শিরোনাম :
বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ প্রকল্প বাস্তবায়নে সক্রিয় সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন প্রতিমন্ত্রী নতুন যুগের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় রোডম্যাপ তৈরিতে ইউনেস্কোর সহায়তা কামনা তথ্যমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী ৩ মে থেকে ধান ও গম এবং ১৫ মে থেকে চাল সংগ্রহ শুরু পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রীর সাথে বাংলাদেশে নিযুক্ত ইউনেস্কো প্রতিনিধির সৌজন্য সাক্ষাৎ পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান এমপি’র সাথে কানাডিয়ান হাইকমিশনারের সৌজন্য সাক্ষাৎ বাংলাদেশে ধর্মীয় মৌলবাদীদের অতিসক্রিয়তা উদ্বেগজনক বন্ধ পাটকল চালু করলে অর্থনীতিতে গতি আসবে;বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী ঝরে পড়া শিক্ষার্থীদের জন্য উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা কার্যকর মাধ্যম: প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ সংশ্লিষ্টদের সেবকের ভূমিকা পালন করতে হবে: ভূমি প্রতিমন্ত্রী মীর হেলাল বাংলাদেশ-সেনেগাল দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে আরও গতিশীল ও সুদৃঢ় করার ওপর গুরুত্বারোপ

কোটচাঁদপুরে বিদ্যালয়ের প্লাস্টার খোসে পড়ে এক ছাত্রী আহত

জার্মানবাংলা২৪ রিপোর্ট :
  • প্রকাশের সময়: মঙ্গলবার, ২৪ জুলাই, ২০১৮

মোঃ নজরুল ইসলাম, কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি: কোটচাঁদপুর বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শ্রেণীকক্ষের সিলিং’র প্লাস্টার খোসে বৈশাখী আক্তার (১৩) নামের অষ্টম শ্রেণীর একছাত্রী আহত হয়েছে। আহত বৈশাখীকে স্থানীয় হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার ২৪ জুলাই দুপুরে এই ঘটনা ঘটে বলে জানা যায়।

শ্রেণীকক্ষের প্লাস্টার খোসে পড়ার ঘটনায় ছাত্রীদের মাঝে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। তারা দ্রুত শ্রেণীকক্ষ ত্যাগ করে বাইরে বেরিয়ে আসে। এ অবস্থায় কর্তৃপক্ষ তাৎক্ষণিকভাবে স্কুল ছুটি দিয়ে দেয়।

কোটচাঁদপুর বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ইসাহক আলী জানান, দুপুর সাড়ে ১২ টায় ১০৫ নং কক্ষে অষ্টম শ্রেনীর ক্লাস চলছিল। এ সময় আকষ্মিক ভাবে সিলিং’র প্লাস্টার খোসে পড়লে ক্লাসের পাঠরত বৈশাখী (১৩) আহত হয়। খোসে পড়া প্লাস্টার বৈশাখীর কোমর ও ঘাড়ে পড়লে সে হঠাৎ অজ্ঞান হয়ে পড়ে। বৈশাখীর অবস্থা দেখে সহপাঠীরাও দ্রুত ছোটাছুটি করে বেরিয়ে আসে।

তিনি আরো জানান, ১৯৫৩ সালে বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার পর ষাটের দশকের প্রথম দিকে স্কুলের এ ভবণ নির্মাণ করা হয়। প্রায় ষাট বছর যাবত জোড়াতালি দিয়ে শিক্ষার্থীদের পাঠদান কার্যক্রম চালু রাখা হয়েছে। বর্মমানে এ ভবন ব্যবহার অনুপযোগী হওয়ার পরও শ্রেণী কক্ষের সংকটের কারণের বাধ্য হয়েই এখানে ক্লাস নেওয়া হচ্ছে।

বিগত দিনে সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে ভবনের দৈন্য দশার বিবরণ দিয়ে পত্র মারফত ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ জানানো হয়।এর প্রেক্ষিতে ২০১৫ সালের শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরে কর্মকর্তা সরেজমিনে পরিদর্শন করে ভবনটি পরিত্যক্ত ঘোষণা করেন। উপজেলা প্রশাসনও এ ভবনের ক্লাস না নেওয়ার জন্য পরামর্শ দেন। কিন্তু উপজেলা একমাত্র বালিকা বিদ্যালয়টিতে ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণী পর্যন্ত প্রায় ১২০০ ছাত্রী লেখা পড়া করছে। তাছাড়া একই সাথে ১৮টি শ্রেণী কক্ষে শিক্ষকদের ক্লাস নিতে হয়। সে কারণে ইচ্ছা না থাকলেও কক্ষ সংকটের কারণে পরিত্যক্ত ভবনেই জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ক্লাস নিতে হচ্ছে।

এদিকে প্লাস্টার খোসে ছাত্রী আহত ঘটনায় অভিভাবকরাও উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছেন।

কোটচাঁদপুর উপজেলার মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার রতন মিয়া বলেন, আমি শুনেছি ও খোঁজ নিয়ে জেনেছি যে,সে এখন অনেকটা সুস্থ্য এবং উক্ত ভবন পরিত্যক্ত কি না আমার জানা নাই।

শেয়ার করুন:
এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২
১৩১৪১৫১৬১৭১৮১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭২৮২৯৩০  
©germanbanglanews24
Developer Design Host BD