শিরোনাম :
সিইসিকে বাঁচাতে দিল্লিতে ‘কালো জরুরি অবস্থা’ পারমাণবিক নিরস্ত্রীকরণ ব্যবস্থায় ব্যাঘাত সৃষ্টি করছে জাপানি সরকারের নীতি: চীন নতুন যুগে বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ক: কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ কর্মসূচি ঘিরে যৌথ প্রত্যাশা দিল্লিতে সাংসদদের নিয়ে অবস্থান কর্মসূচিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আটক মানব পাচার রোধে টিয়ার-২ ধাপে বহাল বাংলাদেশ: মার্কিন প্রতিবেদন রাজনীতি ক্ষমতার জন্য নয়, মানুষের কল্যাণের জন্য: স্থানীয় সরকারমন্ত্রী ঢাকেশ্বরীতে মহালয়া উদযাপন: অংশ নিলেন ভারতীয় হাইকমিশনার পরীক্ষায় ফলের চেয়ে ভালো মানুষ হওয়া জরুরি : প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ইসমাইল জবিউল্লাহ আবু সাঈদের আত্মত্যাগই গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ বিনির্মাণের ভিত্তি: ত্রাণমন্ত্রী ভাষাদক্ষতা ও কারিগরি জ্ঞানের সমন্বয়ে এগোবে অর্থনীতি: গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী

সিইসিকে বাঁচাতে দিল্লিতে ‘কালো জরুরি অবস্থা’

জার্মান-বাংলা ডেস্ক, ঢাকা অফিস:
  • প্রকাশের সময়: শনিবার, ১০ অক্টোবর, ২০২৬

নির্বাচনী জালিয়াতির প্রতিবাদে দিল্লিতে আহূত যুব বিক্ষোভে যোগ দিতে আসা আন্দোলনকারীদের ঢালাওভাবে আটক ও দমন-পীড়নের ঘটনায় মোদী সরকারের কঠোর সমালোচনা করেছে আম আদমি পার্টি (আপ)। আম আদমি পার্টির শীর্ষ নেতৃত্ব অভিযোগ করেছে, প্রধান নির্বাচন কমিশনারের বিরুদ্ধে গড়ে ওঠা তরুণদের প্রতিবাদ রুখতে ভারতের রাজধানীকে অবরুদ্ধ করে একনায়কতান্ত্রিক শাসন কায়েম করেছে বিজেপি।

১০ অক্টোবর প্রকাশিত ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্য হিন্দুর প্রতিবেদনে বলা হয়, ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) ডাকে যন্তর মন্তরে আয়োজিত ছাত্র-যুব সমাবেশ রুখতে প্রশাসনের নজিরবিহীন পদক্ষেপে ক্ষোভ জানিয়েছেন রাজনৈতিক নেতারা। আপ প্রধান অরবিন্দ কেজরিওয়াল জানান, দিল্লিতে চলমান দমন-পীড়ন 과거 ইন্দিরা গান্ধীর জরুরি অবস্থাকেও হার মানিয়েছে।

এক্স হ্যান্ডলে এক কঠোর বার্তায় কেজরিওয়াল বলেন, বিমান ও যানবাহন থামিয়ে সাধারণ তরুণ আন্দোলনকারীদের এভাবে আটক করা নির্দেশ করে সরকার কতটা ভীতসন্ত্রস্ত। তিনি অভিযোগ করেন, জনগণের রায় জালিয়াতির মাধ্যমে ছিনতাই করে ক্ষমতায় টিকে থাকা বিজেপি সরকার এখন নির্বাচন কমিশন ও প্রশাসনকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করছে। এই পরিস্থিতিতে তিনি অবিলম্বে প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার এবং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর পদত্যাগের দাবি তোলেন।

আম আদমি পার্টির দিল্লি রাজ্য সভাপতি সৌরভ ভরদ্বাজ ও বিধায়ক গোপাল রাই এক যৌথ প্রতিক্রিয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, একজন বিতর্কিত নির্বাচন কমিশনারকে বাঁচাতে পুরো ভারতে ‘কালো জরুরি অবস্থা’ জারি করা হয়েছে। প্রশাসন দিল্লিকে ক্যান্টনমেন্টে রূপান্তর করলেও তরুণদের গণতান্ত্রিক অধিকার হরণ করা যাবে না বলে হুঁশিয়ারি দেন তাঁরা।

প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের একদফা দাবিতে সিজেপির এই জমায়েতকে কেন্দ্র করে দিল্লিতে কড়া নিরাপত্তা জোরদার করা হয়। নিরাপত্তার অজুহাতে শহরের ব্যস্ততম ৪৫টি মেট্রো স্টেশন বন্ধ রাখা হয়, বাতিল করা হয় একাধিক লোকাল ও দূরপাল্লার ট্রেন। আন্দোলন রুখতে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে মোতায়েন করা হয় ২৩ হাজারেরও বেশি পুলিশ ও আধাসামরিক সদস্য।

সূত্র: দ্য হিন্দু

শেয়ার করুন:
এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 ১২৩৪
৫৬৭৮৯১০১১
১২১৩১৪১৫১৬১৭১৮
১৯২০২১২২২৩২৪২৫
২৬২৭২৮২৯৩০৩১  
©germanbanglanews24
Developer Design Host BD