বিচারক ও সরকারি কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে মামলা করার ক্ষেত্রে সরকারের অনুমতি নেওয়ার বাধ্যবাধকতা তুলে দেওয়া হচ্ছে। দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) এখন থেকে স্বাধীনভাবে এ ধরনের মামলা করতে পারবে— এমন বিধান রাখা হয়েছে দুদক অধ্যাদেশ ২০২৫-এর খসড়ায়।
বৃহস্পতিবার উপদেষ্টা পরিষদের সভায় খসড়াটি নীতিগত অনুমোদন পায়। প্রস্তাবিত আইনে দুদক আইন ২০০৪-এর ৩২(ক) ধারা বাতিলের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। এই ধারায় বলা হয়েছিল, বিচারক বা সরকারি কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে মামলা করতে হলে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৯৭ ধারা অনুসারে সরকারের পূর্বানুমতি নিতে হবে।
ফৌজদারি কার্যবিধির ওই ধারা অনুযায়ী, সরকারি কর্মকর্তা বা বিচারকদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গ্রহণের আগে সরকারের অনুমোদন আবশ্যক ছিল। নতুন খসড়ার মাধ্যমে সেই সীমাবদ্ধতা তুলে দেওয়া হচ্ছে, যা দুদকের স্বাধীনতা ও কার্যকারিতা বাড়ানোর পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
অধ্যাদেশটির খসড়ায় দুদক সংস্কার কমিশনের দেওয়া সুপারিশ অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। কমিশনের এই প্রতিবেদন চলতি বছরের ১৫ জানুয়ারি প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের কাছে জমা দেওয়া হয়।