শিরোনাম :
মধ্যপ্রাচ্যে বাড়ছে স্ক্যাফোল্ডারের চাহিদা, দক্ষ জনবল তৈরিতে এনএসডিএর উদ্যোগ সাংবিধানিকভাবে সকলের পরিচয় একটাই – ‘বাংলাদেশী’: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তিন বন্ধ পাটকল চালু করতে প্রাণ-আরএফএল ও হ্যামকোর সঙ্গে চুক্তি তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নে উত্তরাঞ্চলের সমৃদ্ধি: ত্রাণমন্ত্রী ফ্রাঙ্কফুর্ট ও আশপাশে গুরুত্বপূর্ণ পাঁচ ঘটনা: রেলপথে বিঘ্ন, দাবানল, যানজট, বিমানবন্দর অভিযান ও সূর্যগ্রহণের প্রস্তুতি আলবার্ট আইনস্টাইন: কৌতূহল ও অধ্যবসায়ের অনন্য দৃষ্টান্ত শিশুদের পড়িয়ে, হাটে বড়ই বিক্রি করে এসএসসিতে এ প্লাস পেল দুর্জয় রোডেনবাখে বনাঞ্চলে আগুন, বড় ধরনের ফায়ার সার্ভিস জার্মানিতে অর্থনীতি ও রেল খাতে সংস্কারে নতুন উদ্যোগ রিয়াদের কারখানায় আগুনে নিহত ১৬ বাংলাদেশি, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের শোক

জার্মানির ছোঁয়াচে ফ্লু!

জার্মানবাংলা২৪ রিপোর্ট :
  • প্রকাশের সময়: বৃহস্পতিবার, ২২ মার্চ, ২০১৮
Fatama Rahman Ruma

শীতের দেশে ফ্লু খুব স্বাভাবিক সমস্যা। শারীরিক অসুস্থতার কারণ হিসাবে ফ্লু এখানে খুব কমন। সিজন চেঞ্জ বা ঋতু পরিবর্তনের সময় সমস্যাটি প্রকট আকার ধারণ করে। জার্মানির অধিকাংশ মানুষ তখন ফ্লু’তে আক্রান্ত হন।

রোগটির উপসর্গ ইনফ্লুয়েঞ্জার মত। সর্দি, কাশি,গলাব্যথা,জ্বর, মাথাব্যথা ও খাবারে অরুচি দেখা দেয়। সাধারণত শীতের শুরুর প্রথম দিকে যেমন ডিসেম্বরের শেষ থেকে আরম্ভ করে ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত কমবেশি অধিকাংশ মানুষই এই ফ্লু’তে আক্রান্ত হয়ে থাকেন। আবার শীতের শেষে গরমের শুরুর প্রথম দিকেও মানুষ এই রোগে আক্রান্ত হয়ে থাকেন।

মানুষ সহজে এই রোগের ভাইরাসে আক্রান্ত হয় স্কুল, কলেজ, বিপনি বিতানে মেলামেশা থেকে। সরকারি তথ্য অনুযায়ী প্রতিবছর কমপক্ষ তিন শতাধিক মানুষ এ কারণে মারা যান। মৃত্যুর জন্য অবশ্য ফ্লু থেকে নিউমোনিয়া ও অন্যান্য শীতকালীন রোগের কথা সরকারিভাবে উল্লেখ করা হয়।

জার্মান ভাষায় ফ্লু’কে বলে Grippe (গ্রিপ্পে)। রোগটি আমাদের বাংলাদেশের ইনফ্লুয়েঞ্জা রোগের মত। উপসর্গও একই রকম এবং খুব ছোঁয়াচে। পরিবারের একজন আক্রান্ত হলে অন্য সদস্যরা সাধারণত রেহাই পান না। শিশু ও বৃদ্ধরা এবং যারা জার্মানিতে নতুন এসেছেন, তারা শীতের ধকল সামলাতে না পেরে ফ্লু’র কবলে পড়ে।

ফ্লু বা মারাত্মক গ্রিপ্পে’তে ঘরে ঘরে মানুষকে আক্রান্ত হতে দেখা যায়। প্রবল মাথাব্যথা, শরীরের প্রতিটি জয়েন্টে ব্যথা এবং খাবারে অরুচি মানুষকে খুব বেশি দুর্বল করে ফেলে। বাংলাদেশের ভাইরাস জ্বরের মতো এখানেও আক্রান্ত রোগীরা প্রায় তিন সপ্তাহ থেকে এক মাসের মত সময় নিয়ে আরোগ্য লাভ করেন।

তবে জার্মানির রোগ মোকাবেলার ব্যবস্থা অতি চমৎকার। ভ্যাকসিন, টিকা ছাড়াও হাসপাতালে ফ্লু রোগীদের জন্য আলাদা ও বিশেষ ব্যবস্থা করা হয়। স্বাস্থ্যকর্মীরা ঘরে ঘরে হাজির হন রোগাক্রান্ত মানুষের খোঁজ-খবর নেওয়ার জন্য। রোগীদের জন্য চালু করা হয় বিশেষ অ্যাম্বুলেন্স ও যানবাহন।

মানুষের শরীর ও মন পৃথিবীর জলবায়ুর সাথে সম্পর্কিত। পরিবেশ বিপর্যয় ও তাপমাত্রার অস্থিতিশীলতার কারণে স্বাভাবিক জীবন বিপণ্ন হচ্ছে। বাড়ছে রোগ-ব্যাধি। পরিবেশবান্ধব জীবন যাপনের মাধ্যমে নানা রোগের প্রকোপ আগেভাগে প্রতিহত করা সম্ভব।

ফাতেমা রহমান রুমা
জার্মান বাংলা ডটকম।

শেয়ার করুন:
এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩১৪১৫১৬
১৭১৮১৯২০২১২২২৩
২৪২৫২৬২৭২৮২৯৩০
৩১  
©germanbanglanews24
Developer Design Host BD