শিরোনাম :
হৃদরোগে আক্রান্ত ৯ বছরের হাবিবুল্লাহ বাঁচতে চায়, চিকিৎসায় প্রয়োজন ৫ লাখ টাকা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ সিপিএ রফিকুল ইসলাম জগলুর বাংলাদেশের উন্নয়ন সহযোগী হিসেবে জাপানের অব্যাহত সহযোগিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বাংলাদেশকে আঞ্চলিক এভিয়েশন হাব হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে কাজ করছে সরকার জার্মানিতে বাংলাদেশ দূতাবাসে অতিরিক্ত ফি নেওয়ায় প্রবাসীদের অভিযোগ বাংলাদেশ-চীন অর্থনৈতিক অঞ্চল শিল্প বিপ্লব ও কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পুঁজি ও কূটনীতির মেলবন্ধনে ট্রিলিয়ন ডলার অর্থনীতির পথরেখা আইসিইউতে ওষুধ-প্রতিরোধী ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ উদ্বেগজনক, মৃত্যুহার ৯০ শতাংশের বেশি: আইসিডিডিআরবি করাচির দুই হাসপাতালে শতাধিক শিশুর এইচআইভি শনাক্ত, নীরব স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ নিট কেলেঙ্কারি ঘিরে চাপের মুখে সরে গেলেন ধর্মেন্দ্র প্রধান, বললেন ‘শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎই অগ্রাধিকার’

বেইজিংয়ে আন্তর্জাতিক বন্ধুত্ব সম্মেলনে চীনা প্রেসিডেন্টের ভাষণ

আন্তর্জাতিক:
  • প্রকাশের সময়: শনিবার, ১২ অক্টোবর, ২০২৪

অক্টোবর ১১, (শুক্রবার) চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং বেইজিংয়ে গণ-মহাভবনে আন্তর্জাতিক বন্ধুত্ব সম্মেলন অর্থাত্ চীনের ‘পিপলস অ্যাসোসিয়েশন ফর ফ্রেন্ডশিপ উইথ ফরেন কান্ট্রিজের’ ৭০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারী বিদেশি প্রতিনিধিদের সঙ্গে দেখা করেছেন

সি চিন পিং প্রথমে বিদেশি প্রতিনিধিদের সঙ্গে ছবি তোলেন এবং চীনের বন্ধুত্বপূর্ণ কাজের প্রতি তাদের সমর্থনের প্রশংসা করেন।

তিনি উল্লেখ করেন, জনগণের বন্ধুত্ব হল আন্তর্জাতিক সম্পর্ক স্থিতিশীলভাবে উন্নয়নের ভিত্তি এবং বিশ্বের শান্তি ও উন্নয়ন এগিয়ে নেওয়ার শক্তি। গণ-প্রজাতন্ত্রী চীন প্রতিষ্ঠার ৭৫ বছরে, চীনের কমিউনিস্ট পার্টি চীনা জনগণকে নেতৃত্ব দিয়ে নিজের উন্নয়নের সাথে বৈশ্বিক কল্যাণকর আধুনিকায়নের পথ খুঁজে পেয়েছে। চীনের অর্জিত বিভিন্ন খাতের সাফল্য বিশ্বের বিভিন্ন দেশের জনগণের সমর্থনের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে জড়িত। অনেক বিদেশি বন্ধু চীনা জনগণের সঙ্গে কাজ করছেন। অনেক বিদেশি প্রতিষ্ঠান, সংস্থা, ব্যক্তি সক্রিয়ভাবে চীনের সমাজতান্ত্রিক আধুনিকায়নের নির্মাণে অংশ নিয়েছেন। এতে জয়-জয় সাফল্য ছাড়াও চীন ও বিদেশের বন্ধুত্বপূর্ণ বিনিময় ও সহযোগিতাকে গুরুত্ব দেওয়া হয়। চীনের উন্নয়নে সবার গুরুত্বপূর্ণ অবদান এবং চীনা জনগণের সাথে তাদের আন্তরিক মৈত্রী- চীন সবসময় মনে রাখবে।

সি চিন পিং জোর দিয়ে বলেন, চীন বিভিন্ন দেশের বন্ধুদের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ বিনিময় জোরদার করা, বেসরকারি কূটনীতির বিশেষ ভূমিকা পালন করা এবং যৌথভাবে মানবজাতির অভিন্ন কল্যাণের সমাজ গড়তে চায়। এজন্য তিনি কয়েকটি প্রস্তাব উত্থাপন করেছেন।

এক, মানবজাতির অভিন্ন কল্যাণের সমাজ গঠনে ব্যাপকভাবে একমত হতে হবে।
দুই, সহযোগিতা ও উভয় কল্যাণের চেতনায় মানবজাতির অভিন্ন কল্যাণের সমাজ গঠনে শক্তিশালী শক্তি যোগাতে হবে।
তিন, উন্মুক্তকরণ ও সহনশীলতার মনোভাবে মানবজাতির অভিন্ন কল্যাণের সমাজ গঠনের চিত্র রচনা করতে হবে।

তিনি জোর দিয়ে বলেন, সিপিসি জনগণের সেবা করার পার্টি, চীন সরকার জনগণের সরকার, চীনের কূটনীতি জনগণের জন্য। চীন সরকার অব্যাহতভাবে চীন ও বিদেশের বন্ধুত্ব সম্প্রসারণ করবে।

সূত্র: শুয়েই-তৌহিদ-জিনিয়া, চায়না মিডিয়া গ্রুপ।

শেয়ার করুন:
এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

©germanbanglanews24
Developer Design Host BD