তিনি আরও বলেন, ছাত্র জনতার গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে দেশবাসী একটি নতুন বাংলাদেশ পেয়েছে। এ নতুন বাংলাদেশ প্রাপ্তিতে ঝরেছে অনেক নাম না জানা শহিদের রক্ত।
ফাউন্ডেশন গঠনের উদ্দেশ্য নিয়ে উপদেষ্টা বলেন, মূলত ছাত্র জনতার আন্দোলনে নিহতদের স্মৃতি ধরে রাখা, গণঅভ্যুত্থানে সকল শহীদ পরিবারকে পুনর্বাসন করা এবং আহতদের চিকিৎসা ব্যয় বহন করাই ফাউন্ডেশন গঠনের মূল উদ্দেশ্য।
ফাউন্ডেশনে ব্যক্তি পর্যায়ে আর্থিক সহযোগিতার পাশাপাশি প্রবাসীদের কাছ থেকেও সহযোগিতা নেয়া হবে। সরকারও এ ফাউন্ডেশনে অর্থ প্রদান করবে।
ফাউন্ডেশনের জন্য অনুমোদিত ৭ সদস্যের কার্যনির্বাহী পরিষদে সভাপতি হিসেবে রয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ডঃ মুহাম্মদ ইউনূস, সাধারণ সম্পাদক হিসেবে আছেন মীর মাহবুবুর রহমান যিনি শহিদ মুগ্ধের ভাই, কোষাধক্ষ্য হিসেবে আছেন কাজী ওয়াকার আহমাদ, দপ্তর সম্পাদক হিসেবে আছেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি উপদেষ্টা মো: নাহিদ ইসলাম, নির্বাহী সদস্য হিসেবে আছেন যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভুঁইয়া, স্বাস্থ্য উপদেষ্টা নুরজাহান বেগম এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক উপদেষ্টা শারমিন এস মুরশিদ।
পরবর্তীতে আরও ১৪ জন সদস্য এই কমিটিতে সংযুক্ত হবে।যে ব্যাংক একাউন্টে সহায়তা পাঠানো যাবে:
একাউন্টের নাম: জুলাই শহীদ স্মৃতি ফাউন্ডেশন
হিসাব নম্বর: ৪৪২৬৩০১০২৮৬৭০
রমনা কর্পোরেট ব্রাঞ্চ
সোনালী ব্যাংক পিএলসি।
কার্যনির্বাহী পরিষদ ২৪ আগস্ট ২০২৪ থেকে ২৩ আগস্ট ২০২৬ পর্যন্ত দু বছর মেয়াদের জন্য অনুমোদন করা হয়েছে।