শিরোনাম :
বাংলাদেশের উন্নয়ন সহযোগী হিসেবে জাপানের অব্যাহত সহযোগিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বাংলাদেশকে আঞ্চলিক এভিয়েশন হাব হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে কাজ করছে সরকার জার্মানিতে বাংলাদেশ দূতাবাসে অতিরিক্ত ফি নেওয়ায় প্রবাসীদের অভিযোগ বাংলাদেশ-চীন অর্থনৈতিক অঞ্চল শিল্প বিপ্লব ও কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পুঁজি ও কূটনীতির মেলবন্ধনে ট্রিলিয়ন ডলার অর্থনীতির পথরেখা আইসিইউতে ওষুধ-প্রতিরোধী ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ উদ্বেগজনক, মৃত্যুহার ৯০ শতাংশের বেশি: আইসিডিডিআরবি করাচির দুই হাসপাতালে শতাধিক শিশুর এইচআইভি শনাক্ত, নীরব স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ নিট কেলেঙ্কারি ঘিরে চাপের মুখে সরে গেলেন ধর্মেন্দ্র প্রধান, বললেন ‘শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎই অগ্রাধিকার’ ইউরোপজুড়ে দাবানলের তাণ্ডব, স্পেনে প্রথম জাতীয় জরুরি অবস্থা দক্ষিণ চীন সাগরে বহিরাগত হস্তক্ষেপ নিয়ে উদ্বেগ

শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ভয়াবহ আগুন, ফ্লাইট চলাচল স্থগিত

জার্মান-বাংলা ডেস্ক, ঢাকা অফিস:
  • প্রকাশের সময়: শনিবার, ১৮ অক্টোবর, ২০২৫

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কার্গো সেকশনে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। শনিবার (১৮ অক্টোবর) দুপুর আড়াইটার কিছু পর থেকে আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে গোটা এলাকায় আতঙ্ক সৃষ্টি হয়।

বিমানবন্দরের নির্বাহী পরিচালকের মুখপাত্র মো. মাসুদুল হাসান মাসুদ জানান, কার্গো সেকশনের পাশের একটি অংশে আগুন লাগে। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস, বিমানবাহিনী ও বিমানবন্দরের নিজস্ব টিম আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে। নিরাপত্তাজনিত কারণে বিমানবন্দরের ফ্লাইট ওঠানামা সাময়িকভাবে স্থগিত রাখা হয়েছে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, আগুনের সূত্রপাত হয় আমদানি কার্গো কমপ্লেক্সের স্কাই ক্যাপিটাল লাউঞ্জ থেকে, যা বিমানবন্দরের ৮ নম্বর গেটের প্রবেশপথের পাশে অবস্থিত। শুরুতে আগুনের ধোঁয়া দেখা গেলেও অল্প সময়ের মধ্যেই তা দাউ দাউ করে ছড়িয়ে পড়ে।

বিমানবন্দরের ফায়ার স্টেশন প্রথমে আগুন নিয়ন্ত্রণে চেষ্টা চালায়, পরে অতিরিক্ত ইউনিট ও টিটিএল গাড়ি যোগ দেওয়া হয়। তবে দাহ্য পদার্থ থাকায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সময় লাগছে। ঘটনাস্থলে অ্যাম্বুলেন্স মোতায়েন করা হয়েছে এবং কয়েকজনকে দগ্ধ অবস্থায় হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।

কার্গো কমপ্লেক্সের কর্মীদের ধারণা, কেমিক্যাল থেকেই আগুনের সূত্রপাত হয়েছে। কুরিয়ার কোম্পানি তামিম এক্সপ্রেস লিমিটেডের পরিচালক সুলতান আহমেদ বলেন, “শনিবার হাফ শিফট থাকায় সকাল ৯টা থেকে দেড়টা পর্যন্ত কার্যক্রম চলেছে। আমাদের আড়াইটন গার্মেন্টস সামগ্রী—বাটন, জিপার, ফেব্রিক ও লেবেল—সবই পুড়ে গেছে।”

মাস্টার ইয়ার কুরিয়ার কোম্পানির সিএনএফ এজেন্ট মো. রোকন মিয়া বলেন, “প্রতিদিন টন টন মাল এখানে আসে। এই আগুনে ব্যবসায়ীদের বিশাল ক্ষতি হবে। স্কাই লাউঞ্জে কেমিক্যাল, ফেব্রিক ও মেশিনারিজসহ নানা দাহ্য মালামাল ছিল। সম্ভবত কেমিক্যাল থেকেই আগুনের সূত্রপাত হয়ে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে।”

আগুনের কারণ ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ প্রাথমিকভাবে জানা যায়নি।

শেয়ার করুন:
এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

©germanbanglanews24
Developer Design Host BD