শিরোনাম :
সিসিলির জাদুঘর থেকে রেনেসাঁ যুগের ‘অমূল্য’ চার চিত্রকর্ম চুরি দুর্যোগ মোকাবিলায় সক্ষমতা বৃদ্ধি চীনের আধুনিকায়নের জন্য গুরুত্বপূর্ণ: সি চিন পিং ডারউইন জয় বিশ্ব ক্রিকেটে বাংলাদেশের নতুন পরিচয়, প্রশংসায় সাবেক তারকা ও বিশ্লেষকরা রাজধানীতে নারীদের জন্য ‘পিংক বাস’ চালু বিএনপি সরকারের ১৮০ দিন পূর্তি আজ, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে মতবিনিময় সেপ্টেম্বরে রূপপুরের প্রথম ইউনিট থেকে পরীক্ষামূলকভাবে জাতীয় গ্রিডে ৩০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ ভূমধ্যসাগরে ১১ দিন ভেসে থাকার পর নৌকায় অন্তত ১১ জনের মৃত্যু, ৯ জনই বাংলাদেশি কলম্বিয়ায় শক্তিশালী ভূমিকম্পে নিহত ২৯৪, নিখোঁজ ৩২০ পরিবেশ সুরক্ষা ও উন্নয়নের ভারসাম্যে চীনের সাফল্যের প্রশংসায় জাতিসংঘ ফিল্ডস পদক চীনের বিশ্বমানের গণিত গবেষণার প্রমাণ: মার্টিন হেয়ার

নীলক্ষেত ক্রসিং অবরোধ করেন ঢাবির অধিভুক্ত সাত কলেজের শিক্ষার্থীরা

জার্মানবাংলা২৪ রিপোর্ট :
  • প্রকাশের সময়: বুধবার, ২৪ এপ্রিল, ২০১৯

বুধবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে নিউমার্কেট সংলগ্ন নীলক্ষেত মোড় অবরোধ করা হয়। পাঁচ দফা দাবিতে দ্বিতীয় দিনের মতো নীলক্ষেত মোড়ে অবরোধ করছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত সাত কলেজের শিক্ষার্থীরা।

এর আগে মঙ্গলবার পাঁচ দফা দাবিতে সকাল সাড়ে ১০টা থেকে বেলা আড়াইটা পর্যন্ত মিরপুর সড়কের নীলক্ষেত ক্রসিং অবরোধ করেন ঢাবির অধিভুক্ত সাত কলেজের শিক্ষার্থীরা।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অধিভুক্ত হওয়া সরকারি সাত কলেজে সেশনজট নিরসন, ত্রুটিপূর্ণ ফল সংশোধন এবং ফল প্রকাশের দীর্ঘসূত্রতা দূর করাসহ নানা সমস্যা সমাধানের দাবিতে সড়ক অবরোধ করছেন শিক্ষার্থীরা।

শিক্ষার্থীদের দাবি, পূর্ব পরিকল্পনা ছাড়াই ২০১৭ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি ঢাকার ঐতিহ্যবাহী সাত কলেজকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত করা হয়। কলেজগুলো হলো ঢাকা কলেজ, ইডেন মহিলা কলেজ, বেগম বদরুন্নেসা সরকারি মহিলা কলেজ, সরকারি তিতুমীর কলেজ, কবি নজরুল ইসলাম কলেজ, সরকারি শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজ ও সরকারি বাঙলা কলেজ। ঢাবি’র অধিভুক্ত হওয়ার পর থেকেই সাত কলেজে নেমে আসে কালো অধ্যায়।

তারা আরো অভিযোগ করেন, অধিভুক্ত হওয়ার প্রায় ২ বছর ২ মাস পরও সাত কলেজ কোনো আলোর মুখ দেখতে পাচ্ছে না। হাজারো সমস্যায় পড়ে রয়েছে এই কলেজগুলো। ডিগ্রি, অনার্স, মাস্টার্স সাত কলেজের প্রায় আড়াই লাখ শিক্ষার্থীর জীবন হুমকির মুখে।

শিক্ষার্থীরা দাবি করেছেন, ডিগ্রি, অনার্স, মাস্টার্স সেশনগুলোর কোন বর্ষের পরীক্ষা কখন হবে শিক্ষার্থীরা তা জানে না। প্রত্যেক বর্ষের পরীক্ষার রুটিন প্রকাশ করা হয় পরীক্ষার ঠিক আগ মুহূর্তে। একটি বর্ষের পরীক্ষা নেওয়া হয় প্রায় ২/৩ মাস ধরে। যেসব বর্ষের প্র্যাক্টিক্যাল পরীক্ষা আছে তা পরীক্ষার পরপরই নেওয়া হয় না। ফল প্রকাশে নেওয়া হচ্ছে দীর্ঘ সময়। তা কখনও ৮/৯ মাস আবার কখনো এক বছর। ফল প্রকাশের পর তা হয় ভুলে ভরা, কখনও সিজিপিএ থাকে না, কখনও ফলের জায়গায় NW আসে। প্রমোটেড, নন প্রমোটেড নিয়ে শিক্ষার্থীরা পড়ে যায় বিশেষ ধন্দে। আর ফলাফল হয় প্রায় ৯৫ শতাংশ অকৃতকার্য। এসব সমস্যা সমাধানের দাবিতে আন্দোলন করছেন বলে দাবি শিক্ষার্থীদের।

এ সময় তারা সাত কলেজের নানা সমস্যা তুলে ধরে বিভিন্ন স্লোগান দেন। ‘গণহারে আর ফেল নয়, যথাযথ রেজাল্ট চাই’, ‘শিক্ষা কোনও পণ্য নয়, শিক্ষা নিয়ে ব্যবসা নয়’, ‘গণহারে ফেল, ঢাবি তোমার খেল’, ‘বন্ধ কর অনাচার, সাত কলেজের আবদার’, ‘নিচ্ছ টাকা দিচ্ছ বাঁশ, সময় শেষে সর্বনাশ’- এসব স্লোগান দেওয়া হয় বিক্ষোভে।

শেয়ার করুন:
এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩১৪১৫১৬
১৭১৮১৯২০২১২২২৩
২৪২৫২৬২৭২৮২৯৩০
৩১  
©germanbanglanews24
Developer Design Host BD