শিরোনাম :
হৃদরোগে আক্রান্ত ৯ বছরের হাবিবুল্লাহ বাঁচতে চায়, চিকিৎসায় প্রয়োজন ৫ লাখ টাকা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ সিপিএ রফিকুল ইসলাম জগলুর বাংলাদেশের উন্নয়ন সহযোগী হিসেবে জাপানের অব্যাহত সহযোগিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বাংলাদেশকে আঞ্চলিক এভিয়েশন হাব হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে কাজ করছে সরকার জার্মানিতে বাংলাদেশ দূতাবাসে অতিরিক্ত ফি নেওয়ায় প্রবাসীদের অভিযোগ বাংলাদেশ-চীন অর্থনৈতিক অঞ্চল শিল্প বিপ্লব ও কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পুঁজি ও কূটনীতির মেলবন্ধনে ট্রিলিয়ন ডলার অর্থনীতির পথরেখা আইসিইউতে ওষুধ-প্রতিরোধী ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ উদ্বেগজনক, মৃত্যুহার ৯০ শতাংশের বেশি: আইসিডিডিআরবি করাচির দুই হাসপাতালে শতাধিক শিশুর এইচআইভি শনাক্ত, নীরব স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ নিট কেলেঙ্কারি ঘিরে চাপের মুখে সরে গেলেন ধর্মেন্দ্র প্রধান, বললেন ‘শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎই অগ্রাধিকার’

বিচার বিভাগের স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠায় প্রশাসনিক, নৈতিক ও সংবিধানিক শক্তির প্রয়োজন

জার্মান-বাংলা ডেস্ক, ঢাকা অফিস:
  • প্রকাশের সময়: শনিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৫

প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদ শনিবার রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের ৭২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে অংশ নিয়ে বলেছেন, জুলাই বিপ্লব-পরবর্তী নতুন বাস্তবতায় বিচার বিভাগের প্রকৃত স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠার জন্য প্রশাসনিকভাবে স্বয়ংসম্পূর্ণ, নৈতিকভাবে সাহসী এবং সংবিধানিকভাবে শক্তিশালী ব্যবস্থা গড়ে তোলা অপরিহার্য।

তিনি বলেন, আইন শুধুমাত্র নিয়মের সমষ্টি নয়, এটি জাতির নৈতিক বিবেকের প্রতিফলন। ন্যায় প্রতিষ্ঠিত হলে রাষ্ট্র দৃঢ় হয়, আর ন্যায় ব্যর্থ হলে সবচেয়ে শক্তিশালী রাষ্ট্রও ভেঙে পড়ে। রাষ্ট্র যখন নাগরিকদের মর্যাদা রক্ষায় ব্যর্থ হয় এবং কণ্ঠরোধ করে, তখন ন্যায়ের জন্য লড়াই করা নৈতিকভাবে অপরিহার্য হয়ে ওঠে।

প্রধান বিচারপতি বিচার বিভাগ সংস্কারের রোডম্যাপ, প্রাতিষ্ঠানিক স্বাধীনতা এবং আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর ন্যায়বিচার ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার গুরুত্বের ওপর জোর দেন। তিনি আইনের অধ্যয়নকে কেবল পেশাগত প্রশিক্ষণ হিসেবে দেখার পরিবর্তে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার সাধনা হিসেবে মূল্যায়ন করার আহ্বান জানান। প্রত্যেক আইনের পেছনে একটি জীবন এবং প্রতিটি রায়ের পেছনে একটি ভাগ্য নিহিত রয়েছে, যা ন্যায়ের প্রকৃত মান নিরপেক্ষতা ও মানবিক বিচারে নিহিত।

তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের অবদানকে স্মরণ করে বলেন, ভবিষ্যতে এমন আইনজ্ঞ তৈরি হবে, যারা কেবল জ্ঞানই নয়, মানবিকতাতেও আলোকিত হবে।

অনুষ্ঠানটি বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের সভাপতি ড. সায়েদা আঞ্জুর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। উপস্থিত ছিলেন উপাচার্য অধ্যাপক সালেহ হাসান নকীব, উপ-উপাচার্য অধ্যাপক মাঈন উদ্দিন, সুপ্রীম কোর্টের আপীল বিভাগের বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী, বিচারপতি এস.এম. এমদাদুল হক, বিচারপতি এ.কে.এম. আসাদুজ্জামানসহ অন্যান্য হাইকোর্ট ও আপীল বিভাগের বিচারপতি মহোদয়বৃন্দ। এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন অনুষদের ডিন, সম্মানিত শিক্ষকবৃন্দ, আইনজীবী, শিক্ষাবিদ ও নবীন আইনস্নাতকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

শেয়ার করুন:
এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

©germanbanglanews24
Developer Design Host BD