম চলচ্চিত্রেই আন্তর্জাতিক পুরস্কার টেকসই উন্নয়ন ও উদ্ভাবনের নতুন পথ খুঁজছে দাভোস ফোরাম ঢাকা-বেইজিং সম্পর্কের ভবিষ্যৎ নিয়ে আশাবাদী চীনা রাষ্ট্রদূত রোহিঙ্গা ও স্থানীয় জনগোষ্ঠীর সহায়তায় ১৬ মিলিয়ন ডলারের চুক্তি স্বাক্ষর রপ্তানি আয় ও কর্মসংস্থানে ভেনামি চিংড়ি হতে পারে নতুন চালিকাশক্তি নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে মৌলিক গবেষণার ওপর জোর দিলেন কৃষিমন্ত্রী টেকসই প্রবৃদ্ধিতে এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় সহযোগিতার নতুন দিকনির্দেশনা ২৮তম শাংহাই চলচ্চিত্র উৎসবের পর্দা নামল

২৬শে মার্চ মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমান চট্টগ্রাম কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে স্বাধীনতার ঘোষণা দেন: ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু

শহিদুল ইসলাম দইচ,যশোর:
  • প্রকাশের সময়: বৃহস্পতিবার, ১৯ ডিসেম্বর, ২০২৪

বিএনপির জাতীয় স্হায়ী কমিটির সদস্য, সাবেক মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বলেছেন, জিয়াউর রহমানের স্বাধীনতা ঘোষণার মধ্য দিয়েই এদেশ স্বাধীনতা লাভ করেছে। ২৫ মার্চ জেনারেল ইয়াহিয়া খানের বৈঠকে তাজউদ্দিন আহমেদ শেখ মুজিবকে স্বাধীনতার ঘোষণার আহবান জানালে তিনি তা প্রত্যাখ্যানকরেন। শেখ মুজিব বলেন আমি এখন স্বাধীনতা ঘোষণা করলে আমাকে এখন ফাঁসির মঞ্চে ঝুলতে হবে।

 

মঙ্লবার বিকেলে যশোর টাউন হল ময়দানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি একথা বলেন।
যশোর জেলা বিএনপি আয়োজিত মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জেলা বিএনপির আহবায়ক অধ্যাপক নার্গিস বেগম।
প্রধান অতিথি পতিত আওয়ামী স্বৈরাচারের ভারতে পলায়নপরের ঘটনা উল্লেখ করে বলেন, মানুষের রোষের কাছে কোন কিছু টিকানো যায় না। গণভবন সেই চিহ্ন বহন করে চলেছে। বাংলাদেশের ৭ কোটি মানুষ নয় মাস যুদ্ধ করে দেশের স্বাধীনতা লাভ করেছে। অথচ ভারত এ বিজয় তাদের বিজয় বলে উল্লেখ করে। এ দেশের জনগণ এ জাতীয় কথা কোনদিন মেনে নেবে না।

ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু আরও বলেন, ২৬ শে মার্চ মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমান চট্টগ্রাম কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে স্বাধীনতার ঘোষণা দেন। তিনিই হচ্ছেন স্বাধীনতার ঘোষক। ৭ ই মার্চে শেখ মুজিবুর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণা দেন নাই।তিনি সেদিন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার জন্য দরকষাকষি করেছিলেন । সৈনিকদের ক্যান্টনমেন্টে চলে যেতে বলেছিলেন। সেদিন স্লোগান উঠেছিল জয় বাংলা না জয় পাকিস্তান। ফলে জয় বাংলা স্বাধীনতার স্লোগান হতে পারে না।

সভায় বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন বিএনপি’র খুলনা বিভাগীয় ভারপ্রাপ্ত সাংগঠনিক সম্পাদক অনিন্দ্য ইসলাম অমিত।

অন্যান্যের মধ্যে বক্তৃতা করেন যশোর জেলা বিএনপির সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট সৈয়দ সাবেরুল হক সাবু, সাবেক কেন্দ্রীয় দপ্তর সম্পাদক মফিকুল হাসান তৃপ্তি,কৃষক দলের কেন্দ্রীয় নেতা, বিএনপি’র নির্বাহী কমিটির সদস্য ইঞ্জিনিয়ার টিএস আইয়ুব, কেশবপুর বিএনপির সভাপতি ও কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য আবুল হোসেন আজাদ, নগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এহসানুল হক সেতু, কোতোয়ালি বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আনজারুল হক খোকন, চৌগাছা বিএনপির সেক্রেটারি মাহমুদুল হাসান, মনিরামপুর বিএনপির আহবায়ক এডভোকেট শহীদ ইকবাল , খাইরুজ্জামান মধু, গোলাম হায়দার ডাবলু, এম তমাল আহমেদ, আনসারুল হক রানা, ফেরদৌসী বেগম প্রমূখ। সভার শেষে এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

শেয়ার করুন:
এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
১০১১১২১৩১৪
১৫১৬১৭১৮১৯২০২১
২২২৩২৪২৫২৬২৭২৮
২৯৩০  
©germanbanglanews24
Developer Design Host BD