শিরোনাম :
জার্মানিতে অভিবাসন বিরোধ, নর্ড স্ট্রিম তদন্ত, রাইনে নাব্য সংকট ও চরম আবহাওয়ার সতর্কতা ৩৫ বছর পর রাষ্ট্রপতি পদে ভোট, বৃহস্পতিবার মুখোমুখি মির্জা ফখরুল ও অলি আহমদ ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গে প্রাণ গেল আরও ৩ জনের, আক্রান্তের সংখ্যা ১ লাখ ৪৪ হাজার বিদেশে কর্মী পাঠানোর পুরো প্রক্রিয়া অনলাইনে নেওয়ার উদ্যোগ লিবিয়া থেকে দেশে ফিরলেন ১৭৪ বাংলাদেশি, আগস্টে প্রত্যাবাসন ৫১৪ পাঁচ মাস পর নতুন কমিশন পেল দুদক নবম জাতীয় বেতন স্কেল: সর্বোচ্চ ১০০ শতাংশ বেতন বৃদ্ধির চূড়ান্ত সুপারিশ জেনেভায় গভীর শ্রদ্ধা ও ভাবগাম্ভীর্যে বঙ্গবন্ধুর ৫১তম শাহাদাতবার্ষিকী পালিত শিল্প ও পরিবহনে নতুন চাপের মধ্যে জার্মানি, অর্থনীতিতে প্রবৃদ্ধির আশা ও AI নিয়ে বাড়ছে প্রস্তুতি সিসিলির জাদুঘর থেকে রেনেসাঁ যুগের ‘অমূল্য’ চার চিত্রকর্ম চুরি

প্রকৃতিভিত্তিক উদ্যোগেই উপকূলীয় জনগোষ্ঠীর টেকসই জীবিকা নিশ্চিত সম্ভব: প্রতিমন্ত্রী

জার্মান- বাংলা ঢাকা অফিস:
  • প্রকাশের সময়: সোমবার, ৩ আগস্ট, ২০২৬

উপকূলীয় জনগোষ্ঠীর জীবন-জীবিকা সুরক্ষা, খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় প্রকৃতিভিত্তিক সমাধানকে সবচেয়ে কার্যকর ও দীর্ঘমেয়াদি পথ বলে উল্লেখ করেছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু। তিনি বলেছেন, পরিবেশ সংরক্ষণ, প্রাকৃতিক সম্পদের টেকসই ব্যবহার এবং বাস্তুতন্ত্র পুনরুদ্ধারের মাধ্যমে উপকূলীয় এলাকার মানুষের সহনশীলতা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি করা সম্ভব।

সোমবার সকালে রাজধানীর একটি হোটেলে ‘Prioritizing Nature-Based Interventions for Resilient Coastal Bangladesh’ শীর্ষক জাতীয় কারিগরি কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। কর্মশালার আয়োজন করে ফ্রেন্ডশিপ ও কনজারভেশন ইন্টারন্যাশনাল।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, বন, জলাভূমি, উপকূলীয় সবুজ বেষ্টনী এবং সমন্বিত কৃষি-বনায়ন ব্যবস্থা শুধু পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষাই করে না, বরং প্রাণিসম্পদের জন্য পর্যাপ্ত পশুখাদ্য নিশ্চিত, প্রাণিস্বাস্থ্যের উন্নয়ন এবং মানব, প্রাণী ও পরিবেশের সমন্বিত ‘ওয়ান হেলথ’ ধারণাকে আরও শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

তিনি বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলায় বাংলাদেশ আন্তর্জাতিকভাবে প্রশংসিত হলেও দেশের উপকূলীয় অঞ্চল এখনো সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোর একটি। ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছ্বাস, সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি, লবণাক্ততার বিস্তার এবং নদীভাঙনের মতো দুর্যোগ উপকূলের পরিবেশ, কৃষি, খাদ্যব্যবস্থা এবং কোটি মানুষের জীবিকা ও অর্থনীতির ওপর বড় ধরনের চাপ সৃষ্টি করছে।

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী বলেন, দেশের জাতীয় অর্থনীতিতে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতের গুরুত্বপূর্ণ অবদান রয়েছে। একই সঙ্গে এ দুটি খাত গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর আয়ের অন্যতম প্রধান উৎস। তবে জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে এই খাতগুলো সবচেয়ে বেশি ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে।

তিনি বলেন, উপকূলীয় অঞ্চলের অসংখ্য পরিবার গরু, মহিষ, ছাগল, ভেড়া এবং হাঁস-মুরগি পালনের ওপর নির্ভরশীল। এসব প্রাণিসম্পদ শুধু পরিবারের নিয়মিত আয় ও পুষ্টির উৎস নয়, প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় আর্থিক নিরাপত্তার অন্যতম প্রধান ভরসাও হয়ে ওঠে।

সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগের কথা তুলে ধরে প্রতিমন্ত্রী বলেন, টেকসই প্রাকৃতিক সম্পদ ব্যবস্থাপনা, বাস্তুতন্ত্র পুনরুদ্ধার এবং তথ্য-উপাত্তভিত্তিক পরিকল্পনার মাধ্যমে জলবায়ু সহনশীলতা বাড়াতে সরকার কাজ করছে। আগামী পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণের জাতীয় কর্মসূচি বাস্তবায়নের মাধ্যমে পরিবেশ সংরক্ষণ ও ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর সহনশীলতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি অর্জনের আশা প্রকাশ করেন তিনি।

কর্মশালায় ফ্রেন্ডশিপের প্রতিষ্ঠাতা রুনা খান স্বাগত বক্তব্য দেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাবেক সচিব ড. মো. ফরিদুল ইসলাম, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. শাহজামান খান এবং কনজারভেশন ইন্টারন্যাশনালের দক্ষিণ এশিয়ার ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৌরভ মালহোত্রা।

শেয়ার করুন:
এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩১৪১৫১৬
১৭১৮১৯২০২১২২২৩
২৪২৫২৬২৭২৮২৯৩০
৩১  
©germanbanglanews24
Developer Design Host BD