গত ১৩ অক্টোবর সরকারের এক প্রজ্ঞাপনে কক্সবাজারকে দেশের চতুর্থ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছিল। এর আগে গত মার্চে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস নিজে বিমানবন্দরের নির্মাণকাজ পরিদর্শন করেন। এরপর একাধিকবার প্রকল্পের অগ্রগতি দেখতে যান বেসামরিক বিমান চলাচল মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ও কর্মকর্তারা।
তবে সরকারি উদ্যোগের পরও এয়ারলাইনগুলোর আগ্রহের ঘাটতি প্রকটভাবে দেখা দেয়। চট্টগ্রাম ও সিলেট থেকে যেখানে মধ্যপ্রাচ্য ও ইউরোপমুখী আন্তর্জাতিক ফ্লাইট নিয়মিত চলাচল করছে, সেখানে কক্সবাজার থেকে আন্তর্জাতিক রুট চালু করতে আগ্রহ দেখায়নি কোনো বড় এয়ারলাইন। তাদের মতে, এ রুট বাণিজ্যিকভাবে লাভজনক নয়।
বেসরকারি কোম্পানিগুলো পিছু হটলেও, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স চলতি মাস থেকেই কক্সবাজার–ঢাকা–কলকাতা ফ্লাইট চালুর পরিকল্পনা করেছিল। কিন্তু নির্ধারিত সময়ের আগেই ‘আন্তর্জাতিক’ মর্যাদা কার্যকর করার সিদ্ধান্ত স্থগিত করে সরকার।
বিশ্লেষকদের মতে, স্থগিতাদেশের এই সিদ্ধান্ত বাজার চাহিদা, অবকাঠামো প্রস্তুতি ও এয়ারলাইনগুলোর আগ্রহের অভাবের সঙ্গে সম্পর্কিত। কক্সবাজারের আধুনিক রানওয়ে, টার্মিনাল ও ন্যাভিগেশন ব্যবস্থা প্রস্তুত থাকলেও, পূর্ণাঙ্গ আন্তর্জাতিক অপারেশনের জন্য আরও সময় প্রয়োজন হতে পারে বলে তারা মনে করছেন।