শিরোনাম :
গাজায় শিশু হত্যাকে যুদ্ধাপরাধ বলছে জাতিসংঘ, ইসরায়েলের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ তারেক রহমানের সফরে কৌশলগত অংশীদারত্বে নতুন গতি আসবে বাংলাদেশি নির্মাতার প্রথম চলচ্চিত্রেই আন্তর্জাতিক পুরস্কার টেকসই উন্নয়ন ও উদ্ভাবনের নতুন পথ খুঁজছে দাভোস ফোরাম ঢাকা-বেইজিং সম্পর্কের ভবিষ্যৎ নিয়ে আশাবাদী চীনা রাষ্ট্রদূত রোহিঙ্গা ও স্থানীয় জনগোষ্ঠীর সহায়তায় ১৬ মিলিয়ন ডলারের চুক্তি স্বাক্ষর রপ্তানি আয় ও কর্মসংস্থানে ভেনামি চিংড়ি হতে পারে নতুন চালিকাশক্তি নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে মৌলিক গবেষণার ওপর জোর দিলেন কৃষিমন্ত্রী টেকসই প্রবৃদ্ধিতে এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় সহযোগিতার নতুন দিকনির্দেশনা ২৮তম শাংহাই চলচ্চিত্র উৎসবের পর্দা নামল

‘তরুণরা সক্রিয় থাকলে দেশের কোনো সমস্যাই অমীমাংসিত থাকতে পারে না’

ঢাকা অ‌ফিস, ডেস্ক রি‌পোর্ট
  • প্রকাশের সময়: সোমবার, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৫

অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, তরুণরা যদি সক্রিয় ও উদ্যমী হয়ে কাজ করে, তাহলে দেশের কোনো সমস্যাই চিরস্থায়ী ও অমীমাংসিত থাকবে না। তার মতে, তরুণদের রয়েছে এমন শক্তি যে তারা দেশকে অচল থেকে গতিশীল পর্যায়ে ফিরিয়ে আনতে পারে।

সোমবার (১৫ সেপ্টেম্বর) রাজধানীতে ‘ইয়ুথ ভলান্টিয়ার অ্যাওয়ার্ড-২০২৫’ অনুষ্ঠানে প্রধান উপদেষ্টা এই কথা বলেন। পুরস্কারপ্রাপ্ত তরুণদের উৎসাহ দিয়ে তিনি বলেন, তরুণরা আজ শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়। তারা স্বাস্থ্যসেবা, পরিবেশ রক্ষা, দারিদ্র্য কমানো ও সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায়ও কাজ করছে।

তিনি বলেন, যদি আমাদের তরুণরা উদ্ভাবনী শক্তিতে বলীয়ান হয়, উদ্যম রাখে, তাহলে শিক্ষার সুযোগ, স্বাস্থ্যে উন্নয়ন, পরিবেশের সুরক্ষা—এসব যেখানে আমাদের অভাব রয়েছে। সেই সব বিষয় আমরা গড়ে তুলতে পারব।

প্রধান উপদেষ্টার বক্তব্য ছিল, তরুণরা শুধু স্বেচ্ছাসেবক হিসেবেই নয়, সমাজের নীতি নির্ধারক এবং পরিবর্তনের নেতৃত্ব দিতে পারবে। তাদের মধ্যে আত্মবিশ্বাস, দক্ষতা এবং নেতৃত্বের গুণাবলী বিকাশ করতে হবে।

তিনি বলেন, আজকের পুরস্কার কেবল স্বীকৃতি নয়; এ একটি আহ্বান তোমাদের জন্য—আরও সাহসী হও, নতুন ধারণা আনো এবং এগিয়ে চলো।

তিনি আরও যোগ করেন, তরুণদের স্বেচ্ছাসেবা করা মানে শুধু অন্যদের সেবা করা নয়, নিজের চরিত্র গঠন করা, নেতৃত্বের গুণ তৈরি করা ও দেশের উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে সক্রিয়ভাবে অংশ নেওয়া।

প্রধান উপদেষ্টা যুবদের প্রতি বলেন, ছোট ছোট কাজও বড় পরিবর্তন আনতে পারে। যেমন, শিক্ষায় সামান্য প্রগতি, স্বাস্থ্য সেবায় একটি ভালো উদ্যোগ, পরিবেশ রক্ষায় মিলিত প্রচেষ্টা—এসব মিলিয়ে আমাদের ভবিষ্যত গড়ে উঠতে পারে।

তিনি স্বীকার করেন, সমাজের পথে বাধা বহু রয়েছে—সময়, অর্থ, মানসিক চাপ এসব সমস্যা থাকবে। তবে এসব অতিক্রম করেই হতাশা নয়, ধৈর্য ও সহনশীলতার সঙ্গে এগিয়ে যেতে হবে।

শেষে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, তরুণদের শক্তি, মেধা ও সৃজনশীলতার ওপর ভর করেই ভবিষ্যতের বাংলাদেশ গড়া সম্ভব। একসাথে কাজ করলে এবং নেতৃত্বের দায়িত্ব নিয়ে তরুণরা দেশকে উন্নত, যুক্তিসমৃদ্ধ ও উদ্ভাবনপন্থী রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে পারে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, তরুণরা সক্রিয় থাকলেই কোনো সমস্যাই আমাদের বিজয়কে থামাতে পারবে না।

শেয়ার করুন:
এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
১০১১১২১৩১৪
১৫১৬১৭১৮১৯২০২১
২২২৩২৪২৫২৬২৭২৮
২৯৩০  
©germanbanglanews24
Developer Design Host BD