শিরোনাম :
গাজায় শিশু হত্যাকে যুদ্ধাপরাধ বলছে জাতিসংঘ, ইসরায়েলের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ তারেক রহমানের সফরে কৌশলগত অংশীদারত্বে নতুন গতি আসবে বাংলাদেশি নির্মাতার প্রথম চলচ্চিত্রেই আন্তর্জাতিক পুরস্কার টেকসই উন্নয়ন ও উদ্ভাবনের নতুন পথ খুঁজছে দাভোস ফোরাম ঢাকা-বেইজিং সম্পর্কের ভবিষ্যৎ নিয়ে আশাবাদী চীনা রাষ্ট্রদূত রোহিঙ্গা ও স্থানীয় জনগোষ্ঠীর সহায়তায় ১৬ মিলিয়ন ডলারের চুক্তি স্বাক্ষর রপ্তানি আয় ও কর্মসংস্থানে ভেনামি চিংড়ি হতে পারে নতুন চালিকাশক্তি নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে মৌলিক গবেষণার ওপর জোর দিলেন কৃষিমন্ত্রী টেকসই প্রবৃদ্ধিতে এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় সহযোগিতার নতুন দিকনির্দেশনা ২৮তম শাংহাই চলচ্চিত্র উৎসবের পর্দা নামল

লন্ডনে বাংলাদেশ হাইকমিশনের সামনে সংখ্যালঘু নির্যাতনের প্রতিবাদে বিক্ষোভ

জার্মান-বাংলা ডেস্ক :
  • প্রকাশের সময়: শনিবার, ২৭ ডিসেম্বর, ২০২৫

বাংলাদেশে চলমান সহিংসতা, অগ্নিসংযোগ, ধর্ষণ ও উগ্রবাদী মব হামলার প্রতিবাদে লন্ডনের কুইন্স গেট এলাকায় অবস্থিত বাংলাদেশ হাইকমিশনের সামনে ২৭ ডিসেম্বর, শনিবার এক বিশাল বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ বিক্ষোভে বাংলাদেশ হিন্দু অ্যাসোসিয়েশনসহ বিভিন্ন মানবাধিকার সংগঠন, মতপ্রকাশের স্বাধীনতার পক্ষে সোচ্চার কর্মী ও প্রবাসী বাংলাদেশিরা অংশ নেন।

আয়োজকদের দাবি অনুযায়ী, দুই শতাধিক বিক্ষোভকারী এ কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করেন। তাঁরা অভিযোগ করেন, বাংলাদেশে সাম্প্রতিক সময়ে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়, বিশেষ করে হিন্দু ধর্মাবলম্বীরা পরিকল্পিতভাবে সহিংসতার শিকার হচ্ছেন। বিক্ষোভকারীরা প্ল্যাকার্ড ও ব্যানার হাতে স্লোগান দিয়ে এসব ঘটনার তীব্র নিন্দা জানান।

সমাবেশে বক্তারা দিপু দাস হত্যাকাণ্ডের দ্রুত বিচার দাবি করেন। তাঁদের বক্তব্য অনুযায়ী, ধর্ম অবমাননার অভিযোগ তুলে এক উগ্রবাদী মব দিপু দাসকে নৃশংসভাবে হত্যা করে এবং পরে তাঁর মরদেহ পুড়িয়ে ফেলা হয়। এই ঘটনাকে মানবাধিকারের চরম লঙ্ঘন হিসেবে আখ্যা দেন তাঁরা।

বিক্ষোভে চট্টগ্রামে আটক হিন্দু সন্ন্যাসী প্রভু চিন্ময় দাসের মুক্তির দাবিও জোরালোভাবে উত্থাপন করা হয়। বক্তারা বলেন, তাঁর বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ ভিত্তিহীন ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। অবিলম্বে তাঁকে নিঃশর্ত মুক্তি দেওয়ার আহ্বান জানান তাঁরা।

সমাবেশ থেকে অন্তর্বর্তী সরকারের তীব্র সমালোচনা করা হয়। বিক্ষোভকারীরা অভিযোগ করেন, দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সরকার ব্যর্থ হয়েছে এবং সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারেনি। এ প্রেক্ষাপটে নোবেলজয়ী অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের পদত্যাগ দাবি করা হয়।

বিক্ষোভের শেষাংশে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়, যুক্তরাজ্য সরকার এবং বৈশ্বিক মানবাধিকার সংগঠনগুলোর প্রতি আহ্বান জানানো হয়—বাংলাদেশের সাম্প্রতিক পরিস্থিতি ঘনিষ্ঠভাবে পর্যবেক্ষণ করে সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য।

শেয়ার করুন:
এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
১০১১১২১৩১৪
১৫১৬১৭১৮১৯২০২১
২২২৩২৪২৫২৬২৭২৮
২৯৩০  
©germanbanglanews24
Developer Design Host BD