শিরোনাম :
জার্মানিতে অভিবাসন বিরোধ, নর্ড স্ট্রিম তদন্ত, রাইনে নাব্য সংকট ও চরম আবহাওয়ার সতর্কতা ৩৫ বছর পর রাষ্ট্রপতি পদে ভোট, বৃহস্পতিবার মুখোমুখি মির্জা ফখরুল ও অলি আহমদ ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গে প্রাণ গেল আরও ৩ জনের, আক্রান্তের সংখ্যা ১ লাখ ৪৪ হাজার বিদেশে কর্মী পাঠানোর পুরো প্রক্রিয়া অনলাইনে নেওয়ার উদ্যোগ লিবিয়া থেকে দেশে ফিরলেন ১৭৪ বাংলাদেশি, আগস্টে প্রত্যাবাসন ৫১৪ পাঁচ মাস পর নতুন কমিশন পেল দুদক নবম জাতীয় বেতন স্কেল: সর্বোচ্চ ১০০ শতাংশ বেতন বৃদ্ধির চূড়ান্ত সুপারিশ জেনেভায় গভীর শ্রদ্ধা ও ভাবগাম্ভীর্যে বঙ্গবন্ধুর ৫১তম শাহাদাতবার্ষিকী পালিত শিল্প ও পরিবহনে নতুন চাপের মধ্যে জার্মানি, অর্থনীতিতে প্রবৃদ্ধির আশা ও AI নিয়ে বাড়ছে প্রস্তুতি সিসিলির জাদুঘর থেকে রেনেসাঁ যুগের ‘অমূল্য’ চার চিত্রকর্ম চুরি

দক্ষিণ চীন সাগরে বহিরাগত হস্তক্ষেপ নিয়ে উদ্বেগ

জার্মান-বাংলা ডেস্ক, ঢাকা অফিস:
  • প্রকাশের সময়: শনিবার, ২৫ জুলাই, ২০২৬

চায়না মিডিয়া গ্রুপের অধীনে সিজিটিএন গত জুন ও জুলাই মাসে ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া, থাইল্যান্ড, ভিয়েতনাম, ফিলিপাইন ও সিঙ্গাপুর—এই ৬টি দেশের ২,৬৬৪জন উত্তরদাতার ওপর এক বিশেষ জনমত জরিপ পরিচালনা করেছে। জরিপের ফলাফলে দেখা গেছে, দক্ষিণ চীন সাগরের বিবাদে বহিরাগত পরাশক্তিগুলোর হস্তক্ষেপকে এখানকার চলমান সামরিক ও কূটনৈতিক উত্তেজনার প্রধান অনুঘটক হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। একই সাথে, কোনো বহিরাগত প্রভাব ছাড়াই শান্তিপূর্ণ ও স্বাধীন আলোচনার মাধ্যমে এ বিরোধ নিষ্পত্তি করা উচিত—এই বিষয়ে উত্তরদাতাদের মধ্যে এক ব্যাপক সার্বজনীন ঐক্যমত্য লক্ষ্য করা গেছে।

৮৪.৬% উত্তরদাতা বিশ্বাস করেন যে, আন্তর্জাতিক আইন মেনে বৈশ্বিক নীতিমালা বজায় রেখে শুধু শান্তিপূর্ণ সংলাপ ও দ্বিপাক্ষিক আলোচনার মাধ্যমেই দক্ষিণ চীন সাগর সমস্যার সমাধান করা উচিত।

৬৪.৩% উত্তরদাতা মনে করেন, পরাশক্তিগুলোর অতিরিক্ত হস্তক্ষেপের ফলে কিছু দাবিদার দেশ আঞ্চলিক আলোচনার বদলে বহিরাগত শক্তির ওপর অহেতুক নির্ভরশীল হয়ে পড়ছে—যা বিবাদ নিষ্পত্তিতে এ অঞ্চলের দেশগুলোর নিজস্ব ও স্বাধীন সক্ষমতাকে প্রতিনিয়ত দুর্বল করে দিচ্ছে।

৭৪.৪% উত্তরদাতা আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেছেন, বহিরাগত পরাশক্তিগুলোর এই ধারাবাহিক হস্তক্ষেপ অঞ্চলের সামরিক উত্তেজনা বাড়িয়ে তুলবে, যা পরোক্ষভাবে বিশ্বে বাণিজ্য ও জ্বালানি নিরাপত্তার জন্য এক বিরাট হুমকি হয়ে দাঁড়াবে।

ইতিহাস এবং বাস্তব অভিজ্ঞতা বারবার এই সত্যকেই প্রমাণ করেছে যে—যখনই কোনো অঞ্চলের নিজস্ব বিষয়ক সিদ্ধান্ত নেওয়ার স্বাধীনতা বহিরাগত কোনো দেশের হাতে চলে যায়, তখনই সেখানকার পরিস্থিতি ক্রমশ আরও বিশৃঙ্খল ও অনিয়ন্ত্রণযোগ্য হয়ে পড়ে। যার ফলশ্রুতিতে সেই উসকানিদাতা বহিরাগত শক্তি বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে নিজস্ব স্বার্থ হাসিল করে নেয়, আর চূড়ান্তভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয় ওই অঞ্চলেরই সাধারণ দেশ ও জনগণ।

সূত্র:শুয়েই-তৌহিদ-জিনিয়া,সিজিটিএন।

শেয়ার করুন:
এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩১৪১৫১৬
১৭১৮১৯২০২১২২২৩
২৪২৫২৬২৭২৮২৯৩০
৩১  
©germanbanglanews24
Developer Design Host BD