শিরোনাম :
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ সিপিএ রফিকুল ইসলাম জগলুর বাংলাদেশের উন্নয়ন সহযোগী হিসেবে জাপানের অব্যাহত সহযোগিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বাংলাদেশকে আঞ্চলিক এভিয়েশন হাব হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে কাজ করছে সরকার জার্মানিতে বাংলাদেশ দূতাবাসে অতিরিক্ত ফি নেওয়ায় প্রবাসীদের অভিযোগ বাংলাদেশ-চীন অর্থনৈতিক অঞ্চল শিল্প বিপ্লব ও কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পুঁজি ও কূটনীতির মেলবন্ধনে ট্রিলিয়ন ডলার অর্থনীতির পথরেখা আইসিইউতে ওষুধ-প্রতিরোধী ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ উদ্বেগজনক, মৃত্যুহার ৯০ শতাংশের বেশি: আইসিডিডিআরবি করাচির দুই হাসপাতালে শতাধিক শিশুর এইচআইভি শনাক্ত, নীরব স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ নিট কেলেঙ্কারি ঘিরে চাপের মুখে সরে গেলেন ধর্মেন্দ্র প্রধান, বললেন ‘শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎই অগ্রাধিকার’ ইউরোপজুড়ে দাবানলের তাণ্ডব, স্পেনে প্রথম জাতীয় জরুরি অবস্থা

রাজীবপুরে কৃষি বিভাগের পার্চিং উৎসব

জার্মানবাংলা২৪ রিপোর্ট :
  • প্রকাশের সময়: বৃহস্পতিবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০১৮

আবু সাইদ, রৌমারী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি: ধানের ক্ষতিকর মাজরা পোকা দমনে পার্চিং একটি পদ্ধতি ব্যবহার দিন দিন জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। বিষমুক্ত ভাবে পোকা দমনের এই পদ্ধতি কৃষকদের মাঝে ব্যাপক ভাবে প্রসার ও প্রচার করার লক্ষে কুড়িগ্রাম জেলার রাজীবপুর উপজেলায় শুরু হয়েছে কৃষি বিভাগের উদ্যোগে পার্চিং উৎসব।

বৃহষ্পতিবার রাজীবপুর উপজেলার সদর ইউনিয়নের কলেজ পাড়া ও বটতলা এলাকায় আমন ধানের জমিতে গাছের ডাল ও বাঁশের কঞ্চি পুঁতে আনুষ্ঠিন ভাবে ওই কর্মসূচির শুভ উদ্ধোধন করেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কুমার প্রণয় বিষাণ দাস । এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন উপসহকারী উদ্ভিদ সংরক্ষন কর্মকর্তা খায়রুল ইসলাম, উপজেলার বিভিন্ন বøকে কর্মরত উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা,কৃষক আফসার আলী, হয়রত, জব্বার হোসেন সহ প্রমুখ।

পার্চিং বলতে ফসলি জমিতে লম্বা গাছের ডাল বাঁশের খুঁটি বা কঞ্চি পুতে রাখা এত করে জমিতে বিভিন্ন প্রজাতির পাখি ওই খুঁটিতে বসে জমির উপরি ভাগের দৃশ্যমান পোকা খেয়ে ফসল সুরক্ষা করে।ধানের জমিতে পার্চিং করা হলে প্রাকৃতিক ভাবে পোকা নিয়ন্ত্রন করা যায়।এই পার্চিং করার ফলে জমিতে ক্ষতিকর মাজরা পোকার আক্রমন হয়না। ফসলের উৎপাদন খরচ কমে যায় বিষ প্রয়োগ না করার কারনে পরিবেশ দুষণ হয় না আর্থিক ভাবেও কৃষক লাভবান হয়।

পাচিং উৎসব এর বিষয়ে জানতে চাইলে রাজীবপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কুমার প্রণয় বিষাণ দাস বলেন, প্রতিবছর কৃষকদের উৎসাহ প্রদান করে পার্চিং করা হয়।চলতি আমন মৌসুমে ধানের ফলন নিশ্চিত করতে রোগ ও পোকামাকড় কমাতে উপজেলার প্রতিটি ব্লকে কৃষকদের নিয়ে উৎসব এর আমেজে পার্চিং উৎসব করা হচ্ছে।

শেয়ার করুন:
এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

©germanbanglanews24
Developer Design Host BD