শিরোনাম :
ভালোবাসা, মর্যাদা ও বৈচিত্র্যের বার্তা নিয়ে অনুষ্ঠিত হচ্ছে ঢাকা প্রাইড ২০২৬ অপরাধমুক্ত সমাজ গঠন ও ট্রাফিক ব্যবস্থার আধুনিকায়নে সরকার দৃঢ়প্রতিজ্ঞ: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ৪০ বছর পর জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতির পদে বাংলাদেশের জয় অর্থনীতিকে নিয়ন্ত্রণমুক্ত ও গণতন্ত্রীকরণের মাধ্যমে জনগণের প্রত্যাশা পূরণের বাজেট দেওয়া হচ্ছে : অর্থমন্ত্রী পরিবেশমন্ত্রীর সঙ্গে ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূতের সৌজন্যে সাক্ষাৎ ‘ফেয়ারওয়েল মাই কনকিউবাইন’ থেকে নতুন আইপি বাণিজ্য-কানে চীনা সিনেমার নতুন অধ্যায় চিপ শিল্পে নতুন সমীকরণ: ‘থাও সূত্র’ ঘিরে বৈশ্বিক প্রযুক্তি মহলে আলোচনা ভারতের নয়াদিল্লীতে অনুষ্ঠিত হবে বিজিবি-বিএসএফ মহাপরিচালক পর্যায়ের ৫৭তম সীমান্ত সম্মেলন সততা, দায়িত্ববোধ ও সমন্বিত প্রচেষ্টায় জনগণের প্রত্যাশা পূরণ করতে হবে :মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষিমন্ত্রী দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও রোহিঙ্গা সংকটের টেকসই সমাধানের ওপর গুরুত্বারোপ

বিচার বিভাগের স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠায় প্রশাসনিক, নৈতিক ও সংবিধানিক শক্তির প্রয়োজন

জার্মান-বাংলা ডেস্ক, ঢাকা অফিস:
  • প্রকাশের সময়: শনিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৫

প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদ শনিবার রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের ৭২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে অংশ নিয়ে বলেছেন, জুলাই বিপ্লব-পরবর্তী নতুন বাস্তবতায় বিচার বিভাগের প্রকৃত স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠার জন্য প্রশাসনিকভাবে স্বয়ংসম্পূর্ণ, নৈতিকভাবে সাহসী এবং সংবিধানিকভাবে শক্তিশালী ব্যবস্থা গড়ে তোলা অপরিহার্য।

তিনি বলেন, আইন শুধুমাত্র নিয়মের সমষ্টি নয়, এটি জাতির নৈতিক বিবেকের প্রতিফলন। ন্যায় প্রতিষ্ঠিত হলে রাষ্ট্র দৃঢ় হয়, আর ন্যায় ব্যর্থ হলে সবচেয়ে শক্তিশালী রাষ্ট্রও ভেঙে পড়ে। রাষ্ট্র যখন নাগরিকদের মর্যাদা রক্ষায় ব্যর্থ হয় এবং কণ্ঠরোধ করে, তখন ন্যায়ের জন্য লড়াই করা নৈতিকভাবে অপরিহার্য হয়ে ওঠে।

প্রধান বিচারপতি বিচার বিভাগ সংস্কারের রোডম্যাপ, প্রাতিষ্ঠানিক স্বাধীনতা এবং আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর ন্যায়বিচার ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার গুরুত্বের ওপর জোর দেন। তিনি আইনের অধ্যয়নকে কেবল পেশাগত প্রশিক্ষণ হিসেবে দেখার পরিবর্তে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার সাধনা হিসেবে মূল্যায়ন করার আহ্বান জানান। প্রত্যেক আইনের পেছনে একটি জীবন এবং প্রতিটি রায়ের পেছনে একটি ভাগ্য নিহিত রয়েছে, যা ন্যায়ের প্রকৃত মান নিরপেক্ষতা ও মানবিক বিচারে নিহিত।

তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের অবদানকে স্মরণ করে বলেন, ভবিষ্যতে এমন আইনজ্ঞ তৈরি হবে, যারা কেবল জ্ঞানই নয়, মানবিকতাতেও আলোকিত হবে।

অনুষ্ঠানটি বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের সভাপতি ড. সায়েদা আঞ্জুর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। উপস্থিত ছিলেন উপাচার্য অধ্যাপক সালেহ হাসান নকীব, উপ-উপাচার্য অধ্যাপক মাঈন উদ্দিন, সুপ্রীম কোর্টের আপীল বিভাগের বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী, বিচারপতি এস.এম. এমদাদুল হক, বিচারপতি এ.কে.এম. আসাদুজ্জামানসহ অন্যান্য হাইকোর্ট ও আপীল বিভাগের বিচারপতি মহোদয়বৃন্দ। এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন অনুষদের ডিন, সম্মানিত শিক্ষকবৃন্দ, আইনজীবী, শিক্ষাবিদ ও নবীন আইনস্নাতকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

শেয়ার করুন:
এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
১০১১১২১৩১৪
১৫১৬১৭১৮১৯২০২১
২২২৩২৪২৫২৬২৭২৮
২৯৩০  
©germanbanglanews24
Developer Design Host BD