শিরোনাম :
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ সিপিএ রফিকুল ইসলাম জগলুর বাংলাদেশের উন্নয়ন সহযোগী হিসেবে জাপানের অব্যাহত সহযোগিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বাংলাদেশকে আঞ্চলিক এভিয়েশন হাব হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে কাজ করছে সরকার জার্মানিতে বাংলাদেশ দূতাবাসে অতিরিক্ত ফি নেওয়ায় প্রবাসীদের অভিযোগ বাংলাদেশ-চীন অর্থনৈতিক অঞ্চল শিল্প বিপ্লব ও কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পুঁজি ও কূটনীতির মেলবন্ধনে ট্রিলিয়ন ডলার অর্থনীতির পথরেখা আইসিইউতে ওষুধ-প্রতিরোধী ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ উদ্বেগজনক, মৃত্যুহার ৯০ শতাংশের বেশি: আইসিডিডিআরবি করাচির দুই হাসপাতালে শতাধিক শিশুর এইচআইভি শনাক্ত, নীরব স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ নিট কেলেঙ্কারি ঘিরে চাপের মুখে সরে গেলেন ধর্মেন্দ্র প্রধান, বললেন ‘শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎই অগ্রাধিকার’ ইউরোপজুড়ে দাবানলের তাণ্ডব, স্পেনে প্রথম জাতীয় জরুরি অবস্থা

ফিলিপাইনে যাত্রীবাহী ফেরি ডুবি: নিহত ১৫, নিখোঁজ অন্তত ৪৩

জার্মান-বাংলা ডেস্ক, ঢাকা অফিস:
  • প্রকাশের সময়: মঙ্গলবার, ২৭ জানুয়ারী, ২০২৬

ফিলিপাইনের দক্ষিণাঞ্চলীয় প্রদেশ বাসিলানে যাত্রীবোঝাই একটি ফেরি ডুবে অন্তত ১৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। সোমবার স্থানীয় সময় ভোরে এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় এখনও কমপক্ষে ৪৩ জন নিখোঁজ রয়েছেন বলে জানিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন ও কোস্টগার্ড।

বাসিলানের মেয়র আরসিনা লাজা কাথিং নানোহ এবং ফিলিপাইন কোস্টগার্ডের বাসিলান শাখা সূত্রে জানা গেছে, ‘ত্রিশা কেরস্টিন–৩’ নামের ফেরিটিতে মোট ৩৩২ জন যাত্রী এবং ২৭ জন ক্রু সদস্য ছিলেন। দুর্ঘটনার পর থেকে এ পর্যন্ত ১৫ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। একই সঙ্গে কোস্টগার্ড বাহিনীর ডুবুরিরা ১৩৮ জনকে জীবিত অবস্থায় উদ্ধার করতে সক্ষম হয়েছেন। উদ্ধারকৃতদের মধ্যে ১৮ জন গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

প্রশাসন সূত্র জানায়, সোমবার ভোরে ফেরিটি বাসিলানের জাম্বোয়াঙ্গা শহর থেকে পার্শ্ববর্তী মিন্দানাও প্রদেশের জোলো দ্বীপের উদ্দেশে যাত্রা শুরু করে। যাত্রা শুরুর কিছুক্ষণের মধ্যেই অজ্ঞাত কারণে ফেরিটি ডুবে যায়।

দুর্ঘটনার সুনির্দিষ্ট কারণ এখনও জানা যায়নি। কোস্টগার্ড ও দুর্যোগ মোকাবিলা দপ্তরের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বর্তমানে তাদের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার নিখোঁজ যাত্রীদের উদ্ধারে।

দুর্যোগ মোকাবিলা দপ্তরের উদ্ধারকারী দলের মুখপাত্র রোনালিন পেরেজ এএফপিকে জানান, “এ পর্যন্ত আমরা ১৩৮ জনকে জীবিত উদ্ধার করতে পেরেছি। উদ্ধার তৎপরতা জোরদার করতে মিন্দানাও প্রাদেশিক প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করা হয়েছে।”

তিনি আরও বলেন, উদ্ধারকাজে জনবল সংকট থাকলেও পরিস্থিতি মোকাবিলায় মিন্দানাও দুর্যোগ মোকাবিলা দপ্তরের সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করা হচ্ছে। পুরো উদ্ধার কার্যক্রমের সার্বিক সমন্বয়ের দায়িত্বে রয়েছে মিন্দানাও প্রাদেশিক কর্তৃপক্ষ।

শেয়ার করুন:
এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

©germanbanglanews24
Developer Design Host BD