শিরোনাম :
জাতিসংঘ সফরে ১১ দেশের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক, গুরুত্ব পেয়েছে বাংলাদেশের স্বার্থ হামের সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে আজ থেকে বিশেষ টিকা ক্যাম্পেইন, টিকা পাবে ৩৪ লাখ শিশু তারেক রহমানের সঙ্গে কুয়েতের ক্রাউন প্রিন্সের বৈঠক, সম্পর্ক জোরদারে গুরুত্ব গাজা ইস্যুতে জাতিসংঘে ইসরায়েলের ওপর বাড়ছে চাপ, দুই রাষ্ট্রভিত্তিক সমাধানে জোর শাংহাই সুপার ফ্যাক্টরিকে ‘রত্ন’ বললেন ইলন মাস্ক গঠনমূলক কৌশলগত স্থিতিশীল সম্পর্ক প্রতিষ্ঠায় সম্মত চীন ও যুক্তরাষ্ট্র এক সপ্তাহের মধ্যে হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়ার প্রস্তাব ইরানের, সিদ্ধান্ত যুক্তরাষ্ট্রের প্রাথমিক শিক্ষায় প্রযুক্তির রূপান্তর, ইউনিসেফের সঙ্গে ববি হাজ্জাজের বৈঠক মেসির বিদায়ী ম্যাচে বিশেষ জার্সি, আকাশি-সাদার সঙ্গে সোনালি ছোঁয়া পুলিশ অপরাধে যুক্ত হলে বিভাগীয় শাস্তির পাশাপাশি ফৌজদারি ব্যবস্থা: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

জার্মানির ছোঁয়াচে ফ্লু!

জার্মানবাংলা২৪ রিপোর্ট :
  • প্রকাশের সময়: বৃহস্পতিবার, ২২ মার্চ, ২০১৮
Fatama Rahman Ruma

শীতের দেশে ফ্লু খুব স্বাভাবিক সমস্যা। শারীরিক অসুস্থতার কারণ হিসাবে ফ্লু এখানে খুব কমন। সিজন চেঞ্জ বা ঋতু পরিবর্তনের সময় সমস্যাটি প্রকট আকার ধারণ করে। জার্মানির অধিকাংশ মানুষ তখন ফ্লু’তে আক্রান্ত হন।

রোগটির উপসর্গ ইনফ্লুয়েঞ্জার মত। সর্দি, কাশি,গলাব্যথা,জ্বর, মাথাব্যথা ও খাবারে অরুচি দেখা দেয়। সাধারণত শীতের শুরুর প্রথম দিকে যেমন ডিসেম্বরের শেষ থেকে আরম্ভ করে ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত কমবেশি অধিকাংশ মানুষই এই ফ্লু’তে আক্রান্ত হয়ে থাকেন। আবার শীতের শেষে গরমের শুরুর প্রথম দিকেও মানুষ এই রোগে আক্রান্ত হয়ে থাকেন।

মানুষ সহজে এই রোগের ভাইরাসে আক্রান্ত হয় স্কুল, কলেজ, বিপনি বিতানে মেলামেশা থেকে। সরকারি তথ্য অনুযায়ী প্রতিবছর কমপক্ষ তিন শতাধিক মানুষ এ কারণে মারা যান। মৃত্যুর জন্য অবশ্য ফ্লু থেকে নিউমোনিয়া ও অন্যান্য শীতকালীন রোগের কথা সরকারিভাবে উল্লেখ করা হয়।

জার্মান ভাষায় ফ্লু’কে বলে Grippe (গ্রিপ্পে)। রোগটি আমাদের বাংলাদেশের ইনফ্লুয়েঞ্জা রোগের মত। উপসর্গও একই রকম এবং খুব ছোঁয়াচে। পরিবারের একজন আক্রান্ত হলে অন্য সদস্যরা সাধারণত রেহাই পান না। শিশু ও বৃদ্ধরা এবং যারা জার্মানিতে নতুন এসেছেন, তারা শীতের ধকল সামলাতে না পেরে ফ্লু’র কবলে পড়ে।

ফ্লু বা মারাত্মক গ্রিপ্পে’তে ঘরে ঘরে মানুষকে আক্রান্ত হতে দেখা যায়। প্রবল মাথাব্যথা, শরীরের প্রতিটি জয়েন্টে ব্যথা এবং খাবারে অরুচি মানুষকে খুব বেশি দুর্বল করে ফেলে। বাংলাদেশের ভাইরাস জ্বরের মতো এখানেও আক্রান্ত রোগীরা প্রায় তিন সপ্তাহ থেকে এক মাসের মত সময় নিয়ে আরোগ্য লাভ করেন।

তবে জার্মানির রোগ মোকাবেলার ব্যবস্থা অতি চমৎকার। ভ্যাকসিন, টিকা ছাড়াও হাসপাতালে ফ্লু রোগীদের জন্য আলাদা ও বিশেষ ব্যবস্থা করা হয়। স্বাস্থ্যকর্মীরা ঘরে ঘরে হাজির হন রোগাক্রান্ত মানুষের খোঁজ-খবর নেওয়ার জন্য। রোগীদের জন্য চালু করা হয় বিশেষ অ্যাম্বুলেন্স ও যানবাহন।

মানুষের শরীর ও মন পৃথিবীর জলবায়ুর সাথে সম্পর্কিত। পরিবেশ বিপর্যয় ও তাপমাত্রার অস্থিতিশীলতার কারণে স্বাভাবিক জীবন বিপণ্ন হচ্ছে। বাড়ছে রোগ-ব্যাধি। পরিবেশবান্ধব জীবন যাপনের মাধ্যমে নানা রোগের প্রকোপ আগেভাগে প্রতিহত করা সম্ভব।

ফাতেমা রহমান রুমা
জার্মান বাংলা ডটকম।

শেয়ার করুন:
এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 ১২৩৪৫৬
৭৮৯১০১১১২১৩
১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
২৮২৯৩০  
©germanbanglanews24
Developer Design Host BD