শিরোনাম :
গাজায় শিশু হত্যাকে যুদ্ধাপরাধ বলছে জাতিসংঘ, ইসরায়েলের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ তারেক রহমানের সফরে কৌশলগত অংশীদারত্বে নতুন গতি আসবে বাংলাদেশি নির্মাতার প্রথম চলচ্চিত্রেই আন্তর্জাতিক পুরস্কার টেকসই উন্নয়ন ও উদ্ভাবনের নতুন পথ খুঁজছে দাভোস ফোরাম ঢাকা-বেইজিং সম্পর্কের ভবিষ্যৎ নিয়ে আশাবাদী চীনা রাষ্ট্রদূত রোহিঙ্গা ও স্থানীয় জনগোষ্ঠীর সহায়তায় ১৬ মিলিয়ন ডলারের চুক্তি স্বাক্ষর রপ্তানি আয় ও কর্মসংস্থানে ভেনামি চিংড়ি হতে পারে নতুন চালিকাশক্তি নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে মৌলিক গবেষণার ওপর জোর দিলেন কৃষিমন্ত্রী টেকসই প্রবৃদ্ধিতে এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় সহযোগিতার নতুন দিকনির্দেশনা ২৮তম শাংহাই চলচ্চিত্র উৎসবের পর্দা নামল

জলবায়ু সংকটকে অর্থনৈতিক সুযোগে রূপ দিতে পারে বাংলাদেশ: ডেনমার্কের রাষ্ট্রদূত

জার্মান-বাংলা ডেস্ক, ঢাকা অফিস:
  • প্রকাশের সময়: শুক্রবার, ২৪ অক্টোবর, ২০২৫

বাংলাদেশ বিশ্বের অন্যতম জলবায়ু-ঝুঁকিপূর্ণ দেশ হলেও কার্বন নিঃসরণে এর অবদান মাত্র ০.৪ শতাংশ। এই অবস্থানকে কাজে লাগিয়ে জলবায়ু সংবেদনশীলতাকে অর্থনৈতিক সুযোগে রূপ দিতে পারে বাংলাদেশ-এমন মত দিয়েছেন ঢাকায় নিযুক্ত ডেনমার্কের রাষ্ট্রদূত ক্রিশ্চিয়ান ব্রিক্স মোলার।

বৃহস্পতিবার রাজধানীর গুলশানে বে এজ গ্যালারিতে আয়োজিত ‘ক্লাইমেট টক: এক্সপ্লোরিং এ রোবাস্ট কার্বন মার্কেট ইন বাংলাদেশ’ শীর্ষক এক আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি বলেন,
“সঠিক অংশীদারিত্ব ও নীতিমালা থাকলে বাংলাদেশ জলবায়ু সংকটকে টেকসই ও অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রবৃদ্ধিতে রূপ দিতে পারবে। এই রূপান্তরে কার্বন বাজার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।”

ডেনমার্ক দূতাবাসের আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রদূত আরও বলেন,
“বাংলাদেশের জলবায়ু দুর্বলতা একদিকে বৈষম্য হিসেবে দেখা গেলেও, অন্যদিকে এটি নেতৃত্ব ও বিনিয়োগের নতুন সুযোগ সৃষ্টি করেছে।”

তিনি বাংলাদেশের সবুজ রূপান্তনে ডেনমার্কের সহায়তার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করে বলেন,
“একটি কার্যকর ও বিশ্বাসযোগ্য কার্বন বাজার গড়ে তুলতে শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান, স্পষ্ট নীতিমালা এবং সরকার, বেসরকারি খাত, নাগরিক সমাজ ও আন্তর্জাতিক অংশীদারদের ঘনিষ্ঠ সহযোগিতা প্রয়োজন।”

আলোচনায় সরকারি ও বেসরকারি খাত, উন্নয়ন সহযোগী সংস্থা এবং শিক্ষাঙ্গনের ৮০ জনেরও বেশি প্রতিনিধি অংশ নেন। তাঁরা বাংলাদেশের জন্য একটি স্বচ্ছ ও অন্তর্ভুক্তিমূলক কার্বন বাজার গড়ে তোলার সুযোগ ও চ্যালেঞ্জ নিয়ে মতবিনিময় করেন।

মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন কার্বন বাজার বিশেষজ্ঞ শয়মাল বর্মন। তিনি বলেন,
“কার্বন বাণিজ্য শুধু নিঃসরণ কমানোর একটি উপায় নয়, বরং এটি টেকসই উন্নয়নের জন্য বিনিয়োগ আহরণের এক শক্তিশালী মাধ্যম। বাংলাদেশ যদি একটি বিশ্বাসযোগ্য কার্বন বাজার গড়ে তুলতে পারে, তবে তা জাতীয়ভাবে নির্ধারিত অবদান (NDC) বাস্তবায়নের পাশাপাশি অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির নতুন দ্বার খুলে দিতে পারে।”

প্যানেল আলোচনায় বক্তারা বলেন, কার্বন বাণিজ্যের মাধ্যমে স্বল্প কার্বন নির্ভর উন্নয়ন ত্বরান্বিত করা, করপোরেট টেকসই উদ্যোগ বাড়ানো এবং প্যারিস চুক্তির অধীনে বাংলাদেশের প্রতিশ্রুতি পূরণ করা সম্ভব।

পরিবেশ অধিদপ্তরের জলবায়ু পরিবর্তন ও আন্তর্জাতিক কনভেনশন শাখার পরিচালক মির্জা শওকত আলী বলেন,
“বাংলাদেশের সামনে সুযোগ রয়েছে উন্নয়নশীল দেশগুলোর মধ্যে জলবায়ু সমাধানের অগ্রণী উদাহরণ হয়ে ওঠার। আমরা ইতোমধ্যে একটি কার্বন বাজার কাঠামো তৈরি করছি, যার মাধ্যমে বিনিয়োগ আকর্ষণ, উদ্ভাবন উৎসাহিত এবং স্থানীয় সম্প্রদায়ের কল্যাণ নিশ্চিত করা হবে।”

সূত্র: ডেনমার্ক দূতাবাস, ঢাকা।

শেয়ার করুন:
এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
১০১১১২১৩১৪
১৫১৬১৭১৮১৯২০২১
২২২৩২৪২৫২৬২৭২৮
২৯৩০  
©germanbanglanews24
Developer Design Host BD