প্রথমে ব্যাট করে বাংলাদেশ তোলে ২৯৬ রান, যেখানে টপ অর্ডারের দৃঢ় ব্যাটিং দলকে শক্ত ভিত দেয়। জবাবে ব্যাট করতে নেমে শুরু থেকেই ধুঁকতে থাকে ক্যারিবীয়রা। মাত্র ৪৬ রানের মধ্যে ৪ উইকেট হারানো ওয়েস্ট ইন্ডিজ পরে আর ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি। ইনিংসের ১৯তম ওভারে আরও দুই ব্যাটারকে ফিরিয়ে দেন রিশাদ হোসেন, যিনি এই ম্যাচে একাই ৩ উইকেট তুলে নেন।
রিশাদের ঘূর্ণি জাদুতে ৮২ রানের মধ্যেই ৮ উইকেট হারায় ওয়েস্ট ইন্ডিজ। তার তৃতীয় শিকার ছিলেন গুড়াকেশ মোতি, যাকে এলবিডব্লু করে রিশাদ সম্পন্ন করেন নিজের তৃতীয় উইকেট ও সিরিজে ১২ উইকেটের অসাধারণ কৃতিত্ব। এটি তিন ম্যাচের কোনো ওয়ানডে সিরিজে বাংলাদেশের স্পিনারদের মধ্যে সর্বোচ্চ সাফল্য—আগের রেকর্ড ছিল ২০১৪ সালে আরাফাত সানির ১০ উইকেট।
শেষদিকে আকিল হোসেনের ২৭ রানের ইনিংস কেবল হারের ব্যবধান কমানোর কাজই করেছে। ১১৭ রানে অলআউট হয় ওয়েস্ট ইন্ডিজ। ফলে ২৯৬ রানের লক্ষ্য তাড়া করার চেষ্টা ভেস্তে যায় তাদের ব্যাটিং ব্যর্থতায়।
সিরিজ শেষে র্যাংকিংয়ে কোনো পরিবর্তন হয়নি—ওয়েস্ট ইন্ডিজ নবম ও বাংলাদেশ দশম স্থানেই রয়ে গেছে। তবে ৭৬ পয়েন্ট নিয়ে টাইগাররা আত্মবিশ্বাস ফিরে পেয়েছে সিরিজ জয়ের মাধ্যমে।