শিরোনাম :
চট্টগ্রামকে লজিস্টিক্যাল হাবে গড়ার পরিকল্পনা বাজেটে প্রতিফলিত হয়েছে: অর্থমন্ত্রী মধ্যম শক্তি হিসেবে অবস্থান জোরদারে ব্রিকস-আসিয়ানসহ বিভিন্ন জোটে যোগ দিতে চায় বাংলাদেশ বাস্তবায়ন হবে নতুন পে-স্কেল, প্রথমে বাড়বে সরকারি চাকরিজীবীদের মূল বেতন কুমিল্লায় ফুটপাতে ঘুমন্ত নারীকে ধর্ষণের অভিযোগ, ভাইরাল সিসিটিভিতে তোলপাড় ‘জুলাই অভ্যুত্থান কোনো ব্যক্তি বা দলের একার অর্জন নয়’ : প্রধানমন্ত্রী কৃষি কার্ডের মাধ্যমে ভর্তুকি, প্রণোদনা ও বাজার ব্যবস্থাপনা হবে আরও স্বচ্ছ: কৃষিমন্ত্রী অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে শেষ ষোলোয় মিশর, জয় উৎসর্গ ফিলিস্তিনের প্রতি কেপ ভার্দের দুর্দান্ত লড়াই পেরিয়ে শেষ ষোলোয় আর্জেন্টিনা ফিলিস্তিনের প্রতি বাংলাদেশের সমর্থন অব্যাহত থাকবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দক্ষিণ আফ্রিকায় অভিবাসনবিরোধী বিক্ষোভে গ্রেপ্তার ৯ শতাধিক

চট্টগ্রামকে লজিস্টিক্যাল হাবে গড়ার পরিকল্পনা বাজেটে প্রতিফলিত হয়েছে: অর্থমন্ত্রী

জার্মান-বাংলা ডেস্ক, ঢাকা অফিস:
  • প্রকাশের সময়: শনিবার, ৪ জুলাই, ২০২৬

বাংলাদেশের প্রতিটি অঞ্চলের স্বতন্ত্র অর্থনৈতিক সম্ভাবনাকে বিবেচনায় রেখেই চলতি অর্থবছরের জাতীয় বাজেট প্রণয়ন করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বলেছেন, বিশেষ করে সমুদ্রবন্দর, ভৌগোলিক অবস্থান ও কৌশলগত গুরুত্বের কারণে চট্টগ্রাম দেশের অন্যতম সম্ভাবনাময় অঞ্চল। এ সম্ভাবনাকে বাস্তবে রূপ দিতে বাজেটে বিভিন্ন দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে, যার সফল বাস্তবায়নের মাধ্যমে চট্টগ্রাম ভবিষ্যতে একটি আঞ্চলিক লজিস্টিক্যাল হাবে পরিণত হবে।

শনিবার সকালে চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন। বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশ নিতে চট্টগ্রাম সফরে গেলে বিমানবন্দরে তাঁকে স্বাগত জানান চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র শাহাদাত হোসেন। এ সময় চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (সিডিএ) চেয়ারম্যান বেলায়েত হোসেনসহ বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

অর্থমন্ত্রী বলেন, চট্টগ্রামের সম্ভাবনা শুধু সমুদ্রবন্দরকেন্দ্রিক নয়; এর ভৌগোলিক অবস্থান এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের জন্য কৌশলগত গুরুত্বও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এসব বিষয় বিবেচনায় রেখে সরকারের উন্নয়ন পরিকল্পনায় চট্টগ্রামকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে।

তিনি জানান, কর্ণফুলী নদীর দক্ষিণ তীরে প্রায় ৬০০ একর জমিতে একটি অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি চট্টগ্রামকে একটি আধুনিক লজিস্টিক্যাল হাবে রূপান্তরের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে এবং জাতীয় বাজেটেও তার প্রতিফলন রয়েছে।

শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরকে কার্গো ও যাত্রী পরিবহনের একটি আঞ্চলিক হাবে উন্নীত করার পরিকল্পনার কথাও তুলে ধরেন অর্থমন্ত্রী। তিনি বলেন, এ অঞ্চলে একটি চায়না অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ে উঠছে। একই সঙ্গে ঢাকা-চট্টগ্রাম রেলপথে যাতায়াতের সময় কমাতে কর্ডলাইন নির্মাণ করা হবে। এসব উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে চট্টগ্রামকে কেন্দ্র করে দেশের গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক করিডর আরও শক্তিশালী হবে এবং সমুদ্রবন্দরগুলোর কার্যক্ষমতাও উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাবে।

তিনি আরও বলেন, মাতারবাড়ীকে ঘিরেও বৃহৎ পরিসরের উন্নয়ন কার্যক্রম চলছে। চট্টগ্রাম অঞ্চলের সামগ্রিক অর্থনৈতিক সম্ভাবনাকে সামনে রেখেই বাজেটে বিভিন্ন উন্নয়ন পরিকল্পনা অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। তবে এসব প্রকল্প বাস্তবায়নে কয়েক বছর সময় লাগবে। সরকার যত দ্রুত সম্ভব কাজ শুরু করার চেষ্টা করছে।

বাজেটের সামগ্রিক প্রেক্ষাপট তুলে ধরে অর্থমন্ত্রী বলেন, অত্যন্ত কঠিন অর্থনৈতিক বাস্তবতায় এবারের বাজেট প্রণয়ন করতে হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের প্রভাবে বৈশ্বিক অর্থনীতিতে যে চাপ সৃষ্টি হয়েছে, তার নেতিবাচক প্রভাব দেশের অর্থনীতিতেও পড়েছে। বর্তমানে অর্থনীতি একটি ভঙ্গুর অবস্থায় রয়েছে। তাই প্রথম লক্ষ্য হচ্ছে অর্থনীতিকে স্থিতিশীল করা। এরপর উন্নয়নের নতুন ধাপে এগিয়ে যাওয়া সম্ভব হবে। তাঁর আশা, তৃতীয় ও চতুর্থ বছর থেকে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও সমৃদ্ধির ইতিবাচক ফল দৃশ্যমান হবে এবং দেশের অর্থনীতি নতুন করে ঘুরে দাঁড়াবে।

সূত্র: প্রথম আলো।

শেয়ার করুন:
এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২
১৩১৪১৫১৬১৭১৮১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭২৮২৯৩০৩১  
©germanbanglanews24
Developer Design Host BD