ভাষা সৈনিক
ডাঃ গোলাম মাওলা।
তোমাকে পাবো বলে
জন্ম থেকে আজো খুজি
তোমার পৈত্রিক আলয়ে।
নিজ গ্রাম
পোড়া গাছা,
নিজ বাড়ি ঐতিহ্য মন্ডিত
ও
সম্ভ্রান্ত মুসলিম ঢালী বাড়ি।
নড়িয়া শরীয়তপুরের উর্বর ভুমি
যেখানে জন্মেছ তুমি
উনিশ শ বিশ সালের বিশ অক্টোবর।
যে বাড়িতে বেড়ে উঠেছ তুমি
যেখানে কেটেছে তোমার শৈশব স্মৃতি।
যে বাড়িতে পড়েছ তুমি
শিখেছ লেখা পড়া আর্দশ লিপি
অ আ ক খ গ ঘ ঙ বর্ন গুলি।
আমি হেঁটে হেঁটে দেখি
ঘুরে ঘুরে খুজি
তোমার আর্দশ লিপির
শিক্ষা গুরু যিনি
কে তিনি কারা তিনি?
যারা-ই বা যাদের আদর্শে
করেছ অবিচল বাংলা ভাষা।
করেছ গঠন সর্বদলীয় রাষ্ট ভাষা সংগ্রাম পরিষদ।
করেছ গোপন বৈঠক –
ঢাকা মেডিকেল কলেজে চিকিৎসারত শেখ মুজিব ও তুমি।
নিয়েছ সিদ্ধান্ত বাংলা ভাষার পক্ষ বীর
আব্দুল মতিন, অলি আহাদ, গোলাম মাওলা
তোমরা-ই দিয়েছ ৩ ভোট বাঙ্গালীর।
ভেঙ্গেছ ১৪৪ ধারা
প্রান দিলো মায়ের দামাল ছেলেরা।
শহীদ হলো
বরতক, ছালাম, রফিক,
জাব্বার, সফিক সহ নাম না
জানা আরো অনেকে।
আর তখন তোমার প্রিয় বিদ্যাপিঠ
ঢাকা মেডিকেল কলেজে
গড়েছ ৫২-র ২৩ ফেব্রুয়ারি প্রথম শহীদ মিনার।
বলেছ বাংলা ভাষা,
আমার মায়ের ভাষা।
সেই আদর্শ তোমার পিতা-
প্রেসিডেন্ট হাজী আব্দুল গফুর ঢালী।
সেই আদর্শ তোমার মাতা-
জগৎ বিখ্যাত গর্ভধারিনী।
তোমার চাচাত ভ্রাতা-
তৎকালীন এ্যানট্রান্স মোহাম্মদ আলী মিয়া।
সেই আদর্শ তোমার গৃহ শিক্ষক-
মরহুম মাষ্টার আব্দুল গনি।
আমি তাদের কথা- ই বলি-
যারা তোমাকে শিক্ষা দিয়েছে আদর্শ লিপি
অ আ ক খ গ ঘ ঙ বর্ন গুলি।
এই বিশ্বে তাদের মতো আদর্শ
আর একটি ও নেই।
এই বিশ্ব আজ
মহান ২১- শে ফেব্রুয়ারী
তাদের-ই কথা কয়।
তুমি আহবায়ক
সর্ব দলীয় রাষ্ট ভাষা সংগ্রাম পরিষদ।
ভি পি ঢাকা মেডিকেল কলেজ ছাত্র সংসদ।
ভাষা সৈনিক
ডাঃ গোলাম মাওলা।
তোমাকে পাবো বলে-
জন্ম থেকে আজো খুজি
তোমার পৈত্রিক আলয়ে।