শিরোনাম :
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ সিপিএ রফিকুল ইসলাম জগলুর বাংলাদেশের উন্নয়ন সহযোগী হিসেবে জাপানের অব্যাহত সহযোগিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বাংলাদেশকে আঞ্চলিক এভিয়েশন হাব হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে কাজ করছে সরকার জার্মানিতে বাংলাদেশ দূতাবাসে অতিরিক্ত ফি নেওয়ায় প্রবাসীদের অভিযোগ বাংলাদেশ-চীন অর্থনৈতিক অঞ্চল শিল্প বিপ্লব ও কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পুঁজি ও কূটনীতির মেলবন্ধনে ট্রিলিয়ন ডলার অর্থনীতির পথরেখা আইসিইউতে ওষুধ-প্রতিরোধী ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ উদ্বেগজনক, মৃত্যুহার ৯০ শতাংশের বেশি: আইসিডিডিআরবি করাচির দুই হাসপাতালে শতাধিক শিশুর এইচআইভি শনাক্ত, নীরব স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ নিট কেলেঙ্কারি ঘিরে চাপের মুখে সরে গেলেন ধর্মেন্দ্র প্রধান, বললেন ‘শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎই অগ্রাধিকার’ ইউরোপজুড়ে দাবানলের তাণ্ডব, স্পেনে প্রথম জাতীয় জরুরি অবস্থা

পাহাড়ি ঢলে বিচ্ছিন্ন বাঘাইছড়ি-লংগদু, সাজেকে আটকা প্রায় ৪০০ পর্যটক

জার্মান-বাংলা ডেস্ক, ঢাকা অফিস:
  • প্রকাশের সময়: বুধবার, ৮ জুলাই, ২০২৬

টানা বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে রাঙ্গামাটির বাঘাইছড়ি ও লংগদু উপজেলার সঙ্গে সড়ক যোগাযোগ কার্যত বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। খাগড়াছড়ির মাইনী নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সড়ক পানির নিচে তলিয়ে গেছে। এতে দূরপাল্লার যান চলাচল বন্ধ রয়েছে। একই সঙ্গে সাজেক ভ্যালিতে অবস্থানরত প্রায় ৪০০ পর্যটক আটকা পড়েছেন।

স্থানীয় সূত্র জানায়, কয়েক দিনের ভারী বর্ষণে মাইনী নদীতে পাহাড়ি ঢলের সৃষ্টি হয়েছে। এর ফলে বাঘাইছড়ি-দীঘিনালা এবং লংগদু-দীঘিনালা সড়কের বিভিন্ন অংশ পানিতে ডুবে যায়। পাশাপাশি কয়েকটি স্থানে পাহাড়ধসের ঘটনা ঘটেছে। কোথাও কোথাও সড়কের মাটি সরে যাওয়ায় নতুন করে ধসের আশঙ্কাও তৈরি হয়েছে।

সাজেকে প্রবেশ ও বের হওয়ার প্রধান সড়ক প্লাবিত হওয়ায় পর্যটকদের চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে। এর আগে মঙ্গলবার (৭ জুলাই) সন্ধ্যায় বৈরী আবহাওয়া এবং পাহাড়ধসের ঝুঁকি বিবেচনায় রাঙামাটি জেলা প্রশাসন পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত সাজেক পর্যটনকেন্দ্র বন্ধ ঘোষণা করে। তবে সিদ্ধান্ত কার্যকর হওয়ার আগেই অনেক পর্যটক সেখানে অবস্থান করায় তারা এখন ফিরে আসতে পারছেন না।

এদিকে লংগদু-দীঘিনালা সড়কের মেরুং এলাকায় মাইনী নদীর পানি সড়কের ওপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় সব ধরনের যান চলাচল বন্ধ রয়েছে। ফলে লংগদু উপজেলার সঙ্গে দূরপাল্লার সড়ক যোগাযোগও বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে।

অন্যদিকে রাঙ্গামাটি-খাগড়াছড়ি সড়কের নানিয়ারচরের কেঙ্গেলছড়ি এলাকায়ও সড়কের ওপর পানি উঠে যাওয়ায় যানবাহন চলাচলে বিঘ্ন ঘটছে। এছাড়া রাঙ্গামাটি-খাগড়াছড়ি-মহালছড়ি সড়কের কয়েকটি অংশ হাঁটুসমান পানিতে তলিয়ে থাকায় স্থানীয় বাসিন্দাদের দুর্ভোগ চরমে পৌঁছেছে। জরুরি প্রয়োজনেও অনেককে পানির মধ্যে হেঁটে চলাচল করতে হচ্ছে।

সাজেক কটেজ মালিক সমিতির সাংগঠনিক সম্পাদক রাহুল চাকমা জানান, বিকেলের মধ্যে পানি নেমে গেলে আটকে পড়া পর্যটকদের খাগড়াছড়ির দিকে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হবে। তিনি আরও বলেন, দুর্ভোগের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে অতিরিক্ত সময় অবস্থান করা পর্যটকদের কাছ থেকে আপাতত অতিরিক্ত কক্ষভাড়া নেওয়া হচ্ছে না।

স্থানীয়দের আশঙ্কা, বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকলে পাহাড়ধস, জলাবদ্ধতা ও যোগাযোগ বিচ্ছিন্নতার পরিস্থিতি আরও গুরুতর আকার ধারণ করতে পারে।

শেয়ার করুন:
এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

©germanbanglanews24
Developer Design Host BD