শিরোনাম :
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ সিপিএ রফিকুল ইসলাম জগলুর বাংলাদেশের উন্নয়ন সহযোগী হিসেবে জাপানের অব্যাহত সহযোগিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বাংলাদেশকে আঞ্চলিক এভিয়েশন হাব হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে কাজ করছে সরকার জার্মানিতে বাংলাদেশ দূতাবাসে অতিরিক্ত ফি নেওয়ায় প্রবাসীদের অভিযোগ বাংলাদেশ-চীন অর্থনৈতিক অঞ্চল শিল্প বিপ্লব ও কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পুঁজি ও কূটনীতির মেলবন্ধনে ট্রিলিয়ন ডলার অর্থনীতির পথরেখা আইসিইউতে ওষুধ-প্রতিরোধী ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ উদ্বেগজনক, মৃত্যুহার ৯০ শতাংশের বেশি: আইসিডিডিআরবি করাচির দুই হাসপাতালে শতাধিক শিশুর এইচআইভি শনাক্ত, নীরব স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ নিট কেলেঙ্কারি ঘিরে চাপের মুখে সরে গেলেন ধর্মেন্দ্র প্রধান, বললেন ‘শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎই অগ্রাধিকার’ ইউরোপজুড়ে দাবানলের তাণ্ডব, স্পেনে প্রথম জাতীয় জরুরি অবস্থা

রামিসা হত্যা মামলা: দুই আসামির ফাঁসি, সম্পত্তি বিক্রি করেও দিতে হবে ক্ষতিপূরণ

জার্মান-বাংলা ডেস্ক, ঢাকা অফিস:
  • প্রকাশের সময়: রবিবার, ৭ জুন, ২০২৬

রাজধানীর পল্লবীতে আট বছরের শিশু রামিসাকে ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনায় আলোচিত মামলায় দুই আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তারের বিরুদ্ধে মৃত্যুদণ্ডের রায় দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে ভিকটিমের উত্তরাধিকারীদের জন্য অর্থদণ্ড নির্ধারণ করা হয়েছে।

রবিবার সকালে কড়া নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে দুই আসামিকে আদালতে হাজির করা হয়। পরে বেলা ১১টার পর ঢাকা মহানগর শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন রায় পাঠ শুরু করেন এবং মৃত্যুদণ্ডের আদেশ ঘোষণা করেন।

রায়ের অংশ হিসেবে সোহেল রানাকে পাঁচ লাখ টাকা এবং স্বপ্না আক্তারকে দুই লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। আদালত বলেন, এই অর্থ রামিসার আইনগত উত্তরাধিকারীদের কাছে পৌঁছে দিতে হবে। জরিমানার অর্থ পরিশোধ না হলে আসামিদের সম্পত্তি নিলামে বিক্রির মাধ্যমে ক্ষতিপূরণ আদায়ের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

বিচারকের পর্যবেক্ষণে উঠে আসে, ঘটনার আগে শিশুটির ওপর যৌন সহিংসতা চালানো হয়েছিল এবং তার শরীরে আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়। আদালত আরও বলেন, সোহেল রানা দেওয়া স্বীকারোক্তি প্রত্যাহারের কোনো আবেদন না করায় তা স্বেচ্ছায় দেওয়া হয়েছে বলে প্রতীয়মান হয়।

এছাড়া স্বপ্না আক্তার তার স্বামীকে পালাতে সহায়তা করেছেন এবং অপরাধ প্রতিরোধে কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেননি বলেও আদালতের পর্যবেক্ষণে উল্লেখ করা হয়।

রায় ঘোষণাকে ঘিরে আদালত এলাকায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের পাশাপাশি বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যদেরও সতর্ক অবস্থানে দেখা যায়।

সূত্র: ঢাকা মহানগর শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল ও গণমাধ্যম।

শেয়ার করুন:
এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

©germanbanglanews24
Developer Design Host BD