জার্মানবাংলা২৪ ডটকম: সড়কে মৃত্যুর মিছিল দিন দিন বড়ই হচ্ছে। চালকদের বেপরোয়ারা গাড়ি চালানোর ফলে অধিকাংশ দূর্ঘটনা ঘটছে। রোবরার ২৯ জুলাই একই কারণে রাজধানীর বিমানবন্দর সড়কে দুই বাসের অসম প্রতিযোগিতায় অকালে প্রাণ গেল দুই স্কুল শিক্ষার্থীর।
ঘটনা সূত্রে জানা গেছে, জাবালে নূর ও নূরে মক্কা পরিবহনের সঙ্গে পাল্লা দেয়ার সময় জাবালে নূর পরিবহন পথচারী শিক্ষার্থীদের চাপা দেয়। শিক্ষার্থীদের প্রাণ কেড়ে নেয়া ওই জাবালে নুর পরিবহনের মালিক নৌমন্ত্রী শাহজাহান খানের শ্যালক নান্নু। তিনি ওই কোম্পানির একজন প্রভাবশালী ডিরেক্টর বলে জানিয়েছেন পরিবহন খাতের একটি বিশ্বস্ত সূত্র ।

দুর্ঘটনার পর বিক্ষুদ্ধ ছাত্ররা বাসে আগুন ধরিয়ে দেয়
জানা গেছে, জাবালে নুর কোম্পানির চেয়রম্যান মো. জাকির। এ বিষয়ে জানতে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলেও তার মোবাইল ব্যস্ত পাওয়া যায়। আর যে বাস শিক্ষার্থীদের চাপা দেয় সেই বাসের মালিক শাহাদাত। তিনিও ওই কোম্পানির ডিরেক্টর।
নূরে মক্কা কোম্পানির ভাইস চেয়ারম্যান খোরশেদ আলম মোবাইলে বলেন, ‘ঘটনার সময় আমি মতিঝিলে ছিলাম। সেখানেই মোবাইলে আমি ঘটনা সম্পর্কে জানতে পেরেছি। আমার ২০ টি গাড়ি পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে বলে শুনেছি। আমি এখন ঘটনাস্থলে যাচ্ছি।’

পুলিশের উপস্থিতিতেই গাড়ি ভাঙার চেষ্টা শিক্ষার্থীদের
এদিকে রোববার দুপুরে সচিবালয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে নৌপরিবহনমন্ত্রী শাজাহান খান বলেন, ‘শিক্ষার্থী নিহত হওয়ার ঘটনায় জড়িতদের শাস্তি পেতেই হবে। যে যতটুকু অপরাধ করবে, সে সেভাবে শাস্তি পাবে। শাস্তির বিষয়ে মতবিরোধিতার কোনো সুযোগ নেই।’
প্রসঙ্গত, রোববার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে বিমানবন্দর সড়কের বাঁ পাশে বাসের জন্য অপেক্ষা করার সময় জাবালে নূর পরিবহনের বাসের চাপায় রমিজ উদ্দিন ক্যান্টনমেন্ট কলেজের দুই শিক্ষার্থী নিহত হন। আহত হন আরও ১২ জন।
ক্যান্টনমেন্ট থানা পুলিশ জানায়, নূরে মক্কা (ঢাকা মেট্রো ব -৭৬৫৭) এবং জাবালে নূর (ঢাকা মেট্রো ব-৯২৯৭) বাস অনিয়ন্ত্রিত গতিতে রেষারেষি করে শিক্ষার্থীদের চাপা দেয়।