শিরোনাম :
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ সিপিএ রফিকুল ইসলাম জগলুর বাংলাদেশের উন্নয়ন সহযোগী হিসেবে জাপানের অব্যাহত সহযোগিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বাংলাদেশকে আঞ্চলিক এভিয়েশন হাব হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে কাজ করছে সরকার জার্মানিতে বাংলাদেশ দূতাবাসে অতিরিক্ত ফি নেওয়ায় প্রবাসীদের অভিযোগ বাংলাদেশ-চীন অর্থনৈতিক অঞ্চল শিল্প বিপ্লব ও কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পুঁজি ও কূটনীতির মেলবন্ধনে ট্রিলিয়ন ডলার অর্থনীতির পথরেখা আইসিইউতে ওষুধ-প্রতিরোধী ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ উদ্বেগজনক, মৃত্যুহার ৯০ শতাংশের বেশি: আইসিডিডিআরবি করাচির দুই হাসপাতালে শতাধিক শিশুর এইচআইভি শনাক্ত, নীরব স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ নিট কেলেঙ্কারি ঘিরে চাপের মুখে সরে গেলেন ধর্মেন্দ্র প্রধান, বললেন ‘শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎই অগ্রাধিকার’ ইউরোপজুড়ে দাবানলের তাণ্ডব, স্পেনে প্রথম জাতীয় জরুরি অবস্থা

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে চীনা ক্যালিগ্রাফির বিশেষ প্রদর্শনী

জার্মান-বাংলা ডেস্ক, ঢাকা অফিস:
  • প্রকাশের সময়: শুক্রবার, ৬ মার্চ, ২০২৬

বাংলাদেশে চীনা সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যকে আরও ঘনিষ্ঠভাবে তুলে ধরতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আয়োজন করা হয়েছে চীনা ক্যালিগ্রাফির বিশেষ এক প্রদর্শনী। বৃহস্পতিবার দুপুরে ‘ল্যান্টিং চাইনিজ ক্যালিগ্রাফি কালচার সেলুন ২০২৬’ শিরোনামে বিশ্ববিদ্যালয়ের মল চত্বরে অনুষ্ঠিত হয় চীনা ক্যালিগ্রাফি সংস্কৃতির বিশেষ এই আয়োজন।

ঢাকাস্থ চীনা দূতাবাসের উদ্যোগে এতে সহ আয়োজক হিসেবে ছিলো ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কনফুসিয়াস ইনস্টিটিউট এবং আধুনিক ভাষা ইনস্টিটিউট।

এই সাংস্কৃতিক সেলুনের মূল উদ্দেশ্য হলো চীনা ক্যালিগ্রাফির অনন্য শিল্পরূপ তুলে ধরা, যা চীনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অবৈষয়িক সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য হিসেবে স্বীকৃত।

অনুষ্ঠানে চীনা দূতাবাসের কালচারাল কাউন্সেলর লি শাওফেং, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কনফুসিয়াস ইনস্টিটিউটের চীনা পরিচালক, বাংলাদেশি পরিচালকসহ অন্যান্য শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ বিভিন্ন পেশা ও ক্ষেত্রের অতিথিরা অংশগ্রহণ করেন।

অনুষ্ঠানে আগতদের জন্য ছিলো ঐতিহ্যবাহী চীনা পোশাক হানফু পরিধানের সুযোগ। এছাড়াও দর্শনার্থীরা চীনা ক্যালিগ্রাফির নান্দনিকতা উপভোগের পাশাপাশি যৌথভাবে একটি দীর্ঘ ক্যালিগ্রাফি স্ক্রল তৈরিতেও অংশ নেন।

আয়োজকরা জানিয়েছেন, এই অবৈষয়িক সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের অভিজ্ঞতার মাধ্যমে অংশগ্রহণকারীরা “মাই চাইনিজ স্টাইল” অনুভব করার সুযোগ পেয়েছেন।

অন্যদিকে দর্শনার্থীরা মনে করছেন, এ ধরনের সাংস্কৃতিক বিনিময়মূলক অনুষ্ঠান চীন ও বাংলাদেশের মানুষের মধ্যে সাংস্কৃতিক যোগাযোগ, পারস্পরিক বোঝাপড়া আরও জোরদারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

সূত্র: সিএমজি,বাংলা।

শেয়ার করুন:
এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

©germanbanglanews24
Developer Design Host BD