শিরোনাম :
হৃদরোগে আক্রান্ত ৯ বছরের হাবিবুল্লাহ বাঁচতে চায়, চিকিৎসায় প্রয়োজন ৫ লাখ টাকা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ সিপিএ রফিকুল ইসলাম জগলুর বাংলাদেশের উন্নয়ন সহযোগী হিসেবে জাপানের অব্যাহত সহযোগিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বাংলাদেশকে আঞ্চলিক এভিয়েশন হাব হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে কাজ করছে সরকার জার্মানিতে বাংলাদেশ দূতাবাসে অতিরিক্ত ফি নেওয়ায় প্রবাসীদের অভিযোগ বাংলাদেশ-চীন অর্থনৈতিক অঞ্চল শিল্প বিপ্লব ও কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পুঁজি ও কূটনীতির মেলবন্ধনে ট্রিলিয়ন ডলার অর্থনীতির পথরেখা আইসিইউতে ওষুধ-প্রতিরোধী ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ উদ্বেগজনক, মৃত্যুহার ৯০ শতাংশের বেশি: আইসিডিডিআরবি করাচির দুই হাসপাতালে শতাধিক শিশুর এইচআইভি শনাক্ত, নীরব স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ নিট কেলেঙ্কারি ঘিরে চাপের মুখে সরে গেলেন ধর্মেন্দ্র প্রধান, বললেন ‘শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎই অগ্রাধিকার’

চিত্রশিল্পী মুস্তাফা মনোয়ারের জানাজা মঙ্গলবার, শহীদ মিনারে জানানো হবে শেষ শ্রদ্ধা

জার্মান-বাংলা ডেস্ক, ঢাকা অফিস:
  • প্রকাশের সময়: সোমবার, ২৯ জুন, ২০২৬

দেশের প্রখ্যাত চিত্রশিল্পী, নির্মাতা ও একুশে পদকপ্রাপ্ত সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব মুস্তাফা মনোয়ারের জানাজা আগামীকাল মঙ্গলবার (৩০ জুন) অনুষ্ঠিত হবে। পরে সর্বস্তরের মানুষের শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য তার মরদেহ কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে নেওয়া হবে। পরিবারের ইচ্ছা অনুযায়ী বনানী কবরস্থানে তার দাফন সম্পন্ন করা হবে।

সোমবার (২৯ জুন) রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান তার ছেলে সাদাত মনোয়ার। তিনি বলেন, আজ মরদেহ নিজ বাসভবনে রাখা হবে। মঙ্গলবার জানাজা শেষে শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা নিবেদনের পর দাফনের ব্যবস্থা করা হবে।

এর আগে সোমবার সকাল সাড়ে ৯টায় রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন বরেণ্য এই শিল্পী।

পরিবারের সদস্যরা জানান, দীর্ঘদিন ধরে ফুসফুসে ব্যাকটেরিয়াজনিত সংক্রমণ ও নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত ছিলেন মুস্তাফা মনোয়ার। গত ১৪ জুন গুরুতর অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পর তাকে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে রাখা হয়। চিকিৎসকদের নিবিড় পর্যবেক্ষণ ও চিকিৎসা চললেও শেষ পর্যন্ত তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

১৯৩৫ সালে মাগুরায় জন্ম নেওয়া মুস্তাফা মনোয়ার ছিলেন প্রখ্যাত কবি গোলাম মোস্তফার পুত্র। চিত্রকলার পাশাপাশি তিনি টেলিভিশন অনুষ্ঠান নির্মাণ এবং বাংলাদেশে পাপেট বা পুতুলনাচের শিল্পের বিকাশে পথিকৃতদের একজন হিসেবে বিশেষভাবে পরিচিত।

শিল্প ও সংস্কৃতিতে দীর্ঘদিনের অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ২০০৪ সালে তিনি একুশে পদক লাভ করেন। তার মৃত্যুতে দেশের শিল্প-সংস্কৃতি অঙ্গনে গভীর শোকের পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে।

শেয়ার করুন:
এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

©germanbanglanews24
Developer Design Host BD