শিরোনাম :
টেকসই প্রবৃদ্ধিতে এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় সহযোগিতার নতুন দিকনির্দেশনা ২৮তম শাংহাই চলচ্চিত্র উৎসবের পর্দা নামল রেলওয়ের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন, পাঁচ বছরে ২৪ লাখ গাছ লাগানোর লক্ষ্য পেনাল্টি মিসের হতাশা ভুলে ইতিহাস গড়লেন মেসি, অস্ট্রিয়াকে হারিয়ে নকআউটে আর্জেন্টিনা জুলাই অভ্যুত্থান ঘিরে অভিযোগ: ঢাবির তিন শিক্ষক সাময়িক বরখাস্ত, আরও দুজনের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা বিশ্ব সঙ্গীত দিবসে সুরের মিলনমেলা, দুই দিনের আয়োজন শেষ করল সঙ্গীত সংগঠন সমন্বয় পরিষদ ফ্রান্সে রেকর্ড দাবদাহে দুই দিনে প্রাণ গেল ১৮ জনের নতুন এল নিনোর প্রভাবে বিপর্যয়ের আশঙ্কা, উষ্ণ হতে পারে ২০২৭ সাল সাড়ে তিন মাস পর হরমুজ প্রণালি পেরোল ‘বাংলার জয়যাত্রা’ বিশ্বকাপে টানা দ্বিতীয় জয়, নকআউট নিশ্চিত করল নরওয়ে

পর্তুগাল সেন্ট্রাল মসজিদের ৫০ বছর পূর্তি উদযাপিত 

জার্মানবাংলা২৪ রিপোর্ট :
  • প্রকাশের সময়: বুধবার, ৩১ অক্টোবর, ২০১৮

মোঃ রাসেল আহম্মেদ, লিসবন পর্তুগাল: পর্তুগালের সেন্ট্রাল মসজিদ বা লিসবন ইসলামিক কমিউনিটি – সিল, অথবা পর্তুগিজে “কমুনিদাদ ইস্লামিকা দি লিসবয়া” এর ৫০ বছর পূর্তি উদযাপন উপলক্ষে ৬ মাস ব্যাপী আয়োজিত কর্মসূচীর পরিসমাপ্তি হয়েছে গত শুক্রবার।

২৬ অক্টোবর ২০১৮ ছিল এই উৎসবের শেষ দিন। এইদিন উপস্থিত ছিলেন, কাবা শরিফের ইমাম ও সৌদি রাজ প্রসাদের উপদেষ্টা শাইখ সালে বিন আব্দুল্লাহ হামিদ, পর্তুগালের সবচেয়ে জনপ্রিয় প্রধানমন্ত্রী জনাব অ্যান্থনিয় কোস্টা, লিসবন মিউনিসিপালের মেয়র জনাব ফারনান্দ মেদিনা, লিসবন সিটি কাউন্সিলর জনাব রানা তসলিম উদ্দিন সহ পর্তুগালের বিভিন্ন ধর্মীয় সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, সরকারী প্রশাসনিক কর্মকর্তাবৃন্দ, বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূতগন ও সমাজের নেতৃত্বস্থানীয় মানুষ জন।

এবছর মার্চ মাসে “সিল” এর ৫০ বছর পূর্তি উৎসব পালনের কর্মসূচী শুরু হয়। তখন পর্তুগালের প্রেসিডেন্ট, প্রাইম মিনিস্টার, স্পীকার, পূর্বের প্রাইম মিনিস্টার ও প্রেসিডেন্টগণ, জাতিসঙ্গের সেক্রেটারি জেনারেল, বিভিন্ন ধর্মের ঊর্ধ্বতন নেতৃবৃন্দ ও পর্তুগালের অন্যান্য সরকারী প্রশাসনিক কর্মকর্তাগন উপস্থিত ছিলেন।

১৯৮৪ সালে বর্তমান মসজিদের উদ্ভোদন হওয়ার পর থেকে পর্তুগালের সব দলের প্রধান মন্ত্রী ও প্রেসিডেন্টগণ এই মসজিদ পরিদর্শন করেন। এছাড়াও সৌদি প্রিন্স সহ আন্তর্জাতিক মুসলিম নেতৃবৃন্দও এই মসজিদে আসেন। বিশ্বের প্রায় সকল দেশের দূতাবাসও এই মসজিদের উন্নয়নের জন্য অকাতরে দান করেন। মসজিদের পার্শ্ববর্তী রাস্তার নাম বদলিয়ে “মসজিদ রোড” নামকরনের উদ্ভোদন করেন সৌদি প্রিন্স।

উল্লেখ্য ১৯৬৮ সালের মার্চ মাসে প্রথম গুটি কয়েক ভারতীয় বংশোদ্ভূত মোজাম্বিকান পর্তুগালে পড়াশোনা করতে এসে প্রথম একটি মসজিদ নির্মাণের স্বপ্ন দেখেন। তাঁদের মধ্যে ডঃ সুলেমান ভালী মাহমেদ ছিলেন অন্যতম। তারা প্রথমে লিসবনের প্রিন্সিপ রিয়েলে কাঠের তৈরি একটি জামাত খানা তৈরি করেন। তারপর ১৯৭৯ সালে ডঃ সুলেমান ভালী মাহমেদ তৎকালীন পর্তুগালের গনতন্ত্রের মানসপুত্র, স্বাধীনতার স্বপ্নদ্রশঠা ও পর্তুগালের প্রেসিডেন্ট ডঃ মারিও সোয়ারেস এর কাছে মসজিদের জন্য জায়গা চাইলে প্রেসিডেন্ট বর্তমান সেন্ট্রাল মসজিদের জায়গাটি দান করেন।

নানা রকম চড়াই উৎরাই পেরিয়ে “সিল” এর বর্তমান প্রেসিডেন্ট ডঃ আব্দুল মাজিদ ভাকিল, তার ভাই ডাঃ ইদ্রিস ভাকিল সহ অন্যান্য প্রতিষ্ঠা সদস্যরা মিলে আজকের এই বিশাল পর্তুগাল সেন্ট্রাল মসজিদ তথা লিসবন ইসলামিক কমিউনিটির রুপ দান করেন।

একটি প্রামাণ্যচিত্রের মাধ্যমে বিগত ৫০ বছরের ঐতিহাসিক ঘটনাগুলো উপস্থাপন করা হয়।
পর্তুগালের প্রধানমন্ত্রী জনাব অ্যান্থনিয় কোস্টা তার বক্তব্যে এই মুসলিম কমিউনিটির ভূয়সী প্রশংসা করে বাংলাদেশিদেরও নাম উল্লেখ করেন। মুসলিম কমিউনিটির সব কাজ গুলো যাতে করে পর্তুগাল ও পর্তুগালের মানুষের জন্য হয়, তিনি এই কামনা করে ৫০ বছর পূর্তি উৎসবের সমাপ্তি ঘোষণা করেন।

শেয়ার করুন:
এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
১০১১১২১৩১৪
১৫১৬১৭১৮১৯২০২১
২২২৩২৪২৫২৬২৭২৮
২৯৩০  
©germanbanglanews24
Developer Design Host BD