শিরোনাম :
ডব্লিউটিও বিধির আলোকে বাণিজ্যিক বিরোধ নিষ্পত্তিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ চীন ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন গণিতের বৈশ্বিক মানচিত্রে শীর্ষস্থানে চীন: মেধা ও প্রাতিষ্ঠানিক সমন্বয়ের যুগান্তকারী সাফল্য ইসরায়েলের ওপর অস্ত্র নিষেধাজ্ঞা ও অবরোধের দাবিতে ক্যাপিটল হিলে বিক্ষোভ দিল্লিতে ধরপাকড় নিয়ে জাতিসংঘের বার্তা: অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপের অভিযোগ ভারতের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জাপানের মারুবেনি কর্পোরেশনের প্রতিনিধিদলের সাক্ষাৎ নির্বিঘ্ন দুর্গাপূজা নিশ্চিতে প্রতিটি মণ্ডপে সিসিটিভি ও বিজিবি মোতায়েনের তাগিদ ২০৩০ সালের মধ্যে ২৪ হাজার মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্য: প্রতিমন্ত্রী ডিজিটাল সাংবাদিকতার পথিকৃৎ তৌফিক ইমরোজ খালিদীর চিরবিদায় : ‘জার্মান বাংলা ২৪’ পরিবারের গভীর শোক সিইসিকে বাঁচাতে দিল্লিতে ‘কালো জরুরি অবস্থা’ পারমাণবিক নিরস্ত্রীকরণ ব্যবস্থায় ব্যাঘাত সৃষ্টি করছে জাপানি সরকারের নীতি: চীন

২০৩০ সালের মধ্যে ২৪ হাজার মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্য: প্রতিমন্ত্রী

জার্মান-বাংলা ডেস্ক, ঢাকা অফিস:
  • প্রকাশের সময়: রবিবার, ১১ অক্টোবর, ২০২৬

আগামী ২০৩০ সালের মধ্যে দেশে ২৪ হাজার মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের মহাপরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। এই জাতীয় পরিকল্পনার প্রাথমিক অংশ হিসেবে আগামী ফেব্রুয়ারি মাসের মধ্যেই সৌর উৎস থেকে ৪ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করে জাতীয় গ্রিডে যুক্ত করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।

শনিবার (১০ অক্টোবর) রাজধানীর আগারগাঁওয়ের সমবায় ভবনে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ তথ্য জানান।

প্রতিমন্ত্রী উল্লেখ করেন, দেশে বিদ্যুতের ক্রমবর্ধমান চাহিদা ও বাস্তব সরবরাহের মধ্যে যে ঘাটতি রয়েছে, তা পরিবেশবান্ধব সৌরবিদ্যুতের মাধ্যমে পূরণের জোর প্রস্তুতি নিচ্ছে সরকার। আগামী ফেব্রুয়ারির মধ্যে ৪ হাজার মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা সম্ভব হলে বিদ্যুতের চাহিদা ও সরবরাহের মধ্যকার ১৪ হাজার থেকে ১৮ হাজার মেগাওয়াটের ব্যবধান অনেকটাই দূর হবে। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, ফেব্রুয়ারির পর সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন ও গ্রিডে সরবরাহের এই পরিকল্পনা পূর্ণাঙ্গভাবে বাস্তবায়িত হলে দেশে আর কোনো লোডশেডিং থাকবে না।

সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনকারীদের জন্য সহায়ক আর্থিক সুবিধার কথা জানিয়ে মীর শাহে আলম বলেন, আগামী ফেব্রুয়ারির মধ্যে সোলার প্যানেলের মাধ্যমে উৎপাদিত বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করলে প্রতি ইউনিটের দাম বাবদ ১০ টাকা ৫০ পয়সা প্রদান করা হবে। এই প্রণোদনামূলক মূল্য সুবিধা ২০২৮ সাল পর্যন্ত কার্যকর থাকবে। তবে ২০২৮ সালের পর প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের দাম হ্রাস পেয়ে ৬ থেকে ৭ টাকায় নেমে আসতে পারে।

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর অব্যবহৃত অবকাঠামোকে কাজে লাগানোর আহ্বান জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রশস্ত ছাদগুলোতে সোলার প্যানেল স্থাপন করে নিজস্ব চাহিদা মিটিয়ে বাড়তি বিদ্যুৎ গ্রিডে বিক্রি করে নিয়মিত আয় করা সম্ভব। বিশেষ করে শুক্র ও শনিবার এবং সরকারি ছুটির দিনগুলোতে যখন প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে, তখন উৎপাদিত পুরো বিদ্যুৎ গ্রিডে সরবরাহ করে স্কুল-কলেজগুলো বাড়তি রাজস্ব আয়ের দারুণ সুযোগ তৈরি করতে পারবে।

সূত্র: স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় ও সমবায় অধিদপ্তর।

শেয়ার করুন:
এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 ১২৩৪
৫৬৭৮৯১০১১
১২১৩১৪১৫১৬১৭১৮
১৯২০২১২২২৩২৪২৫
২৬২৭২৮২৯৩০৩১  
©germanbanglanews24
Developer Design Host BD