শিরোনাম :
জার্মানিতে অভিবাসন বিরোধ, নর্ড স্ট্রিম তদন্ত, রাইনে নাব্য সংকট ও চরম আবহাওয়ার সতর্কতা ৩৫ বছর পর রাষ্ট্রপতি পদে ভোট, বৃহস্পতিবার মুখোমুখি মির্জা ফখরুল ও অলি আহমদ ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গে প্রাণ গেল আরও ৩ জনের, আক্রান্তের সংখ্যা ১ লাখ ৪৪ হাজার বিদেশে কর্মী পাঠানোর পুরো প্রক্রিয়া অনলাইনে নেওয়ার উদ্যোগ লিবিয়া থেকে দেশে ফিরলেন ১৭৪ বাংলাদেশি, আগস্টে প্রত্যাবাসন ৫১৪ পাঁচ মাস পর নতুন কমিশন পেল দুদক নবম জাতীয় বেতন স্কেল: সর্বোচ্চ ১০০ শতাংশ বেতন বৃদ্ধির চূড়ান্ত সুপারিশ জেনেভায় গভীর শ্রদ্ধা ও ভাবগাম্ভীর্যে বঙ্গবন্ধুর ৫১তম শাহাদাতবার্ষিকী পালিত শিল্প ও পরিবহনে নতুন চাপের মধ্যে জার্মানি, অর্থনীতিতে প্রবৃদ্ধির আশা ও AI নিয়ে বাড়ছে প্রস্তুতি সিসিলির জাদুঘর থেকে রেনেসাঁ যুগের ‘অমূল্য’ চার চিত্রকর্ম চুরি

জুলাইয়ের চেতনা বাস্তবায়নে সরকারের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলল সুজন

জার্মান-বাংলা ডেস্ক, ঢাকা অফিস:
  • প্রকাশের সময়: রবিবার, ২১ জুন, ২০২৬

সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) আয়োজিত ‘বর্তমান সরকারের চার মাস: প্রত্যাশা, অর্জন ও করণীয়’ শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠকে বদিউল আলম মজুমদারসহ অন্যরা ছবি: প্রথম আলো

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের চেতনার প্রতি সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে শ্রদ্ধা জানালেও বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে জড়তা, দ্বিধা এবং কিছু ক্ষেত্রে অবহেলার লক্ষণ দেখা যাচ্ছে বলে মন্তব্য করেছে সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন)। সংগঠনটির মতে, সংখ্যানুপাতিক প্রতিনিধিত্বের (পিআর) ভিত্তিতে উচ্চকক্ষ গঠন কিংবা জাতীয় সাংবিধানিক পরিষদ (এনসিসি) প্রতিষ্ঠার মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে সরকারের নীরবতা উদ্বেগের জন্ম দিয়েছে।

রোববার রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবে ‘বর্তমান সরকারের চার মাস: প্রত্যাশা, অর্জন ও করণীয়’ শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠকে উপস্থাপিত এক প্রবন্ধে এসব পর্যবেক্ষণ তুলে ধরা হয়। অনুষ্ঠানের আয়োজন করে সুজন এবং সঞ্চালনা করেন সংগঠনের সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদার।

প্রবন্ধটি উপস্থাপন করেন সুজনের কেন্দ্রীয় সমন্বয়কারী দিলীপ কুমার সরকার। সেখানে বলা হয়, সরকারের কার্যক্রম মূল্যায়নের ক্ষেত্রে তিনটি বিষয় গুরুত্বপূর্ণ—জুলাই সনদের রাজনৈতিক ও নৈতিক তাৎপর্য স্বীকার করা হয়েছে কি না, তা বাস্তবায়নে কোনো সুনির্দিষ্ট সময়সূচি বা প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো তৈরি হয়েছে কি না এবং সরকারের কর্মকাণ্ড সনদের চেতনার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ কি না।

প্রবন্ধে আরও উল্লেখ করা হয়, জুলাই সনদ বাস্তবায়নে এখন পর্যন্ত দৃশ্যমান ও সুস্পষ্ট কোনো উদ্যোগ দেখা যায়নি। আনুষ্ঠানিক বক্তব্য ও রাজনৈতিক সৌজন্যের বাইরে সনদের বাস্তব প্রয়োগের ক্ষেত্রে কার্যকর পদক্ষেপের অভাব রয়েছে।

সমাপনী বক্তব্যে বদিউল আলম মজুমদার বলেন, গণ-অভ্যুত্থানের মাধ্যমে দেশের রাজনৈতিক বাস্তবতায় পরিবর্তন এসেছে এবং জনগণ একটি নতুন ব্যবস্থার প্রত্যাশা করেছিল। তাঁর মতে, পুরোনো রাজনৈতিক কাঠামো ও পদ্ধতি অনুসরণ করে কাঙ্ক্ষিত পরিবর্তন সম্ভব নয়।

তিনি আরও বলেন, অতীতের শাসনব্যবস্থায় ভোটাধিকার, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা এবং মানবাধিকার ক্ষুণ্ন হয়েছিল। সেই প্রেক্ষাপটে জনগণের আন্দোলন থেকে সংস্কারের দাবি সামনে এসেছে।

অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রবিজ্ঞানী দিলারা চৌধুরী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক সাজ্জাদ সিদ্দিকী, নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক এ কে এম ওয়ারেসুল করিম এবং প্রযুক্তি উদ্যোক্তা ফাহিম মাশরুরসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রের বিশিষ্টজনেরা বক্তব্য দেন।

সূত্র: সুজন আয়োজিত গোলটেবিল বৈঠক, জাতীয় প্রেসক্লাব, ২১ জুন ২০২৬।

শেয়ার করুন:
এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩১৪১৫১৬
১৭১৮১৯২০২১২২২৩
২৪২৫২৬২৭২৮২৯৩০
৩১  
©germanbanglanews24
Developer Design Host BD